27 C
Dhaka
Tuesday, February 10, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিজাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরাপত্তা পরিকল্পনা: আইজিপি বাহারুল আলমের মন্তব্য

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরাপত্তা পরিকল্পনা: আইজিপি বাহারুল আলমের মন্তব্য

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টারে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম উপস্থিত থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিশদ ব্যাখ্যা দেন।

সম্মেলনে নির্বাচনের সময় সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলার জন্য গৃহীত পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। থানা থেকে চুরি হওয়া ব্যক্তিগত অস্ত্রের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে আইজিপি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো ধরণের অস্ত্রই হুমকি হতে পারে এবং তা দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য চ্যালেঞ্জ।

আইজিপি আরও জানান, অবৈধ অস্ত্রের প্রবেশের পথ বিভিন্ন রকম, তাই তা রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গৃহীত হচ্ছে।

নির্বাচনের জন্য মোট ১,৮৭,৬০৩ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই সংখ্যা পূর্বের নির্বাচনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের প্রতি সরকারের সতর্কতা প্রকাশ করে।

সুরক্ষা ব্যবস্থাকে তিনটি প্রধান স্তরে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম স্তরে সাধারণ জনসাধারণের নিরাপত্তা, দ্বিতীয় স্তরে নির্বাচনী কেন্দ্রের সুরক্ষা, এবং তৃতীয় স্তরে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ নজরদারি।

প্রযুক্তিগত সহায়তা বাড়াতে ৯০ শতাংশ নির্বাচনী কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এই ক্যামেরাগুলি রিয়েল-টাইম পর্যবেক্ষণ এবং রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে কোনো অনিয়ম দ্রুত সনাক্ত করতে সহায়তা করবে।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বডি ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে, যাতে现场ে পুলিশ কর্মকর্তার কার্যক্রম স্বচ্ছভাবে রেকর্ড হয় এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে প্রমাণ হিসেবে কাজ করে। এই পদক্ষেপটি নাগরিকদের নিরাপত্তা ও বিশ্বাস বাড়ানোর উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।

সম্মেলনে অতিরিক্ত আইজিপি-রাও উপস্থিত ছিলেন। এ কে এম আওলাদ হোসেন (প্রশাসন), ড. আকরাম হোসেন (অর্থ), মোসলেহ উদ্দিন আহমদ (লজিস্টিকস ও সম্পদ অধিগ্রহণ) এবং সরদার নূরুল আমিন (উন্নয়ন) এই চারজন অতিরিক্ত আইজিপি নিরাপত্তা পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তত্ত্বাবধান করবেন।

মহাপরিদর্শক উল্লেখ করেন, নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাংলাদেশ পুলিশ সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি বলেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থার সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে সকল সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বয় প্রয়োজন।

এই নিরাপত্তা পরিকল্পনা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত হলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের আস্থা বাড়বে।

আইজিপি বাহারুল আলমের এই ঘোষণার পর, নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা সংক্রান্ত অতিরিক্ত নির্দেশনা ও তদারকি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সকল প্রার্থী ও ভোটারদের নিরাপদ ও নির্ভয়ে ভোটদান নিশ্চিত করা হবে, এটাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments