26 C
Dhaka
Thursday, February 12, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধমুন্সীগঞ্জ-৩ গুরুচরণ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ, পাঁচজন গ্রেপ্তার

মুন্সীগঞ্জ-৩ গুরুচরণ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ, পাঁচজন গ্রেপ্তার

মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সদর উপজেলার মাকহাটি গুরুচরণ উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের কাছে আজ দু’বার ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছে। প্রথম বিস্ফোরণ সকাল দশটায় ঘটার পর ভোটগ্রহণ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়, আর দুপুর বারোটা টায় আবার দুই দফা বিস্ফোরণ ঘটে। ফলে ভোটগ্রহণ পুনরায় শুরু হলেও নিরাপত্তা পরিস্থিতি তীব্রভাবে তদারকি করা হচ্ছে।

বিস্ফোরণের পর现场ে উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। স্থানীয় পুলিশ জানায়, ফুটবল ও ধানের শীষ সমর্থকদের মধ্যে কেন্দ্রের আধিপত্য নিয়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছিল, যা এই হামলার পেছনের মূল কারণ হতে পারে।

বিস্ফোরণের সময় উপস্থিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জুবায়ের আহমেদ অর্ণব现场ে পৌঁছিয়ে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেন। সেনাবাহিনীর সদস্যরা হামলার পর অবিলম্বে এলাকায় প্রবেশ করে, সন্দেহভাজনদের পালানোর চেষ্টা থামাতে সক্ষম হন।

সন্দেহভাজনরা আলুর জমির দিকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে, তবে দ্রুতই নিরাপত্তা বাহিনীর দ্বারা আটক হয়। গ্রেপ্তারকৃত পাঁচজনের মধ্যে রহমত মাঝি (বয়স ৪২), পারভেজ মাঝি (২৭), মো. কামাল (৩৭), আরশাদ মাঝি এবং সালিম মাঝি অন্তর্ভুক্ত। তাদের সঙ্গে একটি অবিস্ফোরিত ককটেলও উদ্ধার করা যায়।

কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার তীতুমির জানান, প্রথম বিস্ফোরণের পর ভোটগ্রহণ কিছুক্ষণ বন্ধ রাখা হয়, তবে সকাল দশটায় আবার ভোট গ্রহণ পুনরায় শুরু হয়। বর্তমানে ভোটগ্রহণ চলমান এবং কোনো বড় বাধা দেখা যায়নি।

বিস্ফোরণের ফলে কেন্দ্রের মূল ফটক বন্ধ করা হয়, যাতে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রায় সাত-আট মিনিটের মধ্যে ফটক আবার খোলা হয়।

ঘটনাস্থলে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী এবং পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট মো. মেনহাজুল আলম现场ে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। তারা নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার নির্দেশ দেন।

সদর থানার ওসি মমিন আলী জানান, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা এখনো জোরদার করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত রক্ষী বাহিনীর তত্ত্বাবধানে ভোটগ্রহণ চালিয়ে যাওয়া হবে।

গ্রেপ্তারকৃত পাঁচজনের বিরুদ্ধে নির্বাচনী অপরাধ, সন্ত্রাসী কার্যক্রম এবং সশস্ত্র হামলার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইনি ধারা অনুযায়ী তাদেরকে আদালতে হাজির করা হবে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ককটেলগুলো স্থানীয়ভাবে প্রস্তুত করা হয়েছিল এবং বিস্ফোরণের সময় ব্যবহার করা হয়েছিল। অবিস্ফোরিত ককটেলটি নিরাপদে নিষ্কাশন করে বিশ্লেষণের জন্য ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে।

অধিক তদন্তের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে কাজ করছে। সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে প্রমাণ সংগ্রহ করা হবে এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত সন্দেহভাজনও গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

আসন্ন আদালত শোনানিতে গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রমাণ উপস্থাপন করা হবে এবং তাদের জেলখানা বা জামিনের সম্ভাবনা নির্ধারিত হবে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পুরোপুরি পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments