কলম্বোর আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টি২০ ম্যাচে জিম্বাবুয়ে দল ওমানকে ৮ উইকেটের পার্থক্যে পরাজিত করে। জিম্বাবুয়ের বোলিং ইউনিট প্রথম ইনিংসে শীর্ষে উঠে, যখন ওমান মাত্র ১০৩ রান সংগ্রহ করতে পারে। জিম্বাবুয়ের জয়কে নিশ্চিত করে ৪০ ওভারের মধ্যে ৮ উইকেটের সুবিধা।
ব্লেসিং মুজারাবানি প্রথমে আক্রমণ চালিয়ে জাটিন্ডার সিং, আমির কালীম ও কারান সোনাভালে ধারাবাহিকভাবে আউট করেন, ফলে ওমানের স্কোর দ্রুত হ্রাস পায়। রিচার্ড নগারাভা হাম্মাদ মিরজা বাদ দিয়ে পাওয়ারপ্লে শেষের দিকে ওমানকে ২৪ রান ও ৪ উইকেটের অবস্থায় রেখে দেন।
দশম ওভারে সিকন্দর রাজার বোলিং থেকে ওয়াসিম আলি আউট হয়ে ওমানের স্কোর ৪৩/৫ এ পৌঁছে। এরপর ভিনায়ক শুক্লা ও সুফিয়ান মাহমুদের ৪২ রানের স্থিতিশীল অংশীদারিত্ব ওমানকে সাময়িকভাবে স্থিতিশীল রাখে, তবে নগারাভা শুক্লাকে ২১ ball-এ ২৮ রান করে আউট করেন এবং একই ওভারে জিতেন জিতেন রামানন্দি কে তৃতীয় উইকেট হিসেবে নেয়।
ব্র্যাড ইভান্সের ৩/১৮, মুজারাবানির ৩/১৬ এবং নগারাভার ৩/১৭ পারফরম্যান্সের ফলে ওমানের স্কোর ১০৩ রানেই আটকে যায়। রাজারও এক উইকেট যোগ হয়, ফলে ওমানের ব্যাটিং লাইনআপ শেষ পর্যন্ত ভাঙা অবস্থায় থাকে।
চেজে জিম্বাবুয়ের টাদিওয়ানাশে মারুমানি দ্রুতই আক্রমণ শুরু করেন, মাত্র ১১ ball-এ ২১ রান করেন। তবে ওয়াসিম আলি তার তৎপরতা দেখিয়ে মারুমানিকে আউট করেন। একই ওভারে সুফিয়ান মাহমুদ ডায়ন মায়ার্সকে শূন্যে আউট করে দলকে আরও এক উইকেটের সুবিধা দেন।
ব্রায়ান বেনেট এবং ব্রেনডন টেলর পরপর ৬৮ রানের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারিত্ব গড়ে তোলেন। টেলর ৩০ ball-এ ৩১ রান করেন, তবে মাঝপথে আঘাত পেয়ে রিটায়ার হন। বেনেট ৩৬ ball-এ ৪৮* রান করে চেজকে স্থিতিশীল রাখেন।
সিকন্দর রাজার শেষের ওভারে বেনেটের সঙ্গে মিলিয়ে জয়ী রানের দায়িত্ব নেন এবং শেষ পর্যন্ত জিম্বাবুয়ে দলটি ৮ উইকেটের পার্থক্যে জয়লাভ করে। জিম্বাবুয়ের বোলারদের ধারাবাহিকতা এবং ব্যাটিং পার্টনারশিপের সমন্বয়ই এই ফলাফলকে সম্ভব করে তুলেছে।
এই জয় জিম্বাবুয়ের টি২০ সিরিজে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়, যখন ওমানের জন্য ১০৩ রানই যথেষ্ট ছিল না। উভয় দলে কয়েকজন খেলোয়াড়ের উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স ভবিষ্যৎ ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।



