22 C
Dhaka
Monday, February 9, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিজাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে বাস চলাচল অব্যাহত, মোটরসাইকেল চলাচল ৭২ ঘণ্টা বন্ধ

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে বাস চলাচল অব্যাহত, মোটরসাইকেল চলাচল ৭২ ঘণ্টা বন্ধ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ও গণভোটের দিন, ১২ ফেব্রুয়ারি, দেশে বাস ও ট্রাকের চলাচল নিয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে না বলে বাংলাদেশ বাস‑ট্রাক মালিক সমিতি স্পষ্ট করে জানিয়েছে। একই সময়ে, মোটরসাইকেল চালনা ১০ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত, মোট ৭২ ঘণ্টা, সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে।

সমিতির সভাপতি রমেশ চন্দ্র ঘোষ গতকাল রবিবার মিডিয়াকে নিশ্চিত করেন যে, নির্বাচনের দিন বাস সেবা চালু থাকবে এবং যাত্রীদের যাতায়াতের কোনো বাধা হবে না। তবে তিনি উল্লেখ করেন, কর্মচারীদের ছুটির কারণে কিছু রুটে সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকতে পারে, যা যাত্রীদের আগে থেকেই জানিয়ে দেওয়া হবে।

মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধের সময়সীমা ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে শুরু হয়ে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে। এই নিষেধাজ্ঞা দেশের সব অঞ্চলকে অন্তর্ভুক্ত করে এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অবশ্যই জরুরি পরিস্থিতি বা নির্বাচনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কাজের জন্য কিছু ছাড় রাখা হয়েছে। সমিতি জানিয়েছে, জরুরি সেবা, চিকিৎসা সংস্থা এবং নির্বাচনী কর্মীদের গাড়ি চলাচল এই সময়ে অনুমোদিত হবে।

বিপক্ষের দলগুলো, বিশেষ করে প্রধান বিরোধী দল, পূর্বে নির্বাচনের সময় পরিবহন সীমাবদ্ধতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা দাবি করে যে, যাত্রীদের চলাচল সহজ করা এবং জরুরি সেবার দ্রুত প্রবেশ নিশ্চিত করা উচিত, যাতে ভোটার অংশগ্রহণে কোনো বাধা না থাকে।

অধিকাংশ রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এই সিদ্ধান্তকে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তারা উল্লেখ করেন, বাসের চলাচল অব্যাহত থাকলে ভোটারদের ভোটদানস্থলে পৌঁছানো সহজ হবে, আর মোটরসাইকেল বন্ধের মাধ্যমে ট্রাফিক জ্যাম ও নিরাপত্তা ঝুঁকি কমবে।

সমিতির মতে, মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধের সময়ে জরুরি সেবা গাড়ি, পুলিশ, এবং নির্বাচনী কর্মীদের গাড়ি চলাচল অনুমোদিত থাকবে। এই ছাড়ের মাধ্যমে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া সম্ভব হবে।

বিভিন্ন জেলা প্রশাসক ও ট্রাফিক পুলিশও এই নির্দেশনা মেনে চলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তারা জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা সময়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য অতিরিক্ত পেট্রোল স্টেশন ও রোড সাইনেজ স্থাপন করা হবে।

যাত্রীদের জন্য বাস সংস্থাগুলো বিশেষভাবে জানিয়ে দেবে যে, কোন রুটে সেবা বন্ধ থাকবে এবং বিকল্প ব্যবস্থা কী হবে। এদিকে, মোটরসাইকেল চালকদের জন্য বিকল্প পরিবহন ব্যবস্থা, যেমন পাবলিক বাস ও শাটল সেবা, বাড়িয়ে দেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নির্বাচনের পরবর্তী ধাপের দিকে তাকিয়ে, সরকার ও নির্বাচন কমিশন ভোটের ফলাফল ঘোষণার আগে নিরাপত্তা ও পরিবহন ব্যবস্থার সুষ্ঠু সমন্বয় নিশ্চিত করতে চায়। এই প্রেক্ষাপটে, বাস ও ট্রাকের চলাচল অব্যাহত রাখা এবং মোটরসাইকেল চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নীতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সামগ্রিকভাবে, ভোটের দিন দেশের যাতায়াত ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ কমাতে এই সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচনের সময় সুষ্ঠু পরিবহন নিশ্চিত করা, ভোটার অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং জরুরি সেবার স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখা এই নীতির মূল লক্ষ্য।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments