আজ প্রকাশিত ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (TIB) এর দুর্নীতি ধারণা সূচক (CPI) প্রতিবেদনের উদ্বোধনী সংবাদ সম্মেলনে নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ তার ভুল স্বীকার না করলে রাজনৈতিক মঞ্চে ফিরে আসা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, দলটি চলমান নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে, ফলে পরবর্তীতে নিজেকে বাদ দেওয়া থেকে রক্ষা পেতে পারে না।
ইফতেখারুজ্জামান উল্লেখ করেন, “The party [Awami League] itself had taken a clear position against the ongoing election process and therefore could not claim exclusion afterwards,” এবং জোর দিয়ে বলেন, দলটি স্বেচ্ছায় নির্বাচনে অংশ না নেওয়া হলে পরবর্তীতে অন্তর্ভুক্তি দাবি করা যুক্তিসঙ্গত নয়।
একজন সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি যোগ করেন, “The party has openly declared an anti-election position. If a party boycotts an election on its own, how can it then be included?” এভাবে তিনি আওয়ামী লীগের বর্তমান অবস্থানকে স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেন।
ইফতেখারুজ্জামান বর্তমান “সমাবেশী নির্বাচন” কথোপকথনকে নিয়ে প্রশ্ন তুলেন, কারণ গত ষোলো বছর আওয়ামী লীগ শাসনকালে সমাবেশের বিষয়টি প্রায়ই উপেক্ষা করা হয়েছে। তিনি বলেন, “When we talk about inclusive elections today, we must ask what we did in the last 16 years. How many institutions or individuals had the courage at that time to say elections were not inclusive?” এই মন্তব্যে তিনি অতীতের নীতি ও কার্যক্রমের দিকে ইঙ্গিত করেন।
দলটি যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, তবু ইফতেখারুজ্জামান দাবি করেন যে তার সমর্থক ও এজেন্টরা দেশের ভিতরে ও বাইরে থেকে নির্বাচনী পরিবেশকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, “They are trying to obstruct the election through violence and instability. This is happening through their supporters, agents at home and abroad, and in some cases with encouragement from sheltering countries,” যা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতায় উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে।
অধিকন্তু, তিনি উল্লেখ করেন যে অনেক আওয়ামী লীগ সমর্থক জেলখানায় থেকে ভোট দিয়েছেন, ফলে তাদের ভোটদান ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। “Those voters have already voted. You protested against this yourselves,” ইফতেখারুজ্জামান বলেন, যা দলের নিজস্ব বিরোধিতার পরেও ভোটারদের অংশগ্রহণের বাস্তবতা তুলে ধরে।
মাঠে দেখা যায়, আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা পার্টি চিহ্ন ব্যবহার না করে অন্যান্য রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে বা তাদের প্রচারাভিযানে অংশ নিয়ে ভোটারকে আকৃষ্ট করছেন। তিনি উল্লেখ করেন, “Yet some people still say the Awami League is actively participating in the election. On what logic is this being” এবং এ ধরনের দাবি কীভাবে গঠন করা হচ্ছে তা প্রশ্নবিদ্ধ করেন।
ইফতেখারুজ্জামান ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক প্রভাবের দিকেও ইঙ্গিত দেন। তিনি বলেন, যদি দলটি তার অতীতের ভুল স্বীকার না করে এবং সমাবেশের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার না করে, তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও দেশীয় নাগরিকদের কাছ থেকে বিশ্বাস পুনরুদ্ধার করা কঠিন হবে। এই পরিস্থিতি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বৈধতা ও ফলাফলের স্বীকৃতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
অবশেষে, তিনি জোর দিয়ে বলছেন যে আওয়ামী লীগকে তার বিরোধিতার মূল কারণগুলো স্পষ্টভাবে স্বীকার করে, সংশোধনের পথ খুঁজে নিতে হবে, না হলে রাজনৈতিক পুনঃপ্রবেশের পথটি বন্ধ হয়ে যাবে। এই মন্তব্যগুলো দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনার সূচনা করেছে এবং নির্বাচনী সময়সূচি নির্ধারণে নতুন দিকনির্দেশনা তৈরি করতে পারে।



