22 C
Dhaka
Tuesday, February 10, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিব্যালট পেপার বুধবার সকালেই কেন্দ্রে পৌঁছাবে, ভোটের প্রস্তুতি শেষ

ব্যালট পেপার বুধবার সকালেই কেন্দ্রে পৌঁছাবে, ভোটের প্রস্তুতি শেষ

বুধবার সকাল থেকে ব্যালট পেপার কেন্দ্রীয় অফিসে পৌঁছাবে, এ ঘোষণা নির্বাচনী কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহের। তিনি মঙ্গলবার নির্বাচনী ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন, জেলা পর্যায়ে ইতোমধ্যে ব্যালট পেপার পৌঁছেছে এবং আগামীকাল সকালেই তা কেন্দ্রে পৌঁছাবে।

ইসি সানাউল্লাহের মতে, ভোটগ্রহণের কাজ বুধবার সকাল ৭:৩০ থেকে বিকাল ৪:৩০ পর্যন্ত চলবে। তিনি জানান, ব্যালট পেপার কেন্দ্রে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে ভোটদান শুরু হবে, ফলে কোনো দেরি হবে না। এই সময়সূচি পূর্বে ঘোষিত সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

প্রধান নির্বাচন ২৯৯টি আসনে অনুষ্ঠিত হবে। মোট প্রার্থী সংখ্যা ২,০২৮, যার মধ্যে ৮১জন নারী প্রার্থী। এই সংখ্যা পূর্ববর্তী নির্বাচনের তুলনায় নারীর অংশগ্রহণে সামান্য বৃদ্ধি নির্দেশ করে।

মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ, যা দেশের মোট ভোটার তালিকার প্রায় সমানুপাতিক। লিঙ্গ অনুপাতের দিক থেকে পুরুষ ও নারীর সংখ্যা প্রায় সমান, যা ভোটার অংশগ্রহণে লিঙ্গ সমতা বজায় রাখার ইঙ্গিত দেয়।

দেশীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে ৪৫,৩১৩ জন নিবন্ধিত হয়েছে, আর বিদেশি পর্যবেক্ষক হিসেবে ৩৫০ জন অনুমোদিত। এই পর্যবেক্ষকগণ নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত থাকবে।

বিদেশি সাংবাদিকের নিবন্ধন সংখ্যা ১৫৬, যারা নির্বাচনের বিভিন্ন দিকের রিপোর্টিং করবেন। তাদের উপস্থিতি আন্তর্জাতিক মিডিয়ার দৃষ্টিতে বাংলাদেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বাড়াবে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯,৫৮,০০০ সদস্য ভোটের দিন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোতায়েন করা হবে। তারা ভোটকেন্দ্র, গণপরিবহন এবং প্রধান রাস্তায় উপস্থিত থাকবে, যাতে কোনো অশান্তি বা হিংসাত্মক ঘটনা না ঘটে।

বিপক্ষের কিছু নেতা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের স্বাধীন কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে ফলাফলকে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য করা যায়।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, এই নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে। বিশেষ করে নারীর অংশগ্রহণের বৃদ্ধি এবং সমান ভোটার বণ্টন ভবিষ্যতে নীতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে।

ভোটের পর ফলাফল ঘোষণার প্রক্রিয়া দ্রুততর হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ইসি সানাউল্লাহের মতে, ব্যালট পেপার কেন্দ্রে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে গণনা কাজ শুরু হবে, ফলে ফলাফল দ্রুত প্রকাশিত হবে।

নির্বাচনের সফলতা নিশ্চিত করতে সকল সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও পর্যবেক্ষককে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। নিরাপদ ও স্বচ্ছ ভোটদান নিশ্চিত করা দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অগ্রগতির মূল চাবিকাঠি হবে।

এই নির্বাচন শেষে সরকারী নীতি, অর্থনৈতিক পরিকল্পনা এবং সামাজিক সংস্কারসহ বহু ক্ষেত্রের দিকনির্দেশনা পুনর্নির্ধারিত হবে, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments