25 C
Dhaka
Tuesday, February 10, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানালেন এবং দায়িত্বে থাকার...

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানালেন এবং দায়িত্বে থাকার সম্ভাবনা প্রকাশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান আজ এক সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে তিনি দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়া উপযুক্ত মনে করছেন। এই ঘোষণার পেছনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপট রয়েছে।

সম্মেলনটি আবদুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত সাংবাদিক ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিরা সরাসরি প্রশ্নের উত্তর পেতে সক্ষম হন। উপাচার্য তার বক্তব্যকে সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করেন।

নিয়াজ আহমেদ খান জানিয়েছেন, তিনি জরুরি অবস্থায় ডেপুটি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা জরুরি ছিল। এই সময়ে তিনি তৎকালীন সরকারী নির্দেশনা মেনে কাজ চালিয়ে গেছেন।

উপাচার্য বিশ্বাস করেন, ঐ সংকটের সময় এখন শেষ হয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাদান ও গবেষণা কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। ফলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে পদত্যাগের সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।

তবে তিনি অতিরিক্তভাবে উল্লেখ করেন, নতুন সরকার গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত তিনি দায়িত্বে থেকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনা করছেন। এই পদক্ষেপটি হঠাৎ নেতৃত্বের শূন্যতা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমে ব্যাঘাত রোধের উদ্দেশ্যে।

উপাচার্য তার এই বিবৃতি দিয়ে স্পষ্ট করেন, তিনি কোনো বাহ্যিক চাপের ফলে নয়, বরং নিজের বিবেচনা অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথা জোর দেন।

ডেপুটি হিসেবে কাজ করার সময় তিনি একাধিক প্রশাসনিক সংস্কার ও একাডেমিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অংশ নেন। তার নেতৃত্বে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নীতি পরিবর্তন করা হয়, যা শিক্ষার্থীর সুবিধা বাড়াতে সহায়ক হয়েছে।

পদত্যাগের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ পদে নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোন বিকল্প প্রার্থী ঘোষিত হয়নি। এই সময়ে উপাচার্যের অব্যাহত উপস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মীরা এই ঘোষণার পর দ্রুত কাজের পরিকল্পনা তৈরি করেছে। তারা নিশ্চিত করছেন যে শিক্ষার্থীর ক্লাস, পরীক্ষার সময়সূচি এবং গবেষণা প্রকল্পে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না।

শিক্ষার্থীদের জন্য এই পরিবর্তনটি কী অর্থ বহন করে, তা স্পষ্ট করা জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ইমেইল নোটিফিকেশন মাধ্যমে আপডেট প্রদান করা হবে। তাই শিক্ষার্থীদের উচিত নিয়মিত তথ্য অনুসরণ করা।

এই ধরনের নেতৃত্বের পরিবর্তন সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতি ও কাঠামোতে কিছু পরিবর্তন আনে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রধান লক্ষ্য হবে শিক্ষার ধারাবাহিকতা রক্ষা করা।

যদি আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান কার্যক্রম সম্পর্কে আরও জানতে চান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘোষিত সময়সূচি ও নোটিশগুলো পর্যবেক্ষণ করুন। এছাড়া ছাত্র পরিষদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে দ্রুত তথ্য পাওয়া সম্ভব।

আপনার মতামত কী? নতুন উপাচার্য নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে আপনার কী প্রত্যাশা? মন্তব্যে আপনার চিন্তা শেয়ার করুন।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments