26 C
Dhaka
Thursday, February 12, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনউদিত নারায়ণকে প্রথম স্ত্রীর অভিযোগে গর্ভাশয় অপসারণের অভিযোগ

উদিত নারায়ণকে প্রথম স্ত্রীর অভিযোগে গর্ভাশয় অপসারণের অভিযোগ

বিহারের সুপৌল নারী পুলিশ স্টেশনে ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার উদিত নারায়ণের প্রথম স্ত্রী রঞ্জনা ঝা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি ৬১ বছর বয়সী, চন্দ্রকান্ত ঝার কন্যা এবং ৭ ডিসেম্বর ১৯৮৪ সালে হিন্দু রীতিতে উদিতের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তার গর্ভাশয় তার জ্ঞান ও সম্মতি ছাড়া অপসারণ করা হয়েছে।

রঞ্জনা জানান, উদিত ১৯৮৫ সালে মুম্বাইয়ে গিয়ে গায়ক হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে বেরিয়ে যান। পরবর্তীতে তিনি মিডিয়া রিপোর্টের মাধ্যমে জানেন যে উদিতের আরেকজন স্ত্রী, দীপা নারায়ণ, আছেন। রঞ্জনা দাবি করেন, যখন তিনি এই বিষয়টি উদিতের সামনে তুলে ধরেন, তখন তাকে মিথ্যা বলা হয়।

অভিযোগের মূল অংশে ১৯৯৬ সালের একটি হাসপাতাল ভ্রমণ উল্লেখ করা হয়েছে। রঞ্জনা বলেন, উদিত এবং তার দুই ভাই, সংযে কুমার ঝা ও ললিত নারায়ণ ঝা, তাকে দিল্লির একটি হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে তার গর্ভাশয় অপসারণ করা হয়, যা তিনি ‘চিকিৎসা সেবার ছদ্মবেশে’ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

গুরুত্বপূর্ণ যে, রঞ্জনা দাবি করেন, গর্ভাশয় অপসারণের সময় দীপা নারায়ণও হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, এই ঘটনার পর থেকে তিনি উদিতের পরিবার থেকে শারীরিক ও মানসিকভাবে অবহেলিত বোধ করেন।

রঞ্জনা আরও উল্লেখ করেন, ২০০৬ সালে মুম্বাইতে উদিতের বাড়িতে প্রবেশের অনুমতি না দেওয়া হয় এবং নেপালে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় তাকে অপমান করা হয়। এসব ঘটনার ফলে তার মানসিক কষ্ট বাড়ে।

অভিযোগের আগে রঞ্জনা পরিবার আদালত ও নারী কমিশনের কাছে আবেদন করেন, তবে তিনি জানান, তার অভিযোগ যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। তাই তিনি এবার পুলিশের মাধ্যমে আইনি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য বোধ করেন।

রঞ্জনা তার বক্তব্যে বলেন, উদিত নারায়ণ বারবার প্রতিশ্রুতি দেন, তবে তা পূরণ করেন না; তিনি ন্যায়বিচার চান। তার এই কথা মিডিয়ায় প্রকাশিত হলেও কোনো সাংবাদিকের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, অভিযোগটি তদন্তাধীন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের পর FIR দাখিল করা হবে। বর্তমানে বিষয়টি তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

উদিত নারায়ণ এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য বা ব্যাখ্যা দেননি। তার পক্ষ থেকে কোনো প্রকাশ্য বিবৃতি বা সাক্ষাৎকারের রেকর্ড পাওয়া যায়নি।

আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে গর্ভাশয় অপসারণের মতো গুরুতর অভিযোগে চিকিৎসা সম্মতি ও রোগীর অধিকার সংক্রান্ত আইন প্রয়োগ হবে। যদি অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তবে সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি হতে পারে।

বিনোদন জগতের এই ধরনের ব্যক্তিগত বিরোধ কখনও কখনও জনমতকে প্রভাবিত করে এবং শিল্পীর সুনামকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই এই ধরনের মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, রঞ্জনা এবং উদিতের পারিবারিক বিষয়গুলো মিডিয়ার দৃষ্টিতে এসেছে, তবে আদালতের চূড়ান্ত রায় পর্যন্ত বিষয়টি অনিশ্চিতই রয়ে যাবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Bollywood Hungama
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments