আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল ও দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের মধ্যে চলমান টি-২০ ম্যাচে, আফগানিস্তান ১৩ ওভারে ১২১ রান ছয়টি উইকেটের সঙ্গে শেষ করেছে, লক্ষ্য স্কোরের থেকে এখনও পিছিয়ে। গুরবাজের আক্রমণাত্মক পারফরম্যান্সের পরেও তার দ্রুত আউট হওয়া দলকে কঠিন অবস্থায় ফেলেছে।
গুরবাজ ৭টি ছক্কা ও ৪টি চারে ৪২ রান করে ৮৪ রানে আউট হয়। তার আউট হওয়ার মুহূর্তে জর্জ লিন্ডে একটি চমৎকার ডাইভ ক্যাচ নেন, যার ফলে গুরবাজ ক্রিজে বসে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে গিয়ে গেল। গুরবাজের এই প্রস্থান আফগানিস্তানের জন্য বড় ধাক্কা, কারণ তিনি ইতিমধ্যে ৭টি ছক্কা দিয়ে দ্রুত রানের গতি বাড়িয়ে দিয়েছিলেন।
গুরবাজের আউটের ঠিক পরেই দারউইশ রাসুলি (১৫) আরেকটি বলেই আউট হয়ে যায়, ফলে আফগানিস্তানের উইকেটের সংখ্যা দ্রুত বাড়ে। গুরবাজের পরের ব্যাটসম্যান আজমতউল্লাহ ওমরজাই এবং মোহাম্মদ নবী ক্রিজে বসে, এবং তাদের সামনে ৬৭ রান বাকি থাকে, পাঁচটি উইকেটের সঙ্গে।
দশ ওভারের শেষে আফগানিস্তানের স্কোর ৯৩/৩, যার ফলে শেষ দশ ওভারে ৯৫ রান সংগ্রহের চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। গুরবাজের পূর্বে ৩৩ রান ৬৩ বলে এবং দারউইশের ১২ রান ৯ বলে অব্যাহত থাকা অবস্থায়, দলটি দ্রুত রেট বাড়াতে চাচ্ছে।
নবই ওভার পর্যন্ত আফগানিস্তান ৮৪/৩ স্কোরে পৌঁছায়। গুরবাজের ৫৬ রান এবং দারউইশের ৭ রান অব্যাহত থাকায়, দলটি শক্তিশালী শুরুর পরেও দ্রুত তিনটি উইকেট হারায়। গুরবাজের অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলেই জর্জ লিন্ডের ওপর ছক্কা মারেন, ফলে তার স্কোর ২৬ হয়ে ১৩ তম টি-২০ ফিফটি সম্পন্ন হয়।
সাত ওভারে আফগানিস্তান ৬৪/৩ স্কোরে দাঁড়িয়ে থাকে, যখন দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের প্রথম ছয় ওভারে ১ উইকেটের সঙ্গে ৪৩ রান সংগ্রহ করে। আফগানিস্তান ছয় ওভারের শেষে ৫৬/৩ এবং চার ওভারের শেষে ৫০/০ স্কোরে পৌঁছায়। গুরবাজের ৪১ রান এবং দারউইশের ৪ রান অব্যাহত থাকায়, দলটি শুরুর ভাল গতি বজায় রাখে।
ষষ্ঠ ওভারে কাগিসো রাবাদার দ্বিতীয় বলের পরে সেদিকুল্লাহ আতাল মারকো ইয়ানসেনের ক্যাচে তিনটি রান না করে ফিরে যান। এরপরের সাতটি বলের মধ্যে তিনটি উইকেট হারিয়ে আফগানিস্তান চাপের মুখে পড়ে। পাঁচ দশমিক দুই ওভারে স্কোর ৫২/৩, পানির বিরতির সময় নতুন ব্যাটসম্যান দারউইশ রাসুলি ক্রিজে প্রবেশ করে, গুরবাজ ১৭ রান ৩৪ বলে অব্যাহত থাকে।
পাঁচ ওভারে আফগানিস্তান ৫১/২ স্কোরে থাকে, দ্রুত রান তোলার সুযোগ কমে যায়। জর্জ লিন্ডে চতুর্থ ওভারে শট ছেড়ে একটি ছক্কা মারেন এবং এক বল আগে একটি চারও করেন। পঞ্চম ওভারের দ্বিতীয় বলেই জাদরানকে (১০ বলে ১২) প্রোটিয়া পেসার এনগিডি বোল্ড করেন, এরপর গুলবদিন নাইবকে শূন্যে আউট করেন।
এই সময়ে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) নিলামও শুরু হয়েছে, যা ক্রিকেট প্রেমীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। তবে মাঠে গড়ে তোলা উত্তেজনা এখনও অব্যাহত, এবং আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলকে শেষ দশ ওভারে ৯৫ রান সংগ্রহের জন্য দ্রুত রেট বাড়াতে হবে।
মোহাম্মদ নবী এবং আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের পারফরম্যান্স এখনো অজানা, তবে তাদের ওপর নির্ভর করে আফগানিস্তান শেষ পর্যন্ত লক্ষ্য স্কোরে পৌঁছাতে পারবে কি না। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলও এখনও আক্রমণাত্মক বলিং দিয়ে চাপ বজায় রাখছে, ফলে ম্যাচের ফলাফল এখনও অনিশ্চিত।
দুই দলের মধ্যে এই টি-২০ লড়াইয়ের শেষ পর্যায়ে, উভয় পক্ষের কৌশল এবং শীর্ষ খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সই নির্ধারণ করবে কে বিজয়ী হবে।



