25 C
Dhaka
Thursday, February 12, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিঢাকা-৮ আসনের শাপলা পোলিং এজেন্টকে বাধা, পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে প্রবেশের অনুমতি

ঢাকা-৮ আসনের শাপলা পোলিং এজেন্টকে বাধা, পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে প্রবেশের অনুমতি

ঢাকা-৮ আসনের মির্জা আব্বাস মহিলা ডিগ্রি কলেজ ভোটকেন্দ্রে শাপলা প্রতীকের পোলিং এজেন্টকে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়, পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে তাকে কেন্দ্রের ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি, সকাল প্রায় সোয়া ৭টার দিকে, যখন ভোট শুরুর প্রস্তুতি চলছে। এজেন্টের প্রবেশে বাধা দেওয়া এবং পরে হস্তক্ষেপের কারণ ও প্রক্রিয়া নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্ন তুলেছে।

গোলাম মোস্তফা, নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর শাপলা প্রতীকের পক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্ত পোলিং এজেন্ট, ভোটকেন্দ্রের দরজায় পৌঁছানোর পর প্রবেশের অনুমতি পাননি। তার কাছে বৈধ পোলিং এজেন্টের কাগজপত্র ছিল, তবু সমর্থকদের দ্বারা বাধা দেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। সমর্থকরা ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে কাজ করছিলেন এবং শাপলা প্রতীকের এজেন্টকে কেন্দ্রের বাইরে রাখার চেষ্টা করেন।

গোলাম মোস্তফা কেন্দ্রের বাইরে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় জানান, সকাল সাড়ে সাতটায় ভোট শুরুর প্রস্তুতি চলছিল, তবু তাকে প্রবেশের অনুমতি না দেওয়া হয়। তিনি উল্লেখ করেন, পুলিশ থেকে কোনো সহায়তা পাননি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নীরবতা তাকে হতাশ করেছে। এদিকে, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ পুলিশও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অক্ষম বলে তিনি জানান।

প্রায় এক ঘণ্টা পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল ভোটকেন্দ্রে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি স্থিতিশীল করে। সেনাবাহিনীর উপস্থিতি পরেই গোলাম মোস্তফা কেন্দ্রের ভিতরে প্রবেশের অনুমতি পান। সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপের ফলে ভোটকেন্দ্রের কাজ স্বাভাবিকভাবে চালু হয় এবং পোলিং এজেন্টের কাজ সম্পন্ন হয়।

কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ উপপরিদর্শক (এসআই) মোমিন জানান, ঘটনাটি রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে এবং রিটার্নিং কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ভোটের সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করতে সকল পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

অধিক তথ্য সংগ্রহের জন্য কেন্দ্রের কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, তিনি ঘটনাটি যাচাই করার চেষ্টা করছেন এবং নিশ্চিত তথ্য পাওয়া গেলে বিস্তারিত জানাবেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় সকল সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বিত কাজ প্রয়োজন।

এই ঘটনা স্থানীয় রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলতে পারে, বিশেষ করে শাপলা ও ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের সম্ভাবনা দেখা দেয়। নির্বাচনী কমিশন ও নিরাপত্তা বাহিনীর কাছ থেকে দ্রুত এবং নিরপেক্ষ পদক্ষেপের প্রত্যাশা বাড়ছে, যাতে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া কোনো বাধা ছাড়াই সম্পন্ন হয়।

ভবিষ্যতে, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্বিবেচনা এবং পোলিং এজেন্টদের প্রবেশের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি সমন্বিত নীতি প্রণয়ন করতে পারে। এই ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধে আইনগত ব্যবস্থা ও তদারকি শক্তিশালী করা জরুরি, যাতে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ন্যায়সঙ্গত ও স্বচ্ছ থাকে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments