18 C
Dhaka
Thursday, February 12, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধদক্ষিণ থাইল্যান্ডের স্কুলে গুলিবর্ষণ, প্রধান শিক্ষক মারা গেছেন

দক্ষিণ থাইল্যান্ডের স্কুলে গুলিবর্ষণ, প্রধান শিক্ষক মারা গেছেন

হাট ইয়াই শহরের নিকটবর্তী ফাটং প্রথান কেরি ওয়াট স্কুলে বুধবার বিকাল ৫টার কাছাকাছি এক তরুণ গুলিবর্ষণকারী প্রবেশ করে, যেখানে স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাসিফাত সিনসামোসর্ন গুলি পেয়ে আহত হন। গুলিবর্ষণের পর তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন এবং পরের দিন ভোরে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যান।

গুলিবর্ষণের সময় প্রধান শিক্ষক এবং একটি মেয়ের শিক্ষার্থী দুজনই গুলি পেয়েছিলেন। গুলি পাওয়া শিক্ষার্থীটি বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে, আর অন্য এক শিক্ষার্থী জানালার মাধ্যমে পালিয়ে যাওয়ার সময় গোড়ালির আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

দায়িত্বে থাকা ১৮ বছর বয়সী অপরাধী স্কুলের প্রাঙ্গণে প্রবেশের পর দুই ঘণ্টা ধরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বন্দী অবস্থায় রইল। শেষ পর্যন্ত পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে, এবং তিনি এখন স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে হেফাজতে আছেন।

আক্রমণের পেছনের উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। স্থানীয় মিডিয়ার সূত্রে জানা যায়, সন্দেহভাজন শিক্ষকের সঙ্গে কোনো ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে এই কাজটি করতে পারেন। তবে এ বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি এবং তদন্ত চলমান।

স্কুলের ফেসবুক পেজে শোক প্রকাশের পোস্টে বলা হয়েছে, “তিনি আমাদের হৃদয়ে চিরকাল স্মরণীয় থাকবেন, তার দয়া ও স্নেহের ছাপ কখনো মুছে যাবে না।” পোস্টে শিক্ষকের মৃত্যুর জন্য গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে।

থাইল্যান্ডে বন্দুকের মালিকানা, আইনগত হোক বা অবৈধ, ব্যাপকভাবে প্রচলিত, ফলে গুলিবর্ষণের ঘটনা তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। দেশের নিরাপত্তা সংস্থা গুলিবর্ষণকে একটি গুরুতর সামাজিক সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

গত কয়েক বছরে থাইল্যান্ডে বেশ কয়েকটি মারাত্মক গুলিবর্ষণ ঘটেছে। ২০২২ সালে ব্যাংককে একটি খাবার বাজারে গুলিবর্ষণে পাঁচজনের মৃত্যু হয়। ২০২৩ সালে ব্যাংককের একটি বিলাসবহুল শপিং মলে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর দুইজনকে গুলি করে মেরে ফেলেছে এবং পাঁচজনকে আহত করেছে। ২০২১ সালে উত্তর-পূর্ব থাইল্যান্ডের একটি কিন্ডারগার্টেনে প্রাক্তন পুলিশ কর্মকর্তা ৩৬ জন, অধিকাংশই শিশু, গুলি করে মেরে ফেলেছিলেন, যা দেশের অন্যতম বৃহত্তম গুলিবর্ষণ হিসেবে রেকর্ডে রয়েছে।

স্থানীয় পুলিশ গুলিবর্ষণের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং অপরাধীর বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে। বর্তমানে সন্দেহভাজনকে অপরাধমূলক দায়ের জন্য প্রসিকিউটরের কাছে হস্তান্তর করা হবে, এবং আদালতে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্বিবেচনা করার কথা জানিয়েছে।

এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সকল পরিবার ও শিক্ষার্থীর প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে, সংবাদমাধ্যমে সংবেদনশীল তথ্যের প্রকাশে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। গুলিবর্ষণের শিকারদের গোপনীয়তা রক্ষা করা এবং তাদের পরিবারকে অতিরিক্ত কষ্ট থেকে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments