18 C
Dhaka
Tuesday, February 10, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিশ্রম দলের মন্ত্রীরা প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন, সারওয়ার পদত্যাগের আহ্বান দিলেন

শ্রম দলের মন্ত্রীরা প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন, সারওয়ার পদত্যাগের আহ্বান দিলেন

শ্রম দলের মন্ত্রীগণ আজ লন্ডনের পার্লামেন্টে অনুষ্ঠিত শ্রমিক পার্টি পার্লামেন্টারি সভার পর প্রধানমন্ত্রীর প্রতি দৃঢ় সমর্থন প্রকাশ করেছেন, যখন স্কটল্যান্ডের শ্রম দল নেতা আনাস সারওয়ার প্রেস কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছিলেন।

সারওয়ার তার বক্তব্যে ডাউনিং স্ট্রিটের বর্তমান অবস্থা “পর্যাপ্ত নয়” এবং শীর্ষ পর্যায়ে “অনেক ভুল” হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। তিনি সরকারী নেতৃত্বের ওপর তীব্র সমালোচনা তুলে ধরেন, যা তৎক্ষণাৎ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে শ্রম দলের উচ্চপদস্থ মন্ত্রিদের দ্রুত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

সেই মুহূর্তে শ্রম দলের বেশ কয়েকজন সিনিয়র মন্ত্রী টুইটারে ও ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে পোস্ট করেন, যেখানে তারা সরকারের বর্তমান নীতি ও নেতৃত্বকে প্রশংসা করেন। এই পোস্টগুলো দ্রুত শেয়ার হয়ে পার্লামেন্টারিয়ানদের মধ্যে আলোচনার সূত্রপাত করে।

প্রধানমন্ত্রী, যিনি পার্লামেন্টের হাউস অফ কমন্সে শ্রমিক পার্টি পার্লামেন্টারি সভা পরিচালনা করেন, উপস্থিত এমপিদের তালি ও উল্লাসের মাঝে তার বক্তব্য শেষ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে তিনি পদত্যাগের কোনো পরিকল্পনা রাখছেন না এবং দেশের ম্যান্ডেট বজায় রাখার জন্য দৃঢ়সংকল্প প্রকাশ করেন।

বক্তব্যের সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি যে সব লড়াইয়ে অংশ নিয়েছি, সেগুলোতে জয়ী হয়েছি।” তিনি অতিরিক্তভাবে যোগ করেন, “আমার পথে সমালোচক থাকলেও, এখন তাদেরই মুখোমুখি হতে হবে।” এরপর তিনি দেশের ম্যান্ডেট ও দায়িত্বের প্রতি তার অটল প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন, এবং কোনো অস্থিরতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করার জন্য তার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

সভা শেষে প্রাক্তন মন্ত্রী জাস্টিন মাড্ডার্স প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে আরও বিশদ শোনার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, “সেই রাতে কক্ষের মধ্যে এমন কোনো অনুভূতি ছিল না যে মানুষ প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন চান।” মাড্ডার্সের মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে কক্ষের কিছু এমপি প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন, যা পরে মিডিয়ায় প্রকাশ পায়।

একজন শ্রমিক পার্টির এমপি বলেন, “কয়েকজন সহকর্মী খুবই স্পষ্টভাবে তাদের মতামত প্রকাশ করেছেন,” এবং কক্ষ ত্যাগের সময় এই কথাগুলো পুনরায় উল্লেখ করেন। এই মন্তব্যগুলো নির্দেশ করে যে যদিও প্রধানমন্ত্রীর সমর্থন শক্তিশালী, তবে কিছু প্রশ্নোত্তর এখনও বিদ্যমান।

একই সময়ে স্বাস্থ্য সচিব ওয়েস স্ট্রিটিং, যাকে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য নেতৃত্বের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উল্লেখ করা হয়, লর্ড ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত বার্তাগুলো প্রকাশ করেন। স্ট্রিটিং বলেন, এই প্রকাশের উদ্দেশ্য হল ম্যান্ডেলসনের যুক্তরাষ্ট্রের দূত হিসেবে নিয়োগের পেছনের তথ্য স্পষ্ট করা, যা প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ওপর প্রশ্ন তুলেছে।

ম্যান্ডেলসনের যুক্তরাষ্ট্রের দূত নিয়োগের সময় তার জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য প্রকাশিত হওয়ায় সরকারকে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। এই নিয়োগের ফলে প্রধানমন্ত্রীর বিচারবোধ ও নৈতিকতার প্রশ্ন তীব্রভাবে উত্থাপিত হয়েছে।

শ্রম দলের অভ্যন্তরে নেতৃত্বের সম্ভাব্য পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা বাড়ছে, বিশেষ করে স্ট্রিটিংয়ের পদক্ষেপকে কিছু বিশ্লেষক নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জের সূচক হিসেবে দেখছেন। তবে বর্তমান মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীর সমর্থকরা তার অবস্থানকে দৃঢ় রাখতে একত্রিত হয়েছে।

ভবিষ্যতে শ্রম দলের অভ্যন্তরীণ বিতর্কের মাত্রা ও পার্লামেন্টারিয়ানদের প্রশ্নের তীব্রতা নির্ধারণ করবে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। যদি সমর্থন অব্যাহত থাকে, তবে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি কমে যাবে; অন্যথায় পার্লামেন্টে নতুন নেতৃত্বের দাবি উত্থাপিত হতে পারে।

এই ঘটনাগুলো শ্রম দলের অভ্যন্তরীণ গতিবিধি ও দেশের শাসন কাঠামোর উপর প্রভাব ফেলবে, এবং পরবর্তী সপ্তাহে পার্লামেন্টে আরও আলোচনা ও সিদ্ধান্তের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments