29 C
Dhaka
Wednesday, February 11, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিঢাকায় ১৩টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের জন্য স্ট্রাইকিং ফোর্স ও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

ঢাকায় ১৩টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের জন্য স্ট্রাইকিং ফোর্স ও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বুধবার দুপুরে সেগুনবাগিচা অফিসে নির্বাচনের নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পর্কে জানালেন। তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা মহানগরীর মোট পনেরোটি আসনের মধ্যে তেরটি আসনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এসব কেন্দ্রের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা দল গঠন করা হয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত তেরটি আসনের মধ্যে ১,৪০০টির বেশি ভোটকেন্দ্রকে স্ট্রাইকিং ফোর্সের তত্ত্বাবধানে রাখা হবে। এই ফোর্সগুলোকে সাধারণ ভোটকেন্দ্রের তুলনায় অধিক সতর্কতা ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। কমিশনারের মতে, নিরাপত্তা বাহিনীর মূল্যায়ন অনুযায়ী এই কেন্দ্রগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে ডেপ্লয়মেন্ট করা হয়েছে।

ভোটের প্রস্তুতি হিসেবে সকাল থেকে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটদানের সামগ্রী বিতরণ শুরু হয়েছে। কমিশনার জানান, আজকের মধ্যে সব প্রিজাইডিং অফিসাররা তাদের নির্ধারিত কেন্দ্রের মধ্যে সামগ্রী পৌঁছে দিতে সক্ষম হবে। সামগ্রী পৌঁছানোর পর অফিসাররা নিজস্ব প্রস্তুতি সম্পন্ন করবেন এবং কমিশনারের দিক থেকে নির্ধারিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ করা হবে।

নিরাপত্তা তদারকি ও আইনি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মোট ৮০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি আসনে দুইজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটির অধীনে কাজ করার জন্য নির্ধারিত করা হয়েছে। এসব ম্যাজিস্ট্রেটকে বিশেষ তালিকা প্রদান করা হয়েছে যাতে তারা নির্দিষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের ওপর নজরদারি বজায় রাখতে পারেন।

প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে স্ট্রাইকিং ফোর্সের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। কমিশনারের মতে, প্রায় ৮০ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সর্বদা দায়িত্বে থাকবে এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা তাদের কাজের সময়সূচি অনুযায়ী কেন্দ্রে উপস্থিত থাকবেন। এই ব্যবস্থা ভোটের সময় কোনো অনিয়ম বা অশান্তি ঘটলে দ্রুত হস্তক্ষেপের সুযোগ দেবে।

ভোট গণনা করা হবে এমন কক্ষগুলোকে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সম্ভাবনা মোকাবিলায় বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে, যাতে অল্প সময়ের জন্যও কক্ষ অন্ধকার না হয় এবং গণনা প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত না হয়।

কমিশনার উল্লেখ করেন, নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বিত মূল্যায়ন ও তদারকি ব্যবস্থা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মূল ভিত্তি। স্ট্রাইকিং ফোর্স, এক্সিকিউটিভ ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বিত কাজের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সম্ভাব্য হুমকি কমিয়ে আনা হবে।

প্রস্তুতি পর্যায়ে নেওয়া এই পদক্ষেপগুলো নির্বাচনের পরবর্তী পর্যায়ে পর্যবেক্ষণ করা হবে। কমিশনারের মতে, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য গৃহীত এই ব্যবস্থা নির্বাচনের ফলাফল ও জনমত গঠনে প্রভাব ফেলবে না, বরং প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও আইনগততা বজায় রাখবে।

সর্বশেষে, কমিশনার জোর দিয়ে বলেন, নিরাপত্তা সংক্রান্ত সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং নির্বাচনের দিন পর্যন্ত তদারকি অব্যাহত থাকবে। তিনি আশ্বাস দেন, ভোটার ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা কার্যকর রাখা হবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments