18 C
Dhaka
Tuesday, February 10, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শাসন মন্ত্র ঘোষণায় ন্যায়পরায়ণতা ও দুর্নীতি মোকাবেলা

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শাসন মন্ত্র ঘোষণায় ন্যায়পরায়ণতা ও দুর্নীতি মোকাবেলা

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে এক জাতীয় ভাষণ দিয়ে দেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে নতুন শাসন নীতি উপস্থাপন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, যদি জনগণের সমর্থন পেয়ে দল সরকার গঠন করে, তবে শাসনের মূলমন্ত্র হবে “মহানবীরের মহান আদর্শ‑ন্যায়পরায়ণতা”। এই ঘোষণার সঙ্গে তিনি ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচনের জন্য ভোটের আবেদন করেন।

ভাষণে তিনি অতীতের শাসনকালে দল যে ভুলত্রুটি করে থাকতে পারে, তার জন্য জনগণের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি স্বীকার করেন, বিএনপি পূর্বে জনগণের সমর্থনে একাধিকবার শাসন দায়িত্ব পালন করেছে এবং সেই সময়ে অনিচ্ছাকৃত কিছু ত্রুটি ঘটতে পারে। এই স্বীকারোক্তি তারেকের রাজনৈতিক দায়িত্ববোধকে তুলে ধরে।

তারেক রহমান অতীতের শাসনকালে দল যে সেবা প্রদান করেছে, তা পুনরায় উল্লেখ করে জনগণের কাছ থেকে পুনরায় আস্থা দাবি করেন। তিনি বলেন, দেশের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা দরকার। এ জন্য তিনি “ধানের শীষে ভোট” চেয়ে জনগণকে আহ্বান জানান, যাতে নতুন সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হয়।

বিএনপি তার পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দুর্নীতি মোকাবেলায় কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সরকারের প্রতি জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য কোনো বিকল্প নেই। দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি তিনি সামাজিক কল্যাণের জন্য ব্যক্তিগত ও পারিবারিক স্তরে নীতি প্রয়োগের কথা উল্লেখ করেন।

দলীয় নেতৃত্বের দৃষ্টিতে, শাসনের সময় সরকারকে জনগণের কাছে সম্পূর্ণভাবে দায়বদ্ধ রাখতে হবে। নির্বাচনের পরপরই নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব গ্রহণের পর, তাদের কাজের যথার্থতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব তিনি নিজে নেবেন বলে জানান। তিনি ভবিষ্যৎ সরকারের জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রতিপক্ষের দৃষ্টিকোণ থেকে, সরকারী পক্ষের এখনো এই ঘোষণার উপর কোনো সরাসরি মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। তবে সরকারী সূত্রগুলো সাধারণভাবে দেশের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন বজায় রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দেয়। এই প্রেক্ষাপটে, বিএনপির নতুন শাসন মন্ত্রের প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ফলাফল দেশের নীতি দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেন। যদি বিএনপি ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা পায়, তবে তারেকের ন্যায়পরায়ণতা ও দুর্নীতি বিরোধী নীতি বাস্তবায়নের সুযোগ পাবে। অন্যদিকে, বর্তমান শাসক দল যদি শাসন বজায় রাখে, তবে তারা তাদের বিদ্যমান উন্নয়ন পরিকল্পনা চালিয়ে যাবে।

এই রাজনৈতিক মুহূর্তে, ভোটারদের সিদ্ধান্ত দেশের ভবিষ্যৎ গঠনকে সরাসরি প্রভাবিত করবে। তারেক রহমানের ভাষণ ভোটারদের কাছে একটি পরিষ্কার বার্তা পৌঁছানোর চেষ্টা করেছে—ন্যায়পরায়ণতা ও স্বচ্ছ শাসনকে মূলমন্ত্র হিসেবে গ্রহণ করা। তিনি ১২ ফেব্রুয়ারিকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার দিন হিসেবে উল্লেখ করে বিজয় কামনা করেন, যা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন এক দৃষ্টিকোণ যোগ করবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments