28 C
Dhaka
Thursday, February 12, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধমিরপুরে ভোটপত্র চুরি করে পালানোর চেষ্টা করা যুবককে ৩ বছর কারাদণ্ড

মিরপুরে ভোটপত্র চুরি করে পালানোর চেষ্টা করা যুবককে ৩ বছর কারাদণ্ড

কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় মিরপুর উপজেলার একটি ভোট কেন্দ্রে ভোটপত্র চুরি করে পালানোর চেষ্টা করা ২৮ বছর বয়সী শাহিন মালিথাকে ভ্রাম্যমান আদালতে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকার জরিমানা করা হয়েছে।

ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় নয়টায় তালবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্রে, যেখানে ভোটারদের ভোটপত্র সংগ্রহের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। শাহিন, যিনি নওদা গোবিন্দপুর গ্রাম থেকে আসেন, ভোটের বাক্সে ভোটপত্র না রেখে সাদা কাগজ ফেলে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

পুলিশের উপস্থিতি এবং তৎক্ষণাৎ গৃহীত পদক্ষেপের ফলে তিনি দ্রুতই আটক হন।现场ে তার অপরাধ স্বীকার হওয়ায় তদন্ত দ্রুত অগ্রসর হয় এবং সংশ্লিষ্ট আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়।

শাহিনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে যে তিনি মৃত আব্দুল মালিথার পুত্র, যিনি একই গ্রামেই বাস করতেন। তার পরিবার ও পরিচিতদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি পূর্বে কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড রাখেন না, তবে এই ঘটনার ফলে তার সামাজিক অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অধিকারের অধীনে পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালতে দায়িত্বপ্রাপ্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে তিনি দোষ স্বীকার করেন। আদালত তার অপরাধের গুরুতরতা বিবেচনা করে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকার জরিমানা প্রদান করে।

অধিক জরিমানা না পরিশোধের ক্ষেত্রে, আইন অনুযায়ী অতিরিক্ত পনেরো দিনের সশ্রম কারাদণ্ড আরোপ করা হয়েছে। এই শাস্তি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্য কঠোর পদক্ষেপের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, নির্বাচনের সময় ভোটপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি দেওয়া উচিত। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতি করা হবে।

বাংলাদেশের নির্বাচন আইন অনুযায়ী, ভোটপত্র চুরি, বিক্রি বা অন্য কোনোভাবে পরিবর্তন করা অপরাধের মধ্যে গণ্য হয় এবং এর জন্য কঠোর শাস্তি নির্ধারিত আছে। এই শাস্তি নির্বাচনের ফলাফলকে বিকৃত করা থেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়।

শাহিনের আইনজীবী জানিয়েছেন, দোষ স্বীকারের পরেও তিনি আপিলের অধিকার রাখেন এবং পরবর্তী সময়ে উচ্চতর আদালতে আপিল দায়ের করার সম্ভাবনা রয়েছে। আপিল প্রক্রিয়ার সময় তিনি কারাগারে থাকবেন এবং শাস্তি কার্যকর হবে না।

এই ঘটনার পর নির্বাচনী কমিশন স্থানীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্বিবেচনা করেছে এবং ভোটকেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত নজরদারি ক্যামেরা ও নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। এছাড়া, ভোটপত্রের হ্যান্ডলিং প্রক্রিয়ায় নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, মিরপুরে এই অপরাধের দ্রুত তদন্ত ও কঠোর শাস্তি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতি অব্যাহত থাকবে।

৭৯/১০০ ২টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাকBanglastream
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments