24 C
Dhaka
Tuesday, February 10, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধকুমিল্লা সদর উপজেলায় সীমান্তের কাছের পুকুরে র্যাবের অস্ত্র উদ্ধার অভিযান

কুমিল্লা সদর উপজেলায় সীমান্তের কাছের পুকুরে র্যাবের অস্ত্র উদ্ধার অভিযান

কুমিল্লা সদর উপজেলায় ভারত সীমান্তের কটকবাজারে একটি পুকুর সেঁচে র্যাবের দল বেশ কিছু গুলিবন্দুক ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে। অভিযানটি মঙ্গলবার ভোরবেলা শুরু হয় এবং এখনো চলমান। র্যাবের কুমিল্লা কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলমের নির্দেশে কাজটি পরিচালিত হচ্ছে।

মেজর সাদমানের মতে, র্যাবের দল টানা রাতের পর টহল চালিয়ে পুকুরের তীরে পৌঁছায়। তারা গোপন সূত্রের ভিত্তিতে কাজ শুরু করে এবং স্থানীয় তথ্য সংগ্রহের পরই সেঁচে কাজ শুরু করে।

পুকুরটি সীমান্ত থেকে প্রায় সাড়ে তিনশো মিটার দূরে অবস্থিত, যা কটকবাজারের কবরস্থান এলাকার নিকটবর্তী। এই দূরত্বের কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন, তবে র্যাবের উপস্থিতি দ্রুত আশ্বাস এনে দেয়।

সকাল দশটায় র্যাবের কর্মীরা পুকুরের পার্শ্বে শ্যালো মেশিন চালিয়ে সেচ কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। মেশিনটি অল্প গভীর জলে কাজ করায় কর্মীরা পানির নিচে বসে কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে পারছিলেন।

সেই সময়ে কর্মীরা পুকুরের তলায় কয়েকটি পিস্তল ও বন্দুকের প্যাকেজ আবিষ্কার করে। পাশাপাশি দুইটি বস্তায় মোড়ানো ধারালো অস্ত্রও পাওয়া যায়, যা সম্ভবত ছুরি বা তলোয়ার হতে পারে।

মেজর সাদমান উল্লেখ করেন, উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলোতে আধুনিক গুলিবন্দুকের পাশাপাশি পুরনো মডেলের পিস্তলও অন্তর্ভুক্ত। ধারালো অস্ত্রের ধরন বিশ্লেষণে এখনও কাজ চলছে, তবে সেগুলোকে অবৈধ অস্ত্রের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

অস্ত্র সংগ্রহের পরপরই র্যাবের দল স্থানীয় পুলিশ ও সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রমাণ সংগ্রহ শুরু করে। ফরেনসিক দলগুলো অস্ত্রের সিরিয়াল নম্বর, গুলি চিহ্ন এবং ব্যবহারিক অবস্থা পরীক্ষা করছে।

আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে, অবৈধ অস্ত্রের মালিকানা ও পরিবহন বাংলাদেশ অস্ত্র আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তির আওতায় পড়ে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র অপরাধের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

সীমান্তের নিকটবর্তী এই ধরনের ঘটনা র্যাবের নিরাপত্তা বিভাগকে সতর্ক করেছে। তারা এখনো সীমান্ত পারাপারের সম্ভাব্য রুটগুলো পর্যবেক্ষণ করছে এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা করছে।

স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দারা এই অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন, কারণ অবৈধ অস্ত্রের উপস্থিতি তাদের নিরাপত্তা ও জীবিকার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। র্যাবের কর্মীরা স্থানীয়দের সঙ্গে সমন্বয় করে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

অবশেষে, উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলোকে ফরেনসিক বিশ্লেষণের পর আদালতে উপস্থাপন করা হবে। তদন্তের ফলাফল অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং মামলার অগ্রগতি জনসাধারণের সঙ্গে শেয়ার করা হবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments