22 C
Dhaka
Tuesday, February 10, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯০% কেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা ও বিশাল নিরাপত্তা মোতায়েন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯০% কেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা ও বিশাল নিরাপত্তা মোতায়েন

ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের ভবনে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দেশের ২৯৯টি আসনের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ৯০ শতাংশের বেশি কেন্দ্রেই এখন নজরদারির জন্য ক্যামেরা বসানো হয়েছে, যদিও সুনির্দিষ্ট সংখ্যা এখনও প্রকাশিত হয়নি এবং বুধবার তা জানানো হবে।

এই নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারা দেশে মোট ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য বিভিন্ন বাহিনীর মোতায়েন করা হয়েছে। তদুপরি, ২,৯৯৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৬৫৭ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সহায়তা করার জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত। ইসি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ সরকার এত বড় পরিমাণে ফোর্স ও ক্যাপাসিটি কখনোই একসাথে ব্যবহার করেনি, ফলে নির্বাচনের সময় কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটলেও তা মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, সিসি ক্যামেরা ছাড়াও ড্রোন ও বডি-ওর্ন ক্যামেরার ব্যবহার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ ধরনের প্রযুক্তি বিশেষ করে ৪২ হাজারের বেশি ভোটকেন্দ্রের জন্য প্রয়োগ করা হবে, যেখানে পূর্বে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেশি ছিল। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর জন্য ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ৭১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা ক্যামেরা ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম ক্রয়ের জন্য ব্যবহার করা হবে।

নির্বাচনের আগে ১৩ ডিসেম্বর থেকে আজ পর্যন্ত, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মোট ৮৫০টি অস্ত্র উদ্ধার করেছে। ইসি উল্লেখ করেন, এই অস্ত্রগুলোর একটি বড় অংশ সম্ভবত নির্বাচনের সময় অপব্যবহার করার উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল। তিনি আশ্বাস দেন, এসব অস্ত্রের যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কোনো হুমকি সৃষ্টি করবে না।

ত্রয়োদশ সংসদীয় নির্বাচন ও গণভোট আগামী বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। তবে এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ৩০০ আসনের মধ্যে একটি আসনে ভোট স্থগিত রাখা হয়েছে। ইসি জানান, ভোটের দিন প্রতিটি দুই ঘণ্টা পরপর নির্বাচনের সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে আপডেট প্রদান করা হবে, যাতে জনগণ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি সর্বশেষ তথ্য পেতে পারে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে উল্লেখিত এই সব ব্যবস্থা, সিসি ক্যামেরা, ড্রোন, বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং বিশাল নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বয়ে, নির্বাচন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নিরাপদ করার লক্ষ্য রাখে। ইসি সানাউল্লাহের মতে, এই ধরনের ব্যাপক প্রস্তুতি দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে প্রথমবারের মতো, যা ভোটারদের নিরাপত্তা ও নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।

নির্বাচনের ফলাফল ও প্রভাবের দিকে নজর রেখে, রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের প্রচারণা চালিয়ে যাবে। তবে নিরাপত্তা সংক্রান্ত এই নতুন প্রযুক্তি ও বৃহৎ ফোর্সের উপস্থিতি, ভোটারদের অংশগ্রহণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। ভবিষ্যতে, এই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা, দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার শক্তিশালীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments