27 C
Dhaka
Tuesday, February 10, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিনির্বাচন সংক্রান্ত লকডাউন ও সেনাবাহিনীর গুলি নির্দেশের ভুয়া পোস্টগুলো ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে

নির্বাচন সংক্রান্ত লকডাউন ও সেনাবাহিনীর গুলি নির্দেশের ভুয়া পোস্টগুলো ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে

নির্বাচনকালীন সময়ে ফেসবুকে লকডাউন ঘোষণার ভুয়া খবর এবং সেনাবাহিনীর গুলি নির্দেশের দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টগুলোতে বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা হলে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সেনাবাহিনীর ওপর গুলি করার নির্দেশ দেবেন। এই দাবি কোনো সরকারি সূত্রে প্রকাশিত হয়নি এবং কোনো সংবাদমাধ্যমে এ ধরনের খবর পাওয়া যায়নি।

ফেসবুকের একটি স্যাটায়ার পেজের ব্যঙ্গাত্মক পোস্টকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। পোস্টের মূল ফটোকার্ডটি ৬ ফেব্রুয়ারি “Janina Tv” নামের পেজে প্রকাশিত হয়েছিল, যার বায়োতে উল্লেখ আছে যে তাদের পোস্টগুলো শুধুমাত্র বিনোদনের উদ্দেশ্যে এবং সিরিয়াসলি নেওয়া উচিত নয়। তবে ওই পোস্টে কোনো সূত্র উল্লেখ করা হয়নি এবং কোনো সরকারী বা সামরিক কর্মকর্তার কাছ থেকে এমন কোনো নির্দেশের রেকর্ড নেই।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নাম ব্যবহার করে তৈরি করা এই ভুয়া ফটোকার্ডে সেনাবাহিনীর গুলি নির্দেশের দাবি করা হলেও, বাস্তবে তিনি ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় কোনো রকমের গুলি নির্দেশ দেননি। এই তথ্যের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা প্রকাশিত হয়নি।

মুফতি আবদুল মালেকের নামে আরেকটি ভুয়া ফটোকার্ড সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে তাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, “আওয়ামী লীগের পরে বিএনপি সবচেয়ে বেশি ইসলামবিদ্বেষী দল”। এই কার্ডটি “দ্য ডেইলি ডাকসু” পেজের নকশা অনুসরণ করে তৈরি করা হলেও, দ্য ডেইলি ডাকসু পেজ থেকে এমন কোনো পোস্ট প্রকাশিত হয়নি এবং মুফতি আবদুল মালেকের এ ধরনের কোনো বক্তব্যের রেকর্ডও পাওয়া যায়নি।

শফিকুর রহমানের নামে তৈরি ভুয়া ফটোকার্ডে জামায়াত-এ-ইসলামির আমিরের কথায় অস্বাভাবিক দাবি করা হয়েছে, যেমন “আমরা চাঁদাবাজি করি না” এবং “আমরা ব্যাংক দখল করে দল চালাই”। এই পোস্টে প্রথম আলোর লোগো ব্যবহার করা হলেও, প্রথম আলো (প্রথম আলো) ফেসবুক পেজে এমন কোনো ফটোকার্ড প্রকাশিত হয়নি। বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রথম আলোর পেজে পূর্বে প্রকাশিত অন্য একটি ফটোকার্ড সম্পাদনা করে এই ভুয়া পোস্ট তৈরি করা হয়েছে।

এই সব ভুয়া পোস্টের মূল উৎস সামাজিক মিডিয়ার বিনোদনমূলক পেজগুলো, যেগুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে তাদের বিষয়বস্তু সিরিয়াসলি নেওয়া উচিত নয়। তবে ভোটের আগের এই ধরনের গুজবের বিস্তার ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অবিশ্বাসের পরিবেশ গড়ে তুলতে পারে।

নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা গুজবের বিস্তার রোধে সতর্কতা জারি করতে পারে। সামাজিক মিডিয়ায় ভুয়া তথ্যের দ্রুত ছড়িয়ে পড়া নিয়ন্ত্রণের জন্য প্ল্যাটফর্মগুলোকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে বলা হতে পারে।

ভুয়া পোস্টের প্রভাব কমাতে তথ্য যাচাই ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। ভোটারদেরকে উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহিত করা হবে, যাতে গুজবের প্রভাব কমে এবং স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়া নিশ্চিত হয়।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments