25 C
Dhaka
Wednesday, February 11, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাসপ্তাহান্তে নির্দিষ্ট ব্যাংক শাখা-উপশাখা সীমিতভাবে খোলা থাকবে

সপ্তাহান্তে নির্দিষ্ট ব্যাংক শাখা-উপশাখা সীমিতভাবে খোলা থাকবে

বাংলাদেশ ব্যাংক নির্বাচনের পরপরই শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, জ্বালানি তেল ডিলারদের লেনদেন সহজ করার জন্য কিছু শাখা ও উপশাখা সীমিত সময়ের জন্য কার্যকর রাখার নির্দেশ জারি করেছে। এই ব্যবস্থা দেশের জ্বালানি সরবরাহের ধারাবাহিকতা রক্ষার পাশাপাশি ডিলারদের নগদ প্রবাহে বাধা না আসার লক্ষ্য রাখে।

সিদ্ধান্তের পেছনে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুলের আবেদন ছিল। মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএমএডি) সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে পূর্বালী ব্যাংক পিএলসির নিম্নলিখিত শাখা ও উপশাখা ১৪ ফেব্রুয়ারি সীমিত সময়ের জন্য খোলা থাকবে: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা, খুলনার খালিশপুর, দিনাজপুরের পার্বতীপুর, রংপুরের শাপলা চত্বর, চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ, চাঁদপুরের প্রধান, ঝালকাঠি, বরিশাল, কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজার এবং সিলেটের বড়ই কান্দি শাখা।

উত্তরা ব্যাংক পিএলসির খুলনার খালিশপুর শাখা, জনতা ব্যাংক পিএলসির সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি ঘাট শাখা, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির একই বাঘাবাড়ি ঘাট শাখা এবং ওয়ান ব্যাংক পিএলসির দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপশাখা এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। এই শাখাগুলো নির্বাচনের সময়কালে নগদ লেনদেনের প্রয়োজন মেটাতে বিশেষভাবে নির্বাচিত হয়েছে।

এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছিল যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের কারণে বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি এবং বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তদুপরি, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি এবং শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় চার দিন ধারাবাহিকভাবে ব্যাংক বন্ধ থাকার পরিকল্পনা ছিল।

সীমিত শাখা খোলার সিদ্ধান্ত জ্বালানি তেল ডিলারদের নগদ প্রবাহে সৃষ্ট সম্ভাব্য ঘাটতি রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ডিলাররা লেনদেনের সময় নগদ সংগ্রহে বাধা না পেয়ে সরবরাহ শৃঙ্খল বজায় রাখতে পারবে, ফলে পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি ঘাটতি বা দেরি কমে যাবে।

ব্যাংকিং সেক্টরের দৃষ্টিকোণ থেকে, এই ব্যবস্থা অস্থায়ীভাবে তরলতা বজায় রাখে এবং অপ্রয়োজনীয় নগদ উত্তোলনের চাহিদা কমায়। শাখা-উপশাখা সীমিত সময়ে খোলা থাকায় গ্রাহকদের দীর্ঘমেয়াদী অপেক্ষা কমে এবং সিস্টেমের চাপ হ্রাস পায়। একই সঙ্গে, ব্যাংকগুলোকে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও কর্মী ব্যয় কমিয়ে সামগ্রিক অপারেশনাল খরচ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

নির্বাচনকালীন আর্থিক বাজারে অস্থিরতা দেখা দিলে, এই ধরনের লক্ষ্যভিত্তিক শাখা খোলার নীতি ঝুঁকি হ্রাসে কার্যকর প্রমাণিত হতে পারে। ডিলার ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো নগদ প্রবাহের ঘাটতি থেকে রক্ষা পাবে, ফলে অর্থনৈতিক কার্যকলাপের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

সংক্ষেপে, নির্বাচনের পরপরই নির্দিষ্ট শাখা-উপশাখা সীমিত সময়ে খোলা রাখা জ্বালানি সরবরাহের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যাংকিং সিস্টেমের স্থিতিশীলতা বজায় রাখে। ভবিষ্যতে যদি নির্বাচনী প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয়, তবে অতিরিক্ত শাখা খোলার সম্ভাবনা বিবেচনা করা হতে পারে, যা আর্থিক প্রবাহের স্থিতিশীলতা আরও শক্তিশালী করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments