22 C
Dhaka
Tuesday, February 10, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনভিক্রাম ভাটের ১৯২০ ছবির কর্মী, অভিনেতা ও বিক্রেতাদের বকেয়া বেতন দাবি

ভিক্রাম ভাটের ১৯২০ ছবির কর্মী, অভিনেতা ও বিক্রেতাদের বকেয়া বেতন দাবি

বিলাসবহুল হরর থ্রিলার ১৯২০: হররস অব দ্য হার্টের কাস্টিং পরিচালক পারাগ চাডা সম্প্রতি প্রকাশ্যে জানিয়েছেন যে, ছবির জন্য নির্ধারিত তার পেশাগত ফি সম্পূর্ণ বকেয়া রয়েছে। চাডা উল্লেখ করেন, বহুবার অনুসরণ করার পরও কোনো অর্থপ্রদান করা হয়নি এবং ইমেইল মাধ্যমে পাওয়া নিশ্চিতকরণ সত্ত্বেও পেমেন্ট করা হয়নি। তিনি এই বিষয়টি প্রকাশের মূল কারণ হিসেবে শিল্পে তার ভবিষ্যৎ কাজের সম্ভাবনা ও জীবিকাকে হুমকির মুখে দেখতে পান।

ভিক্রাম ভাট, যিনি বর্তমানে তার স্ত্রী শ্বেতাম্বরি ভাটের সঙ্গে আর্থিক জালিয়াতি ও ক্রিমিনাল ব্রিচ অব ট্রাস্ট মামলায় ৩০ কোটি টাকার অভিযোগে জ্যুডিশিয়াল কারারুদ্ধ, এখন এই নতুন আর্থিক অভিযোগের মুখোমুখি। ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া ছবির জন্য চাডা এবং অন্যান্য কর্মীরা যে বকেয়া পেমেন্টের কথা উল্লেখ করেছেন, তা চলচ্চিত্রের বক্স অফিস রেকর্ডের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ, যেখানে রিপোর্ট অনুযায়ী ছবির আয় প্রায় ১৭-১৮ কোটি টাকার মধ্যে ছিল।

চাডার পাশাপাশি, ছবিতে কাজ করা কয়েকজন অভিনেতা ও টেকনিক্যাল স্টাফও একই রকম অভিযোগ তুলে ধরেছেন। তারা জানান যে, শুটিংয়ের সময় ও পরবর্তী সময়ে তাদের বেতন, ফি বা অন্যান্য ক্ষতিপূরণ কখনোই সম্পূর্ণভাবে প্রদান করা হয়নি। কিছু নবাগত অভিনেতা ও সরবরাহকারী কোম্পানি, যারা ছবির প্রোডাকশন চলাকালীন সেবা প্রদান করেছিল, তাও একই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে।

বকেয়া অর্থের পরিমাণের সঠিক হিসাব প্রকাশ না করা সত্ত্বেও, চাডা উল্লেখ করেন যে তিনি এই টাকা পুনরুদ্ধারের আশা ত্যাগ করেছেন এবং এটিকে ‘খারাপ ঋণ’ হিসেবে গণ্য করছেন। তার মতে, এই অভিযোগ উত্থাপন করা মূলত শিল্পের স্বচ্ছতা ও ভবিষ্যৎ কর্মীদের সুরক্ষার জন্য।

এদিকে, ভিক্রাম ভাট বা তার কোনো প্রতিনিধির কাছ থেকে এই দাবিগুলোর প্রতি কোনো সরকারি মন্তব্য বা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলো প্রকাশের পর থেকে মিডিয়ায় কোনো প্রতিক্রিয়া না দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

ভিক্রাম ভাটের বিরুদ্ধে চলমান জালিয়াতি মামলায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে তিনি এবং শ্বেতাম্বরি ভাট জ্যুডিশিয়াল কারারুদ্ধ অবস্থায় আছেন, যেখানে আর্থিক লেনদেনের ওপর অতিরিক্ত নজরদারি বজায় রাখা হচ্ছে। নতুন বকেয়া বেতন সংক্রান্ত অভিযোগগুলো তার আইনি সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

শিল্পের অভ্যন্তরে এই ধরনের আর্থিক অস্বচ্ছতা ও বকেয়া পেমেন্টের ঘটনা দীর্ঘদিনের উদ্বেগের বিষয়। বিশেষ করে যখন কোনো চলচ্চিত্রের বাণিজ্যিক সাফল্য সত্ত্বেও কর্মীদের ক্ষতিপূরণ না দেওয়া হয়, তখন তা শিল্পের নৈতিকতা ও কর্মপরিবেশের ওপর প্রশ্ন তুলতে বাধ্য করে।

বিনোদন জগতের বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে বিনিয়োগকারী ও কর্মীদের মধ্যে বিশ্বাসের ফাটল তৈরি করতে পারে, যা নতুন প্রকল্পের অর্থায়ন ও ট্যালেন্ট আকর্ষণে প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও এই অভিযোগগুলো এখনও তদন্তাধীন, তবে শিল্পের স্বচ্ছতা ও ন্যায্য বেতন নীতি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ত্বরিত পদক্ষেপের আহ্বান করা হচ্ছে।

সামগ্রিকভাবে, ভিক্রাম ভাটের ওপর আর্থিক জালিয়াতি মামলার পাশাপাশি ১৯২০ ছবির কর্মীদের বকেয়া বেতন সংক্রান্ত অভিযোগগুলো তার পেশাগত সুনাম ও আইনি অবস্থাকে আরও কঠিন করে তুলেছে। এই পরিস্থিতিতে, সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের জন্য ন্যায়সঙ্গত সমাধান ও দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা শিল্পের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Bollywood Hungama
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments