বাংলাদেশের ১৩তম সংসদীয় নির্বাচনের পাশাপাশি একসাথে অনুষ্ঠিত গণভোটে আজ দেশের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে বিশাল ভোটার উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে, যা দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক সংগঠন জামাত‑ই‑ইসলামি প্রকাশ করেছে। মঘবাজারে জামাতের কেন্দ্রীয় অফিসে সকাল ১০:৪০ টায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে দলটি ভোটগ্রহণের উচ্ছ্বাসের কথা জানিয়েছে।
সাময়িক সংবাদ সম্মেলনে জামাতের সহকারী সচিব জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের উপস্থিতি ছিল, যিনি দলের মিডিয়া ও প্রকাশনা সচিবের দায়িত্বও পালন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান নির্বাচন গত পনেরো বছরে সবচেয়ে প্রাণবন্ত এবং নতুন প্রজন্মের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী অভিজ্ঞতা।
জুবায়ের মতে, ভোটাররা ভোটকেন্দ্রের বাইরে শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে সারি গেঁথে দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং তাদের মধ্যে দৃশ্যমান উদ্দীপনা স্পষ্ট। তিনি বলেন, ভোটগ্রহণের সময় নাগরিকরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে তাদের অধিকার ব্যবহার করছেন।
দলটি উল্লেখ করেছে যে সংসদীয় নির্বাচন ও গণভোট একসাথে অনুষ্ঠিত হওয়ায় জনগণের আগ্রহ ও অংশগ্রহণের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া পরিচালনা করা ভোটারদের জন্য অতিরিক্ত প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।
এই সমন্বিত ভোটদান প্রক্রিয়ার ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভোটকেন্দ্রের চারপাশে উল্লসিত পরিবেশ দেখা গেছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় ভোটারদের মধ্যে উৎসবের মতো উচ্ছ্বাস দেখা যায়, যেখানে মানুষ একে অপরকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভোটের জন্য অপেক্ষা করে।
জামাতের প্রতিনিধিরা উল্লেখ করেন, নতুন প্রজন্মের ভোটাররা এই নির্বাচনী ও গণভোটের সমন্বয়কে একটি শিক্ষামূলক অভিজ্ঞতা হিসেবে গ্রহণ করছে এবং ভবিষ্যতে রাজনৈতিক অংশগ্রহণে আরও সক্রিয় হবে বলে তারা আশা করেন।
বিভিন্ন জেলা ও শহরে ভোটকেন্দ্রের সামনে দীর্ঘ কিন্তু শৃঙ্খলাবদ্ধ সারি গঠিত হয়েছে, যা ভোটগ্রহণের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গৃহীত ব্যবস্থা হিসেবে প্রশংসিত হয়েছে। ভোটারদের এই শৃঙ্খলা ভোটদান প্রক্রিয়ার সুষ্ঠু পরিচালনায় সহায়তা করছে।
দলটি উল্লেখ করেছে, সমসাময়িকভাবে অনুষ্ঠিত এই দুইটি ভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামত একসাথে সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে, যা দেশের রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের দিন নাগরিকদের মধ্যে উল্লসিত ও উৎসাহী মনোভাব স্পষ্ট, যা দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা বাড়িয়ে তুলেছে।
ভোটের ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী ধাপে ভোটগণনা শুরু হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। জামাতের প্রতিনিধিরা ফলাফল প্রকাশের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি কীভাবে পরিবর্তিত হবে তা পর্যবেক্ষণ করার ইঙ্গিত দিয়েছেন।



