22 C
Dhaka
Tuesday, February 10, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিপ্রেস সচিব শফিকুল আলমের সম্পদ ঘোষণায় কোনো পরিবর্তন না হওয়ার দাবি

প্রেস সচিব শফিকুল আলমের সম্পদ ঘোষণায় কোনো পরিবর্তন না হওয়ার দাবি

প্রেস সচিব শফিকুল আলম দেড় বছরের দায়িত্ব শেষের পথে নিজের সম্পদ ও আর্থিক অবস্থা পুনরায় প্রকাশ করেছেন। তিনি ফেসবুকের ভেরিফায়েড পেজে পোস্ট করে জানিয়েছেন, দায়িত্ব গ্রহণের সময় যে সম্পদের তালিকা জমা দিয়েছিলেন, তা আজ পর্যন্ত অপরিবর্তিত রয়ে গেছে।

শফিকুল আলমের মতে, গত বছরের জানুয়ারিতে তিনি সম্পদ ও আয়ের পূর্ণ বিবরণ দাখিল করেছিলেন। সেই ঘোষণায় তিনি ঢাকার শাহীনবাগে নিজের একটি ফ্ল্যাট, পিতার কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত যাত্রাবাড়ীর দনিয়ায় আরেকটি ফ্ল্যাট, ময়মনসিংহে নিজের নামে একটি অ্যাপার্টমেন্ট এবং স্ত্রীর নামে আরেকটি অ্যাপার্টমেন্ট উল্লেখ করেন। এছাড়া, গ্রামের বাড়ি মাগুরায় তার মালিকানায় ৪০ শতাংশ কৃষিজমি রয়েছে।

দায়িত্ব ছাড়ার মুহূর্তে তিনি পুনরায় নিশ্চিত করেন যে, সম্পদের কাঠামো অপরিবর্তিত। তিনি তিনটি ফ্ল্যাটের মালিক হিসেবে উল্লেখ করেন, তার স্ত্রী একটি ফ্ল্যাটের মালিক, এবং কৃষিজমির মালিকানায় কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। এই তথ্যগুলো তার পূর্বের ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বলে তিনি জোর দেন।

ব্যাংক হিসাবের বিষয়েও তিনি স্পষ্টতা বজায় রাখেন। শফিকুল আলমের নামে শুধুমাত্র একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের হিসাব রয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের সময় এই হিসাবের ব্যালেন্স ছিল এক কোটি চৌদ্দ লাখ টাকা। বর্তমান অবস্থায় ব্যালেন্স বেড়ে এক কোটি তেইশ লাখ টাকায় পৌঁছেছে।

বৃদ্ধি হওয়া নয় লাখ টাকার ব্যাখ্যা তিনি দেন যে, এর মধ্যে সাত লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা তার শ্যালক থেকে এসেছে, যিনি পূর্বে তার কাছ থেকে ঋণ নিয়েছিলেন এবং এখন তা ফেরত দিয়েছেন। অতিরিক্ত দুই হাজার পাঁচশো মার্কিন ডলার তার বড় ভাই থেকে প্রাপ্ত, যা রমজান মাসে দরিদ্র গ্রামবাসীদের মধ্যে বিতরণের জন্য ব্যবহার করা হয়।

শফিকুল আলম সব আর্থিক লেনদেনের উৎস স্পষ্ট ও যাচাইযোগ্য বলে উল্লেখ করে, যে কেউ তার সম্পদ ও আর্থিক অবস্থার ওপর তদন্ত করতে চাইলে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই আমন্ত্রণকে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করেন।

শেষে তিনি রসিকতার ছলে উল্লেখ করেন, তার ‘নকল বারবারি মাফলার’ এখনও তার সঙ্গে রয়েছে, যা তার স্বচ্ছতা ও সরলতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিপক্ষের দলগুলো এই ঘোষণাকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে বিশ্লেষণ করেছে এবং আরও তদারকি দাবি করেছে। তারা উল্লেখ করেছে, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য স্বতন্ত্র অডিট ও অ্যান্টি-করাপশন কমিশনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। ভবিষ্যতে এই বিষয়টি সংসদীয় প্রশ্নোত্তরে উঠে আসতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া হতে পারে।

শফিকুল আলমের এই সম্পদ প্রকাশের মাধ্যমে সরকারী কর্মকর্তাদের সম্পদ ঘোষণার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখার প্রচেষ্টা স্পষ্ট হয়েছে। তবে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের তীব্র নজরদারির মুখে, এই তথ্যের যথার্থতা ও সম্পূর্ণতা যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তা আরও বাড়বে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments