18 C
Dhaka
Thursday, February 12, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবডি ওর্ন ক্যামেরা স্থাপনে জামায়াত-এ-ইসলামি সমতা না থাকায় অভিযোগ

বডি ওর্ন ক্যামেরা স্থাপনে জামায়াত-এ-ইসলামি সমতা না থাকায় অভিযোগ

জামায়াত-এ-ইসলামি বডি ওর্ন ক্যামেরার সংখ্যা কিছু নির্বাচনী এলাকায় বেশি, অন্যগুলোতে কম থাকায় বৈষম্য হয়েছে বলে অভিযোগ জানায়। অভিযোগের ভিত্তি হল, ক্যামেরা বসানোর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট দলকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে দলটি দাবি করে।

১১ ফেব্রুয়ারি বুধবার, রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে জামায়াত-এ-ইসলামির ১১ দলীয় জোটের নেতারা বৈঠক করেন। এই বৈঠকে দলীয় নেতারা ক্যামেরা বিতরণে সমতা না থাকায় সংশ্লিষ্ট পদক্ষেপের পুনঃপর্যালোচনা চেয়েছেন।

বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় জামায়াত-এ-ইসলামির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের উল্লেখ করেন, বডি ওর্ন ক্যামেরা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে নির্বাচন কমিশন পুলিশের রিপোর্টের ওপর নির্ভর করেছে। তবে দলটি এই রিপোর্টের ক্রস‑চেকের দাবি তুলে নিয়েছে।

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ক্যামেরা স্থাপনের ক্ষেত্রে কোনো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা কাকতালীয় সিদ্ধান্ত হয়েছে কিনা তা নির্ধারণের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ক্যামেরা বসানোর প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা না থাকলে তা নির্বাচন প্রক্রিয়ার ন্যায়বিচারকে ক্ষুণ্ন করতে পারে।

দলটি উল্লেখ করে, ভোটকেন্দ্রের ভিতরে ও বাইরে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য বহুবার আবেদন করা সত্ত্বেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ক্যামেরা সংখ্যা বাড়ানোর দাবি এখনো পূরণ হয়নি।

এছাড়াও, জামায়াত-এ-ইসলামির কিছু নেতা ও কর্মীদের ওপর হামলা, নির্বাচনী বুথ ভাঙচুরের অভিযোগও এ সময় উত্থাপিত হয়। দলটি দাবি করে, এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্বরান্বিত বাস্তবায়ন প্রয়োজন।

বিমানবন্দরে এক নেতার আটক সংক্রান্ত ঘটনায় দলটি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, ঢাকা বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনাল পার হওয়ার সময় কর্মকর্তারা নেতার ব্যাগ পরীক্ষা করেন, তবে কোনো অবৈধ সামগ্রী পাওয়া যায়নি।

নগদ অর্থ বহনের বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ব্যাংক বন্ধ থাকায় ব্যবসায়িক প্রয়োজনের জন্য নগদ বহন স্বাভাবিক এবং এতে কোনো আইনি লঙ্ঘন ঘটেনি। এই ব্যাখ্যা দলীয় নেতার নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযোগকে সমর্থন করে।

সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর, দলীয় নেতার সঙ্গে কিছু নির্দিষ্ট সাংবাদিককে ডেকে এনে একটি নাটকীয় দৃশ্য তৈরি করার অভিযোগও উঠে। এহসানুল মাহবুব জুবায়ের উল্লেখ করেন, এই ঘটনার জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার পূর্বে কুখ্যাতি রয়েছে।

পূর্বে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনৈতিক আচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে বলে দলটি জানায়। এই প্রেক্ষাপটে, অসুস্থ অবস্থায় থাকা নেতা নাজেহাল করে পরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বৈঠকে দলটি কুমিল্লা‑৪ আসনের একটি বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু বিষয়ও তুলে ধরে, তবে বিস্তারিত আলোচনা না করে নিরাপত্তা ও ক্যামেরা সংক্রান্ত মূল দাবিগুলোর ওপর জোর দেয়া হয়।

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের শেষ কথা দিয়ে বলেন, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হল সকল ভোটকেন্দ্রে সমান নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ক্যামেরা স্থাপনের ক্ষেত্রে কোনো পক্ষপাত না রাখা। তিনি দলীয় নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান জানান।

বডি ওর্ন ক্যামেরা ও সিসিটিভি ব্যবস্থা নিয়ে জামায়াত-এ-ইসলামির দাবি, নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর নজর রাখবে। নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই বিষয়গুলো পুনরায় পর্যালোচনা করা হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments