20 C
Dhaka
Monday, February 9, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিজামাতের আমীর শফিকুর রহমানের নতুন বাংলাদেশ পরিকল্পনা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট মন্তব্য

জামাতের আমীর শফিকুর রহমানের নতুন বাংলাদেশ পরিকল্পনা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট মন্তব্য

বাংলাদেশের জামাত-ই-ইসলামী আমীর শফিকুর রহমান আজ সন্ধ্যা ৬:১৫ টায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত এক ভাষণে দেশের ভবিষ্যৎ গঠন নিয়ে বিশদ পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। তিনি যুব প্রজন্মকে রাষ্ট্রের শীর্ষে বসিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি জানান এবং বিচার, শিক্ষা ও অর্থনীতিতে মৌলিক সংস্কারের কথা উল্লেখ করেন।

শফিকুর রহমানের মতে, দেশের তরুণরা যদি সক্রিয়ভাবে নেতৃত্বের দায়িত্ব নেয়, তবে নাগরিকদের অধিকার রক্ষার জন্য রাস্তায় নেমে যাওয়ার প্রয়োজন কমে যাবে। তিনি জুলাই উত্থানকে জনগণের সমন্বিত ইচ্ছা হিসেবে তুলে ধরেন, যা বৈষম্যমুক্ত এবং পুরনো অন্ধকার রাজনীতির থেকে মুক্ত একটি বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে পরিচালিত হয়েছে।

তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে, যুবকরা পরিশ্রমী, সাহসী, প্রতিভাবান এবং প্রযুক্তিগতভাবে সচেতন; এদের সঙ্গে সহযোগিতা করে দেশকে পুনর্গঠন করা হবে। “যুবককে রাষ্ট্রের ককপিটে বসাতে চাই, তারা যেন বাংলাদেশের পাইলট হয়ে উড়ে যায়, আর আমরা যাত্রী সিটে বসে সমর্থন দেব,” তিনি এই রূপক ব্যবহার করে যুব শক্তির গুরুত্ব জোর দেন।

শাসন সংক্রান্ত আলোচনায় নিরাপত্তা, সুশাসন এবং ন্যায়বিচারকে মূল দাবি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তিনি কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে দায়িত্বশীলতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে, কিছু সংস্কার ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে তবে এখনও পর্যাপ্ত নয়, এ কথা বলেন।

শফিকুর রহমান রেফারেন্ডামের জন্য “হ্যাঁ” ভোটের আহ্বান জানান, যাতে অবশিষ্ট সংস্কারগুলো সম্পূর্ণ করা যায়। তিনি ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনকে “মকাবেলা” বলে সমালোচনা করেন এবং দাবি করেন যে সেই সময়ে নাগরিকদের ভোটদানের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

জামাতের শাসন দৃষ্টিভঙ্গি বিভিন্ন নীতি শীর্ষ সম্মেলন ও নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোতে উপস্থাপিত হয়েছে, যা দেশীয় ও বিদেশী বিশেষজ্ঞদের মতামত ও বিভিন্ন পেশার মানুষের অংশগ্রহণে গড়ে তোলা হয়েছে। এই নথিগুলোতে উল্লেখ আছে, যদি আল্লাহর ইচ্ছা ও জনগণের সমর্থন পেয়ে সরকার গঠন করা যায়, তবে ফজরের নামাজের পরই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হবে।

শফিকুর রহমানের মতে, জামাতের নীতি “হ্যাঁ” ভোটের দিকে ঝুঁকবে, যা দেশের উন্নয়নের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি উল্লেখ করেন, যুব শক্তিকে কেন্দ্র করে অর্থনৈতিক, শিক্ষাগত ও বিচারিক সংস্কার চালিয়ে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব হবে।

এই ভাষণে জামাতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও নির্বাচনী সমালোচনা স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে, যা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করতে পারে। শফিকুরের মন্তব্যের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও বিশ্লেষকরা তার প্রস্তাবনা নিয়ে মন্তব্য করেছেন, তবে মূল বিষয় হল রেফারেন্ডামের ফলাফল এবং তা দেশের সংস্কার প্রক্রিয়ায় কী প্রভাব ফেলবে।

শফিকুরের বক্তব্যে উল্লেখিত যুবকেন্দ্রিক নীতি ও সংস্কার পরিকল্পনা, যদি বাস্তবে রূপ নেয়, তবে দেশের সামাজিক-অর্থনৈতিক কাঠামোতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তার সমালোচনা করা নির্বাচনের বৈধতা ও প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে এখনও বিতর্ক চলমান।

সারসংক্ষেপে, জামাতের আমীর শফিকুর রহমানের আজকের ভাষণ যুব শক্তিকে রাষ্ট্রের কেন্দ্রে রাখার প্রতিশ্রুতি, বিচার, শিক্ষা ও অর্থনীতিতে সংস্কার, এবং রেফারেন্ডামের জন্য “হ্যাঁ” ভোটের আহ্বান নিয়ে গঠিত। এই পরিকল্পনা ও সমালোচনা দেশের রাজনৈতিক আলোচনার নতুন দিক উন্মোচন করবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments