18 C
Dhaka
Wednesday, February 11, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলারায়ান ও আদলি গড়ে তুললেন বোর্নমাউথের ১০-মানের এভারটনের বিরুদ্ধে জয়

রায়ান ও আদলি গড়ে তুললেন বোর্নমাউথের ১০-মানের এভারটনের বিরুদ্ধে জয়

হিল ডিকিনসন স্টেডিয়ামে ১০-মানের এভারটনের মুখোমুখি হয়ে বোর্নমাউথ শেষ মুহূর্তে রায়ান ও আদলির দু’গোলের সাহায্যে ২-১ জয় নিশ্চিত করেছে। ম্যাচটি ১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় এবং এভারটনের ইউরোপীয় কোয়ালিফিকেশন প্রচেষ্টার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তবে শেষ পর্যন্ত তারা হোম গ্রাউন্ডে জয় না পেয়ে ফিরে গেল।

দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম আট মিনিটে রায়ান এবং আদলি প্রত্যেকেই হেডার দিয়ে গোল করেন, যা বোর্নমাউথকে ১-০ এবং পরে ২-১ নেতৃত্বে নিয়ে যায়। একই সময়ে এভারটনের ডিফেন্ডার জেক ও’ব্রায়েনের সরাসরি লাল কার্ডের ফলে দলটি দশজন খেলোয়াড়ে রয়ে যায়, ফলে আক্রমণাত্মক চাপ কমে যায়।

এই জয়টি বোর্নমাউথের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তারা ৬ ডিসেম্বরের পর থেকে হোম মাঠে কোনো জয় পায়নি। এভারটন যদিও সাম্প্রতিক আটটি দূরবর্তী ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে, তবে ঘরের মাঠে শেষ নয়টি ম্যাচে মাত্র আট পয়েন্টই অর্জন করতে পেরেছে, যা তাদের ইউরোপীয় স্বপ্নকে হোম গ্রাউন্ডে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

ইংল্যান্ডের আন্ডার-২১ আন্তর্জাতিক টায়রিক জর্জ, যিনি ডেডলাইন ডে-তে চেলসির থেকে এভারটনে লোনে এসেছিলেন, তার পূর্ণ ডেবিউ এই ম্যাচে দেখা যায়। তিনি ময়েসের আক্রমণে বাম পাশে খেলেছেন, যা জ্যাক গ্রিলিশের সিজন শেষের পা আঘাতের পর শূন্যস্থান পূরণ করে। জর্জের কিছু তীক্ষ্ণ চালনা এবং কিছু রুস্টি মুহূর্ত দেখা যায়, তবে প্রথম স্টার্ট হওয়ায় তার পারফরম্যান্সে কিছুটা অনিশ্চয়তা দেখা যায়।

প্রথমার্ধে এভারটনের আক্রমণ সীমিত ছিল। ইলিমান ন্দিয়ায়ের গোলটি অফসাইডে ধরা পড়ে, কারণ তিনি ইদ্রিসা গেয়ের ভলির আগে লাইন পেরিয়ে গিয়েছিলেন। এদিকে বোর্নমাউথের গেম প্ল্যান ছিল নিয়ন্ত্রণমূলক ও সংযত, তবে তারা তেমন হুমকি তৈরি করতে পারেনি। গার্নারের ৩০ মিটার দূরত্বের ফ্রি-কিকটি পেট্রোভিচের ভুলে গিয়ে থিয়ের্নো ব্যারির পথে পৌঁছায়; ব্যারি শূন্য-দূরত্বে শট মারলেও তা চওড়া হয়ে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধে গার্নার এবং ডিউসবুরি-হলের বিকল্পের অভাবে এভারটনের আক্রমণ ধীর হয়ে যায়, ফলে বোর্নমাউথের রায়ান ও আদলির হেডারগুলো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। রায়ানের প্রথম গোলটি গার্নারের লম্বা ফ্রি-কিকের রিবাউন্ডে ঘটেছে, যেখানে তিনি উচ্চতা ব্যবহার করে বলকে জালে পাঠিয়ে স্কোর বাড়িয়ে দেন। আদলির গোলটি একই সময়ে গার্নারের পাসের পরে রেডিয়াল দিক থেকে হেডার দিয়ে সম্পন্ন হয়।

ম্যাচের শেষ পর্যায়ে এভারটন কিছুটা চাপ বাড়াতে চাইলেও ডিফেন্সের গঠন শক্তিশালী ছিল, ফলে অতিরিক্ত গোলের সুযোগ কমে যায়। শেষ পর্যন্ত বোর্নমাউথের এই জয়টি তাদের হোম রেকর্ড ভাঙতে এবং এভারটনের ইউরোপীয় স্বপ্নকে হোম গ্রাউন্ডে বাধা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এখন উভয় দলই তাদের পরবর্তী লিগ ম্যাচের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে এভারটন হোমে আবার পয়েন্ট সংগ্রহের চেষ্টা করবে এবং বোর্নমাউথ এই জয়কে ভিত্তি করে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চায়।

৮৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: The Guardian – Football
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments