17 C
Dhaka
Thursday, February 12, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধফেনী-১ আসনে জোরপূর্বক প্রবেশের অভিযোগে ১৬ জন বিএনপি-জামাত কর্মী গ্রেপ্তার

ফেনী-১ আসনে জোরপূর্বক প্রবেশের অভিযোগে ১৬ জন বিএনপি-জামাত কর্মী গ্রেপ্তার

ফেনী জেলার চাগলনাইয়া উপজেলায় ১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা প্রায় সাতটায় একটি ভোটকেন্দ্রে জোরপূর্বক প্রবেশের অভিযোগে বিএনপি ও জামাতের মোট ষোলো নেতা‑কর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ঘটনাস্থল ছিল দক্ষিণ সতর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, যেখানে নির্বাচনী কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছিল।

সেই সময়ে কেন্দ্রের নিরাপত্তা রক্ষাকারী কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন, তবে দলীয় কর্মীরা বাধা না দিয়ে প্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে যায়। উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা অবিলম্বে তাদের আটক করে এবং স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে হস্তান্তর করে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে বিএনপির সাতজন এবং জামাতের নয়জন নেতা‑কর্মী, যাঁদের ওপর ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী কোডের লঙ্ঘনের ভিত্তিতে জরিমানা আরোপ করা হয়েছে।

সন্ধ্যাবেলায় ঘটনাটি নিশ্চিত করেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সৈয়দ ফারহানা পৃথা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, যাঁরা পরে স্থানীয় আদালতের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করেন। এরপর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শহীদ উল্লাহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ষোলোজনের মধ্যে থেকে তেরজনকে প্রত্যেককে তিন হাজার টাকার জরিমানা আরোপ করা হয়, যা মোট তেইশ হাজার টাকার সমান। বাকি তিনজনকে মুচলেকা (অবৈধ অর্থ) গ্রহণের পর মুক্তি দেওয়া হয়।

প্রতিবন্ধকতা দূর করার জন্য কেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করা হয়েছে। অতিরিক্ত গার্ড এবং পর্যবেক্ষণ ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে অনধিকার প্রবেশ রোধ করা যায়।

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে; তারা স্থানীয় আদালতে উপস্থিত হবে এবং জরিমানা সংক্রান্ত রায়ের আপিলের সুযোগ থাকবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উল্লেখ করেছে যে, নির্বাচনী কোডের লঙ্ঘন গুরুতর অপরাধ এবং এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নির্বাচনী কমিশনের নির্দেশিকা অনুসারে, ভোটকেন্দ্রে অনধিকার প্রবেশের জন্য শাস্তি নির্ধারিত আছে এবং তা প্রয়োগ করা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী, জরিমানা ছাড়াও অপরাধীকে শাস্তি হিসেবে কারাদণ্ডের সম্ভাবনা রয়েছে, তবে বর্তমানে জরিমানা আরোপই প্রধান শাস্তি হিসেবে কার্যকর হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন এই ঘটনার পর ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করেছে এবং অতিরিক্ত প্রশিক্ষণ সেশন চালু করেছে। নিরাপত্তা কর্মীদের সতর্কতা বাড়াতে বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে অনুরূপ লঙ্ঘন রোধ করা যায়।

এই ঘটনা নির্বাচনী সময়কালে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে, তবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। সকল পক্ষকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

অধিক তথ্যের জন্য স্থানীয় আদালত এবং নির্বাচনী কমিশনের পরবর্তী বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করা হবে। ঘটনাটির আইনি দিক এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে আপডেট সময়ে সময়ে প্রকাশ করা হবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments