18 C
Dhaka
Tuesday, February 10, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিনির্বাচন দিবসে যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য শিথিল

নির্বাচন দিবসে যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য শিথিল

২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের ভোটের দিন বাংলাদেশ সরকার ইলেকশন কমিশন (ইসি) কঠোর যানবাহন চলাচল নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপ্রয়োজনীয় গতি-জট কমানো। তবে ইসি কিছু গুরুত্বপূর্ণ গোষ্ঠী ও কাজের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি প্রদান করেছে।

নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী ভোটের দিন সব ধরনের বেসরকারি গাড়ি, মাইক্রোবাস, ট্রাক ও মোটরসাইকেল সাধারণ রাস্তায় চলাচল করতে পারবে না। এই সীমাবদ্ধতা দেশের প্রধান শহর ও গ্রামীণ এলাকায় সমানভাবে প্রযোজ্য, যাতে ভোটার ও কর্মী নিরাপদে ভোট দিতে পারে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসনিক কর্মী এবং ইসির অনুমোদিত পর্যবেক্ষকদের গাড়ি এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। তাদের গতি-গতি সীমাবদ্ধতা না রেখে নির্বাচনী কার্যক্রমে সহায়তা করা যাবে।

জরুরি সেবা, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা সংক্রান্ত যানবাহন, ঔষধ ও চিকিৎসা সামগ্রী বহনকারী গাড়ি, পাশাপাশি সংবাদপত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পরিবহনকারী গাড়ি চলাচলে কোনো বাধা থাকবে না। এসব গাড়ি জরুরি কাজের স্বীকৃতি পেলে স্বতন্ত্র অনুমোদন ছাড়াই রাস্তায় চলতে পারবে।

বিমানবন্দরে আত্মীয়-স্বজনের জন্য যাত্রা করা, অথবা বিমানবন্দর থেকে গন্তব্যে ফিরে আসা যাত্রীদের গাড়ি টিকিট বা সমমানের প্রমাণ দেখালে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে। একইভাবে দূরপাল্লা যাত্রী বহনকারী বা দূরপাল্লা যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত যেকোনো গাড়ি নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি পাবে।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্য একটি গাড়ি, এবং নির্বাচনী এজেন্টের জন্য আরেকটি গাড়ি (যথাযথ নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র সাপেক্ষে) ইসির অনুমোদন ও গাড়িতে স্টিকার প্রদর্শনের শর্তে চলাচলের অনুমতি পাবে। জিপ, কার, মাইক্রোবাস ইত্যাদি ছোট আকারের যানবাহনই এই অনুমোদনের আওতায় থাকবে।

সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক অথবা জরুরি কাজের জন্য ব্যবহৃত গাড়ি ও মোটরসাইকেল নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন পেলে চলাচল করতে পারবে। একইভাবে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা, কর্মচারী বা অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে মোটরসাইকেল চালানোর অনুমতি প্রদান করা হবে।

টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে গণ্য করে বিটিআরসি এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত টেলিকম প্রতিষ্ঠানগুলোর যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে যে নির্বাচনের সময় নেটওয়ার্ক ও যোগাযোগ সেবা কোনো ব্যাঘাত ছাড়াই চালু থাকবে।

জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর সংযোগকারী প্রধান সড়ক এবং আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বাহিরে প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও জরুরি গতি-গতি বজায় থাকবে, যদিও ভোটের দিন অন্যান্য রাস্তায় সীমাবদ্ধতা থাকবে।

ইসির এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচনী প্রক্রিয়া চলাকালীন গতি-গতি নিশ্চিত হবে এবং ভোটারদের নিরাপদে ভোট দেওয়ার পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও জরুরি সেবা সংস্থাগুলোর স্বতন্ত্র চলাচল নিশ্চিত করে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বজায় রাখবে। পরবর্তী পর্যায়ে ইসি রিটার্নিং অফিসারদের সঙ্গে সমন্বয় করে শিথিলকৃত রুট ও গাড়ির তালিকা প্রকাশ করবে, যাতে সকল অংশগ্রহণকারী স্পষ্ট নির্দেশনা পায়।

নিষেধাজ্ঞা ও শিথিলকরণের এই সমন্বয় নির্বাচনের দিন ট্রাফিক জট কমিয়ে ভোটারদের গন্তব্যে দ্রুত পৌঁছাতে সহায়তা করবে, ফলে ভোটগ্রহণের হার বাড়বে এবং নির্বাচনী ফলাফলকে আরও বৈধতা দেবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments