25 C
Dhaka
Tuesday, February 10, 2026
Google search engine
Homeঅন্যান্যগেইনসভিলের বিমান জরুরি অবতরণে ব্যস্ত মহাসড়কে তিনটি গাড়ি ধাক্কা মারল

গেইনসভিলের বিমান জরুরি অবতরণে ব্যস্ত মহাসড়কে তিনটি গাড়ি ধাক্কা মারল

সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে জর্জিয়ার গেইনসভিলের একটি ব্যস্ত মহাসড়কে ছোট একটি বিমান জরুরি অবতরণ করে এবং তিনটি গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা খায়। ঘটনাটি ঘটে যখন হাওয়ার্ক বিই-৩৬ মডেল একটি হেলিকপ্টার‑সদৃশ ছোট জেট, যা গেইনসভিলের লি গিলমার মেমোরিয়াল বিমানবন্দর থেকে ক্যান্টনের চেরোকি কাউন্টি আঞ্চলিক বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে ইঞ্জিনে ত্রুটি অনুভব করে। পাইলট সমস্যার তীব্রতা বুঝে বিমানটি একই দিকের দিকে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। পর্যাপ্ত ত্বরণ না পেয়ে পাইলটকে সড়কে বাধ্যতামূলক অবতরণ করতে হয়, ফলে গাড়ি চলাচলকারী তিনটি গাড়ি আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

বিমানটি লি গিলমার মেমোরিয়াল বিমানবন্দর থেকে প্রস্থান করে চেরোকি কাউন্টি আঞ্চলিক বিমানবন্দরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। উড্ডয়ন পথে পাইলট ইঞ্জিনের অস্বাভাবিক শব্দ ও কম্পন লক্ষ্য করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে সমস্যার কারণ নির্ণয়ের চেষ্টা করেন। সমস্যাটি তীব্র হয়ে এলে, পাইলটই বিমানটি ফিরে গেইনসভিলের দিকে মোড় নেন।

পাইলটের মতে, ইঞ্জিনের ক্ষমতা হ্রাসের ফলে বিমানটি নির্ধারিত রানের জন্য প্রয়োজনীয় গতি অর্জন করতে পারছিল না। গেইনসভিলের নিকটবর্তী একটি প্রধান সড়কে, যেখানে গাড়ির প্রবাহ উচ্চ ছিল, পাইলটকে অবতরণ করতে হয়। সড়কে অবতরণ করার সময় বিমানটি তিনটি গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা খায়, যার ফলে গাড়িগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘর্ষে কোনো প্রাণহানি বা গুরুতর আঘাতের রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। তবে সড়কটি সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং ট্রাফিক জ্যাম সৃষ্টি হয়। স্থানীয় জরুরি সেবা দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে এবং সড়ক পরিষ্কার করে গাড়ি চলাচল পুনরায় চালু করে।

জাতীয় পরিবহন সুরক্ষা বোর্ড (NTSB) ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে এবং পাইলটের বিবৃতি, রেকর্ডার ডেটা ও বিমানটির রক্ষণাবেক্ষণ ইতিহাস বিশ্লেষণ করবে। বোর্ডের মতে, ইঞ্জিনের ত্রুটি, পাইলটের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া এবং জরুরি অবতরণের সময় সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা এই তিনটি দিকই তদন্তের মূল বিষয়।

এই ধরনের জরুরি অবতরণ শহুরে এলাকায় ট্রাফিকের সঙ্গে সংঘর্ষের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে ব্যস্ত সড়কে বাধ্যতামূলক অবতরণ করলে গাড়ি চালকদের জন্য অপ্রত্যাশিত বিপদ তৈরি হয়। তাই বিমান চলাচলের সময় রক্ষণাবেক্ষণ ও ইঞ্জিনের নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিশেষজ্ঞরা জোর দেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীদের জন্য এই ঘটনা অস্থায়ী অসুবিধা সৃষ্টি করেছে। সড়কের বন্ধ হওয়ায় বহু গাড়ি বিকল্প রুটে চলতে বাধ্য হয়েছে এবং কর্মস্থলে পৌঁছাতে দেরি হয়েছে। সড়ক পুনরুদ্ধার কাজ দ্রুত সম্পন্ন হওয়ায় ট্রাফিক স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।

অবশেষে, এই ঘটনা বিমান চলাচল ও সড়ক নিরাপত্তার সংযোগস্থলে সতর্কতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে। পাইলটের দ্রুত সিদ্ধান্ত ও জরুরি সেবার ত্বরিত প্রতিক্রিয়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হয়েছে, তবে ভবিষ্যতে এধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে উড্ডয়ন নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ মানদণ্ডের কঠোর অনুসরণ অপরিহার্য।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
খবরিয়া প্রতিবেদক
খবরিয়া প্রতিবেদক
AI Powered by NewsForge (https://newsforge.news)
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments