22 C
Dhaka
Tuesday, February 10, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিনন্দীগ্রামে সজ্জিত সন্ত্রাসী দলের দ্বারা বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর রাতের হামলা ও সম্পত্তি...

নন্দীগ্রামে সজ্জিত সন্ত্রাসী দলের দ্বারা বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর রাতের হামলা ও সম্পত্তি ধ্বংস

গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন পর্যায়ে, বগুড়া-৪ আসনের নন্দীগ্রাম উপজেলার থালতামাঝ গ্রামে রাতের অন্ধকারে সজ্জিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বিএনপি নেতা-কর্মীদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়। আক্রমণে বহু নেতা-কর্মী গুরুতর আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং তাদের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকার হয়।

হামলার সময় গোষ্ঠীটি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করে, যা স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনীর নজরে আনা হয়েছে। আঘাতপ্রাপ্তদের মধ্যে কয়েকজনের গৃহস্থালির সম্পত্তি নষ্ট হওয়ায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে আতঙ্কের সঞ্চার ঘটেছে।

এছাড়া, কুমিল্লা-১১ চৌদ্দগ্রামে একই গোষ্ঠীর সন্ত্রাসীরা রাতের সময় আরেকটি আক্রমণ চালায়, যেখানে বিএনপি নেতা-কর্মীদের উপর একই রকমের হিংসা ও ধ্বংসাত্মক কাজ করা হয়। উভয় ঘটনার মধ্যে সাদৃশ্য রয়েছে, যা নির্বাচনী পরিবেশে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে।

বিএনপি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এই ঘটনাগুলোকে একত্রে উল্লেখ করে বলেন, সংশ্লিষ্ট দলটি দেশজুড়ে ভোট কেনার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য অর্থ সংগ্রহের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান।

ড. মাহদী আমিনের মতে, আক্রমণকারী গোষ্ঠী ভোটার আইডি, বিকাশ নম্বর, নগদ এবং রকেট নম্বরসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে, যা নির্বাচনী দুর্নীতির সরঞ্জাম হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই ধরনের তথ্য সংগ্রহের পেছনে অবৈধ উদ্দেশ্য লুকিয়ে আছে।

এছাড়া, গোষ্ঠীটি প্রচারাভিযানের সময় মানুষকে, এমনকি শিশুদেরকেও, অর্থ দিয়ে প্রলুব্ধ করার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। ড. মাহদী আমিন উল্লেখ করেন, ভোটের মাঠে দুর্নীতির মাধ্যমে টাকা ছড়িয়ে দেওয়া এবং দলীয় প্রধানের আসনসহ দেশব্যাপী ভোট কেনার প্রচেষ্টা করা হলে তা নৈতিকতার গুরুতর লঙ্ঘন।

এই পরিস্থিতিতে, ড. মাহদী আমিন স্থানীয় প্রশাসন, রিটার্নিং অফিসার এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভোটারদের স্বচ্ছতা রক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ত্বরিত পদক্ষেপ অপরিহার্য।

নির্বাচনী সময়ে এ ধরনের হিংসা ও ভয় দেখানো কার্যক্রমের ফলে রাজনৈতিক পরিবেশে অস্থিরতা বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশ্লেষকরা ইঙ্গিত করছেন, যদি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথ না হয়, তবে ভোটারদের অংশগ্রহণে অনিচ্ছা দেখা দিতে পারে এবং নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে।

ড. মাহদী আমিনের বক্তব্যের ভিত্তিতে, নির্বাচন কমিশনকে গোষ্ঠীর আর্থিক ও তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা তদন্ত করে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এছাড়া, গোষ্ঠীর সজ্জিত-চিহ্নিত সন্ত্রাসী সদস্যদের সনাক্তকরণ ও গ্রেফতার করার জন্য বিশেষ দিকনির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

বিএনপি নেতৃত্বের মতে, এই আক্রমণগুলো শুধুমাত্র তাদের কর্মীদের শারীরিক ক্ষতি নয়, বরং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারকেও হুমকির মুখে ফেলছে। তারা দাবি করছেন, নির্বাচনী সময়ে সকল রাজনৈতিক দলকে সমান নিরাপত্তা ও ন্যায়সঙ্গত প্রতিযোগিতার সুযোগ প্রদান করা উচিত।

অবশেষে, ড. মাহদী আমিনের আহ্বান অনুসারে, স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে, আক্রমণকারী গোষ্ঠীর কার্যক্রম দমন করতে এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচনী সময়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এই ধরনের পদক্ষেপের প্রভাব ভবিষ্যতে রাজনৈতিক পরিবেশকে স্থিতিশীল করতে সহায়ক হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments