26 C
Dhaka
Thursday, February 12, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধমুন্সিগঞ্জে ভোটিং সেন্টারে বিস্ফোরণ, পাঁচজন গ্রেফতার ও অস্ত্র উদ্ধার

মুন্সিগঞ্জে ভোটিং সেন্টারে বিস্ফোরণ, পাঁচজন গ্রেফতার ও অস্ত্র উদ্ধার

মুন্সিগঞ্জের সাদার উপজেলা, মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের মাখাটি গুরুচরণ হাইস্কুলে আজ বিকাল একটি বিস্ফোরণ ঘটায়। ঘটনাস্থলে কোনো প্রাণহানি না থাকলেও, বিস্ফোরণের ধ্বনি আশেপাশের গ্রামগুলোতে শোনা যায়। স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনী সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

বিস্ফোরণটি নির্বাচনী কেন্দ্রের কাছাকাছি ঘটায়, যেখানে ভোটারদের জন্য ভোটদান প্রক্রিয়া চলছিল। তৎক্ষণাৎ পুলিশ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সমন্বিত অপারেশন চালু করে, যা সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মাখাটি এলাকায় বিস্তৃত ছিল। অপারেশনের সময় পাঁচজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত পাঁচজনের পরিচয় ও অপরাধের প্রকৃতি এখনও প্রকাশিত হয়নি, তবে নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্র অনুযায়ী তারা বিস্ফোরণের সাথে যুক্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। গ্রেফতারকৃতদের সঙ্গে একটি অগ্নি অস্ত্র এবং কয়েকটি কাঁচা বোমা উদ্ধার করা হয়।

অস্ত্র ও বোমাগুলো মাখাটি গুরুচরণ হাইস্কুলের নিকটবর্তী একটি বাড়ি এবং আশেপাশের কয়েকটি ঘরে থেকে তল্লাশি করে পাওয়া যায়। উদ্ধারকৃত অগ্নি অস্ত্রটি ব্যবহারযোগ্য অবস্থায় ছিল না, তবে কাঁচা বোমাগুলো এখনও সক্রিয় হতে পারত।

গাজারিয়া ক্যাম্পের কমান্ডার ক্যাপ্টেন চার্লস এই গ্রেফতার ও অস্ত্র উদ্ধার সম্পর্কে নিশ্চিত করেন যে, সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা বজায় রাখতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, গ্রেফতারকৃতদের আইনগত প্রক্রিয়ার আওতায় যথাযথভাবে হ্যান্ডেল করা হবে।

মুন্সিগঞ্জের সুপারিন্টেন্ডেন্ট অফ পুলিশ মেনহাজুল আলম ঘটনাটির সম্পর্কে জানেন, তবে বর্তমানে তার কাছে বিস্তারিত তথ্য নেই। তিনি জানান, তদন্ত চলমান এবং প্রয়োজনীয় সব তথ্য সংগ্রহের জন্য কাজ করা হচ্ছে।

একই সময়ে, সাদার থানা অফিসার ইন চার্জ মোঃ মোমিনুল ইসলাম জানান, সকাল দশটায় বিএনপি প্রার্থী মোঃ কামরুজ্জামান ও স্বাধীন প্রার্থী মোঃ মহিউদ্দিনের সমর্থকদের মধ্যে ধাক্কা-ধাক্কি ও পাল্টা ধাক্কা ঘটে। ঘটনায় কোনো আহত বা নিহতের খবর পাওয়া যায়নি।

এই সংঘর্ষের সময় নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি শান্ত করে এবং উভয় দলের সমর্থকদের আলাদা করে। কোনো শারীরিক ক্ষতি না ঘটলেও, ঘটনাটি স্থানীয় নির্বাচনী পরিবেশে উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়।

গ্রেফতারকৃত পাঁচজনকে এখন স্থানীয় থানায় হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহের পর ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে। সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী, অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক সামগ্রী সংরক্ষণে কঠোর শাস্তি রয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত চালিয়ে যাবে, যাতে বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সনাক্ত করা যায়। প্রয়োজনীয় ফরেনসিক বিশ্লেষণ ও সাক্ষ্য সংগ্রহের মাধ্যমে মামলাটি আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

অধিক তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সংবেদনশীলতা বজায় রাখতে বলা হচ্ছে, যাতে জনসাধারণের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় আতঙ্ক না সৃষ্টি হয়। নিরাপত্তা সংস্থাগুলি জনগণকে সতর্ক করে, সন্দেহজনক কোনো কার্যকলাপের তথ্য দ্রুত জানাতে আহ্বান জানাচ্ছে।

বিস্ফোরণ ও সংশ্লিষ্ট গ্রেফতার ঘটনা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টা ও আইনি প্রয়োগের মাধ্যমে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments