20 C
Dhaka
Wednesday, February 11, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিআওয়ামী লীগ না অংশগ্রহণে ভোটার উপস্থিতি কমবে না, ইসি জানান

আওয়ামী লীগ না অংশগ্রহণে ভোটার উপস্থিতি কমবে না, ইসি জানান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন, নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ঢাকা শহরের একটি হোটেলে বিদেশি পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের জন্য ব্রিফিং পরিচালনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনে অংশ নিতে না পারলেও তাদের জোটের অন্যান্য দলগুলো প্রার্থী দাখিল করেছে, ফলে ভোটার উপস্থিতিতে কোনো হ্রাসের সম্ভাবনা নেই।

ব্রিফিংয়ের সময় নির্বাচনের ফলাফল গণনা ও ঘোষণার সময়সূচি জানানো হয়। সানাউল্লাহ জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরের দিন, অর্থাৎ শুক্রবার সকাল থেকে সারা দেশের ফলাফল সংগ্রহ করে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। এই সময়সূচি পূর্বে ঘোষিত সময়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

বহু বিদেশি সাংবাদিক নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তারা জিজ্ঞাসা করেন, একটি প্রধান রাজনৈতিক দলের অনুপস্থিতি ভোটারদের অংশগ্রহণে কী প্রভাব ফেলবে এবং নির্বাচনের বৈধতা কীভাবে নিশ্চিত হবে। সানাউল্লাহ এই প্রশ্নের উত্তর দেন, দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবেশকে বিবেচনা না করে এই বিষয়টি মূল্যায়ন করা যায় না।

তিনি উল্লেখ করেন, গত দেড় দশকে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ঘাটতির মধ্যে ছিল এবং এখন রূপান্তর প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় যারা পূর্বে গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল, তারা এখন আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি। তাই কিছু সত্তা নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না, তবে তা ভোটার উপস্থিতিকে প্রভাবিত করবে না।

ব্রিফিংয়ে অতিরিক্তভাবে বলা হয়, জুলাই-আগস্ট ২০২৪-এ ঘটিত ঘটনাগুলোকে ভুলে যাওয়া যাবে না। এই ঘটনাগুলো নির্বাচনী প্রেক্ষাপটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং বর্তমান পরিস্থিতি বুঝতে এদের বিবেচনা অপরিহার্য। সানাউল্লাহ জোর দিয়ে বলেন, এই প্রেক্ষাপটকে উপেক্ষা করলে নির্বাচনের ফলাফল ও বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

বহু সাংবাদিক জিজ্ঞাসা করেন, নির্বাচন কমিশন কি কোনো নিষেধাজ্ঞা সমর্থন করছে কিনা। সানাউল্লাহ উত্তর দেন, তিনি কোনো নিষেধাজ্ঞা সমর্থন করছেন না, বরং তিনি একটি নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটের কথা উল্লেখ করছেন, যেখানে আইনগত বাধ্যবাধকতা ও নিরাপত্তা বিষয়ক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ভোটার উপস্থিতি কমবে না এবং ফলাফল আগামীকাল স্পষ্ট হবে। এই মন্তব্যের পরে উপস্থিতি ও ভোটার প্রবাহের ওপর নজরদারি বাড়িয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে, যাতে কোনো অনিয়ম দ্রুত সনাক্ত করা যায়।

ব্রিফিং শেষে, নির্বাচন কমিশনের কর্মীরা বিদেশি পর্যবেক্ষক ও মিডিয়ার প্রতিনিধিদের হোটেল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্ব পুনরায় জোর দেন। তারা জানান, পর্যবেক্ষক দলগুলোকে নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়ায় স্বতন্ত্রভাবে পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ দেওয়া হবে।

এই ঘটনায়, নির্বাচন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য হল নির্বাচনের স্বচ্ছতা, সুষ্ঠু পরিচালনা ও ফলাফলের স্বীকৃতি নিশ্চিত করা। সানাউল্লাহের বক্তব্য অনুসারে, আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতি ভোটার উপস্থিতি হ্রাসের কারণ হবে না, কারণ জোটের অন্যান্য দলগুলো সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে।

অবশেষে, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ভোটার উপস্থিতি ও ফলাফলের ভিত্তিতে দেশের রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা করবেন। বর্তমান পরিস্থিতি ও কমিশনের মন্তব্য ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গঠনে প্রভাব ফেলবে, বিশেষ করে জোটের গঠন ও বিরোধী দলের অবস্থান নির্ধারণে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments