মিলান‑কোর্টিনা শীত অলিম্পিকের আইস ড্যান্স রিদম ড্যান্সে লিলাহ ফিয়ার ও লুইস গিবসন চতুর্থ স্থান অর্জন করে। ১৯৯৪ সালে জেইন টরভিল ও ক্রিস্টোফার ডিনের পর প্রথম ব্রিটিশ দম্পতি হিসেবে অলিম্পিক পদক জয়ের লক্ষ্য তাদের রয়েছে।
প্রাক্তন অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন রবিন কাউসিন্স উল্লেখ করেছেন, তাদের পারফরম্যান্স নিখুঁত হতে হবে। এই মন্তব্যটি রিদম ড্যান্সের পর বিশ্লেষণে দেওয়া হয়।
দম্পতি স্পাইস গার্লসের মিশ্রণ ব্যবহার করে তাদের রিদম ড্যান্স উপস্থাপন করে, তবে তিন দিন আগে দলীয় ইভেন্টে অর্জিত সিজন‑বেস্ট স্কোরের তুলনায় কম পয়েন্ট পায়।
ফিয়ার, ২৬ বছর বয়সী, এক মুহূর্তে সামান্য ভারসাম্য হারায়, তবে দ্রুত পুনরুদ্ধার করে এবং পয়েন্টে বড় ক্ষতি না করে। গিবসনও সমানভাবে দৃঢ় অবস্থান বজায় রাখে।
তাদের মোট স্কোর ৮৪.৫৭ পয়েন্ট, যা তৃতীয় স্থানে থাকা কানাডিয়ান জুটি পাইপার গিলেস ও পল পয়ারিয়ের থেকে ০.৭১ পয়েন্ট কম। এই পার্থক্যটি বুধবারের ফ্রি ড্যান্সে ফলাফল নির্ধারণ করবে।
ফ্রি ড্যান্সে পয়েন্টের পার্থক্য সরাসরি পদক বিতরণে প্রভাব ফেলবে। দম্পতির জন্য এখনো ব্রোঞ্জের সুযোগ রয়েছে, তবে সোনার ও রৌপ্যের জন্য বড় ফাঁক রয়েছে।
ফ্রান্সের লরেন্স ফৌরিয়ের বড্রি ও গিলোমে সিজেরন ৯০.১৮ পয়েন্টে শীর্ষে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাডিসন চক ও ইভান বেটস ৮৯.৭২ পয়েন্টে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।
এই স্কোরের ভিত্তিতে সোনার ও রৌপ্যের পদক অর্জন কঠিন বলে মনে হচ্ছে, তবে তৃতীয় স্থান এখনও দম্পতির নাগালে।
ফিয়ার ও গিবসনকে “ডিস্কো ব্রিটস” বলে সমর্থকরা প্রশংসা করে, যা শেফিল্ডের ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপে স্পষ্টভাবে দেখা গিয়েছিল। ভক্তরা আয়নায় কাট‑আউট দিয়ে তাদের ছবি তোলার সুযোগ পেয়েছিলেন।
তাদের স্পাইস গার্লস‑থিমযুক্ত রুটিনের জন্য ব্যান্ডের অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে প্রশংসা জানানো হয়। এই সামাজিক মিডিয়া প্রতিক্রিয়া দম্পতির জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে তুলেছে।
২০১২ সালে শেফিল্ডে অনুষ্ঠিত ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপে ফিয়ার ফুল গার্ল হিসেবে অংশগ্রহণ করেছিলেন, যা এখনো স্মরণীয়। এই ঐতিহাসিক সংযোগ দম্পতির জন্য অতিরিক্ত উত্সাহের উৎস।
অবশেষে, আইস ড্যান্সের প্রতিযোগিতা অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক, এবং কোনো ছোট ভুলই পদক জয়ের সম্ভাবনা কমিয়ে দিতে পারে। তাই ফিয়ার ও গিবসনের জন্য নিখুঁত পারফরম্যান্সই একমাত্র সঠিক পথ।



