18 C
Dhaka
Tuesday, February 10, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিসিডনিতে ইজরায়েলি প্রেসিডেন্টের সফরের প্রতিবাদে পুলিশের পদক্ষেপের পক্ষে মন্তব্য

সিডনিতে ইজরায়েলি প্রেসিডেন্টের সফরের প্রতিবাদে পুলিশের পদক্ষেপের পক্ষে মন্তব্য

সিডনি শহরে ইজরায়েলি প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জগের সফরের বিরোধে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদে পুলিশ ও demonstrators-দের মধ্যে হিংসাত্মক সংঘর্ষ ঘটেছে। নিউ সাউথ ওয়েলস (NSW) পুলিশ ২৭ জনকে গ্রেফতার করেছে এবং পুলিশ কমিশনার মাল ল্যানিয়ন “অসাধারণ সংযম” দেখার কথা উল্লেখ করে, “প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে” বলে মন্তব্য করেন। এই মন্তব্যগুলোই ঘটনার পরই প্রকাশিত হয়, যখন আদালতে প্রতিবাদকারীরা পুলিশ কর্তৃক আরোপিত সীমাবদ্ধতা বাতিলের আবেদন ব্যর্থ হয়।

সরকারের পক্ষ থেকে আইজ্যাক হার্জগকে অস্ট্রেলিয়ায় আমন্ত্রণ জানানো হয়, যা বন্ডি বিচে সাম্প্রতিক অ্যান্টি-সেমিটিক হামলার পর জিউইশ সম্প্রদায়ের সান্ত্বনা দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়। তবে এই সফরের বিরোধিতা করে প্রো-প্যালেস্টাইন গোষ্ঠী ও মানবাধিকার সমর্থকরা প্রতিবাদে অংশ নেয়। ১৪ ডিসেম্বর হানুকা উৎসবের সময় দুই গনস্লিং গুলিবিদ্ধ করে ১৫ জনের মৃত্যু ঘটায়, যার মধ্যে দশ বছর বয়সী একটি মেয়ে অন্তর্ভুক্ত।

প্যালেস্টাইন অ্যাকশন গ্রুপের জোশ লিস উল্লেখ করেন, এই সন্ধ্যায় সংঘটিত হিংসা “সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ”। তিনি বলেন, “আমাদের মার্চ করার অধিকার থাকা উচিত ছিল” এবং যুক্তি দেন, যদি NSW সরকার টাউন হল থেকে স্টেট পার্লামেন্ট বা হাইড পার্ক পর্যন্ত মার্চের অনুমতি দিত, তবে এই ঘটনা এড়ানো যেত। লিসের মতে, সরকার ডিসেম্বরের গুলিবিদ্ধের পর জনসমাবেশের ওপর নতুন সীমাবদ্ধতা আরোপ করে, এবং র্যালির কয়েক দিন আগে “মেজর ইভেন্ট” ক্ষমতা প্রয়োগ করে পুলিশকে শহরের নির্দিষ্ট অংশ বন্ধ করার অনুমতি দেয়।

এই নতুন বিধান অনুসারে demonstrators-দের সমাবেশের অনুমতি থাকলেও মার্চের অনুমতি নেই। প্রতিবাদকারীরা র্যালি শুরু হওয়ার অর্ধ ঘণ্টা আগে মেজর ইভেন্ট ক্ষমতা বাতিলের জন্য আদালতে আবেদন করে ব্যর্থ হয়। ফলে, র্যালি চলাকালীন পুলিশকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হয়, যা কিছু অংশে হিংসাত্মক রূপ নেয়।

NSW প্রিমিয়ার ক্রিস মিন্স পুলিশ পদক্ষেপের পক্ষে সুর তুলে, টুডে চ্যানেল ৯-এ বলেন, “গত রাতে কর্তৃপক্ষকে এক অবিশ্বাস্য কঠিন পরিস্থিতিতে রাখা হয়েছিল”। তিনি জনসাধারণকে আহ্বান জানান, “১০ সেকেন্ডের ক্লিপ দেখে পুরো প্রেক্ষাপট না জেনে মন্তব্য করা উচিত নয়”।

সহকারী কমিশনার পিটার ম্যাককেনা উল্লেখ করেন, পুলিশকে হুমকি ও আক্রমণের মুখোমুখি হতে হয়েছিল, যা তাদের দ্রুত হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা বাড়িয়ে দেয়। তিনি বলেন, “আমাদের কর্মীরা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জনসাধারণের সুরক্ষা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু করেছেন”।

প্রতিবাদে গ্রেফতার হওয়া ২৭ জনের মধ্যে বেশিরভাগই তরুণ এবং কিছুই পূর্বে কোনো অপরাধের রেকর্ড নেই। আদালত এখনও তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগের প্রক্রিয়া চালু করেছে।

এই ঘটনার পর, মানবাধিকার সংগঠনগুলো পুলিশ ব্যবস্থার কঠোরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং দাবি করেছে যে সীমাবদ্ধতা প্রকাশ্যভাবে নাগরিক অধিকার লঙ্ঘন করে। অন্যদিকে, ইজরায়েলি সরকার ও অস্ট্রেলিয়ার জিউইশ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা বলেন, হার্জগের সফর জিউইশ সম্প্রদায়ের জন্য সান্ত্বনা ও সংহতি বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

ভবিষ্যতে, NSW সরকার কীভাবে জনসমাবেশের ওপর নতুন বিধানগুলো সামঞ্জস্য করবে এবং প্রতিবাদকারীদের অধিকার রক্ষার জন্য কোন অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেবে, তা রাজনৈতিক আলোচনার মূল বিষয় হয়ে থাকবে। এই বিষয়টি অস্ট্রেলিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments