18 C
Dhaka
Tuesday, February 10, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিপল কাপুর হাউজ ফরেন অ্যাফেয়ার্স সাব‑কমিটিতে দক্ষিণ এশিয়া নীতি নিয়ে সাক্ষ্য দেবেন

পল কাপুর হাউজ ফরেন অ্যাফেয়ার্স সাব‑কমিটিতে দক্ষিণ এশিয়া নীতি নিয়ে সাক্ষ্য দেবেন

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর বুধবার হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের ফরেন অ্যাফেয়ার্স সাব‑কমিটিতে উপস্থিত হয়ে অঞ্চলের মার্কিন নীতি সম্পর্কে বিশদ ব্যাখ্যা দেবেন। সাক্ষ্যদানটি ১১ ফেব্রুয়ারি ইস্টার্ন টাইম দুপুর ২টায় নির্ধারিত।

শুনানিটি রেবার্ন হাউজ অফিস ভবনের ২১৭২ নম্বর কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে এবং কমিটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হল মার্কিন সরকারের দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্য এশিয়া সম্পর্কিত কূটনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও কৌশলগুলোকে উন্মুক্তভাবে পর্যালোচনা করা।

পল কাপুরের এই উপস্থিতি তার নতুন দায়িত্বের পর প্রথম আনুষ্ঠানিক জবাবদিহি হিসেবে বিবেচিত। দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের কূটনৈতিক দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি প্রথমবার হাউজের এই সাব‑কমিটিতে তার নীতি দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করবেন।

কাপুরের পূর্বে ১০ জুন গত বছর সেনেটের ফরেন রিলেশনস কমিটিতে মনোনয়নের শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন। সেই সময়ে তিনি দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পদে মনোনীত হওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য প্রদান করেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের শেষ মেয়াদে দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পদে পল কাপুরকে মনোনয়ন করা হয়। তিনি ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান হিসেবে এই পদে প্রথমবারের মতো নিযুক্ত হন।

মার্কিন সেনেটের পূর্ণাঙ্গ ভোটে ৫১-৪৭ অনুপাতের মাধ্যমে তার নিযুক্তি নিশ্চিত হয়। এই ভোটের ফলাফল তার কূটনৈতিক ক্যারিয়ারে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত।

কাপুরের পটভূমি উল্লেখযোগ্য; তিনি দ্বিতীয় ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান যিনি এই উচ্চ পর্যায়ের কূটনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত। তার পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা তাকে দক্ষিণ এশিয়ার জটিল ভূ-রাজনৈতিক পরিবেশে কাজ করার জন্য প্রস্তুত করেছে।

শুনানিতে তিনি মার্কিন সরকারের নিরাপত্তা শক্তিশালীকরণ, চীনের প্রভাবের মোকাবেলা এবং বাণিজ্যিক সংযোগের সম্প্রসারণের জন্য অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এই লক্ষ্যগুলোকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হিসেবে উপস্থাপন করেন।

কাপুর বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গুরুত্বও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি বলছেন, এই দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারিত্বকে সমন্বিতভাবে উন্নত করা হবে।

শুনানির এজেন্ডায় দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের মোকাবেলা প্রধান বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। পল কাপুর এই বিষয়গুলোতে মার্কিন নীতির দিকনির্দেশনা ও বাস্তব পদক্ষেপের বিশদ ব্যাখ্যা দেবেন।

কমিটির ওয়েবসাইটে সরাসরি সম্প্রচার হওয়ায় সাধারণ জনগণ ও বিশ্লেষকরা রিয়েল‑টাইমে তার বক্তব্য অনুসরণ করতে পারবেন। এটি কূটনৈতিক স্বচ্ছতা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই সাক্ষ্যদানটি পল কাপুরের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো মার্কিন কংগ্রেসের সামনে তার নীতি দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশের সুযোগ। ভবিষ্যতে এই ধরনের উন্মুক্ত সেশনগুলো কূটনৈতিক সম্পর্কের গতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা অনুমান করছেন, এই শুনানির পর মার্কিন সরকার দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা কাঠামোতে নতুন উদ্যোগ গ্রহণের সম্ভাবনা বাড়বে এবং চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক প্রতিযোগিতার মাত্রা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments