25 C
Dhaka
Tuesday, February 10, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতি১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রথমবার ভোটারদের গাইডলাইন

১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রথমবার ভোটারদের গাইডলাইন

১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচনে বহু বাংলাদেশি প্রথমবার ভোট দেবে। ভোটারদের জন্য প্রক্রিয়া অপরিচিত হওয়ায় অনিশ্চয়তা দেখা দেয়, যা ভোট না দেওয়ার দিকে ধাবিত হতে পারে। ভোটের মৌলিক ধাপগুলো জানলে প্রত্যেক নাগরিকের কণ্ঠস্বর নিশ্চিতভাবে শোনা যাবে।

প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন এমন অনেক ভোটার ভুলে যায় যে, তাদের নির্ধারিত ভোট কেন্দ্র কোথায়। ভোট কেন্দ্রের সঠিক অবস্থান না জানলে ভোটাররা ভুল স্থানে পৌঁছাতে পারেন বা পুরোপুরি ভোট দিতে ব্যর্থ হতে পারেন। এই সমস্যার সমাধানে নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করেছে।

সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হল এসএমএসের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করা। ভোটারকে ‘PC’ লিখে একটি ফাঁকা স্থান দিয়ে তার জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নম্বর লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠাতে হবে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার নম্বর এবং নির্ধারিত ভোট কেন্দ্রের ঠিকানা এসএমএসে ফিরে আসে।

অনলাইন যাচাইয়ের জন্য নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://ecs.gov.bd/polling-station-এ গিয়ে ১৩-সংখ্যার এনআইডি, জন্মতারিখ এবং ক্যাপচা পূরণ করতে হবে। উচ্চ ট্রাফিকের কারণে সাইটটি সাময়িকভাবে বন্ধ থাকতে পারে, তাই সময়মতো পরীক্ষা করা উচিৎ।

মোবাইল অ্যাপ ব্যবহারকারী ভোটারদের জন্য ‘Smart Election Management BD’ অ্যাপটি সহায়ক। এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোট কেন্দ্রের মানচিত্রে অবস্থান দেখা যায় এবং কেন্দ্রের ফটোও দেখা যায়, যা প্রথমবারের ভোটারদের জন্য দিকনির্দেশনা সহজ করে।

ডিজিটাল পদ্ধতি কাজ না করলে নির্বাচন কমিশনের হটলাইন ১০৫-এ ফোন করা যায়। এই টোল-ফ্রি সেবা সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চালু থাকে এবং ফোনে ভোটারকে তার ভোট কেন্দ্র ও ভোটার সিরিয়াল নম্বর জানিয়ে দেয়।

ভোটের দিনে ভোটারকে অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং ভোটার সিরিয়াল নম্বর (ভোট স্লিপ) সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। এই দুইটি নথি নির্বাচন কর্মকর্তাদের দ্রুত পরিচয় যাচাই করতে সহায়তা করে, যদিও এনআইডি না থাকলেও ভোট দেওয়া সম্ভব, তবে প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হতে পারে।

যদি ভোটার তার এনআইডি হারিয়ে ফেলেন বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে ভোটের আগে ১০৫ নম্বরে যোগাযোগ করে নির্দেশনা নিতে হবে। এই সময়ে পাসপোর্ট, ড্রাইভারের লাইসেন্স বা অন্য কোনো ফটো আইডি ব্যবহার করা যেতে পারে, এবং ভোটার স্লিপ বা নিবন্ধন শংসাপত্র থাকলে যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত হয়।

ভোট স্লিপ, অর্থাৎ ভোটার সিরিয়াল নম্বর সম্বলিত কাগজটি হাতে থাকলে ভোট কেন্দ্রের প্রবেশের সময় দ্রুত চেক‑ইন সম্ভব হয়। এই নথি না থাকলেও ভোটারকে পরিচয়পত্রের মাধ্যমে যাচাই করা হয়, তবে স্লিপ থাকলে সময় বাঁচে।

সারসংক্ষেপে, ভোটের আগে এসএমএস, ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ বা হটলাইন ব্যবহার করে ভোট কেন্দ্রের তথ্য নিশ্চিত করা এবং এনআইডি ও ভোট স্লিপ সঙ্গে নিয়ে যাওয়া প্রথমবারের ভোটারদের জন্য ভোটের দিনকে সহজ ও নির্ভুল করে তুলবে। এভাবে প্রত্যেক নাগরিকের ভোটাধিকার সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments