25 C
Dhaka
Monday, February 9, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাসর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগে NCT‑এর লিজ চুক্তি সংক্রান্ত পিটিশনের শুনানি এক দিন...

সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগে NCT‑এর লিজ চুক্তি সংক্রান্ত পিটিশনের শুনানি এক দিন স্থগিত

সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগ আজ চট্টগ্রাম বন্দর‑এর নিউ মোরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (NCT) কে ইউএই ভিত্তিক লজিস্টিক্স কোম্পানি DP World‑কে লিজে দেওয়ার উচ্চ আদালতের রায় চ্যালেঞ্জ করা আপিল পিটিশনের শুনানি আগামীকাল পর্যন্ত স্থগিত করেছে। পিটিশনটি বাংলাদেশ যুব অর্থনীতিবিদ ফোরাম (Bangladesh Jubo Arthanitibid Forum) দাখিল করেছে, যা সরকারী সিদ্ধান্তের বৈধতা ও প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে।

বিচারক মো. রেজাউল হক নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চটি অ্যাটর্নি জেনারেলের অনুরোধে পিটিশনের তারিখ পরিবর্তনের অনুমতি দেয়। পিটিশনের প্রতিনিধিত্বকারী আইনজীবী মো. আনোয়ার হোসেনের মতে, এই স্থগিতাদেশের মূল উদ্দেশ্য উভয় পক্ষকে অতিরিক্ত সময় প্রদান করা, যাতে তারা তাদের যুক্তি ও প্রমাণ যথাযথভাবে উপস্থাপন করতে পারে।

বাংলাদেশ যুব অর্থনীতিবিদ ফোরাম এই পিটিশনের মাধ্যমে NCT‑এর চুক্তি প্রক্রিয়ায় স্থিতি বজায় রাখতে চায়। ফোরাম দাবি করে যে, চুক্তি প্রদান প্রক্রিয়ায় কোনো স্বচ্ছতা না থাকায় এবং নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে চুক্তি স্বাক্ষর করা হলে তা একধরনের নির্বাহী অতিরিক্ততা ও স্বৈরাচারী পদক্ষেপের সূচক হতে পারে।

ফোরামের যুক্তি অনুযায়ী, যদি আদালত চুক্তি প্রদান প্রক্রিয়ায় স্থিতি বজায় রাখার আদেশ না দেয়, তবে সরকার ও DP World‑এর মধ্যে চুক্তি দ্রুত কার্যকর হতে পারে, যা জনসাধারণের স্বার্থে ক্ষতি এবং সম্ভাব্য আর্থিক ক্ষতির দিকে নিয়ে যাবে। তারা আরও উল্লেখ করে যে, এই ধরনের পদক্ষেপের ফলে দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগ পরিবেশে অনিশ্চয়তা বাড়তে পারে।

জনুয়ারি ২৯ তারিখে বিচারক মো. রেজাউল হক চেম্বার বিচারক হিসেবে একই পিটিশনে “কোনো আদেশ নয়” ঘোষণা করেন, যা ফোরামের চুক্তি প্রক্রিয়ার স্থিতি বজায় রাখার অনুরোধকে অস্বীকার করে। একই দিনে উচ্চ আদালত ফোরাম দ্বারা দায়ের করা রিট লিখিত পিটিশন প্রত্যাখ্যান করে, ফলে সরকারী চুক্তি প্রদান প্রক্রিয়ার বৈধতা নিশ্চিত হয়।

DP World‑এর অংশগ্রহণ দেশের কন্টেইনার হ্যান্ডলিং ক্ষমতা বাড়াতে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য রুটে চট্টগ্রাম বন্দরকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করেন। তবে, চুক্তি প্রক্রিয়ার আইনি চ্যালেঞ্জ এবং আদালতের চূড়ান্ত রায় বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও প্রকল্পের সময়সূচিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে, যদি সর্বোচ্চ আদালত চুক্তি প্রদান প্রক্রিয়ার স্থিতি বজায় রাখার আদেশ দেয়, তবে সরকারকে পুনরায় দরকষাকষি বা স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে, যা প্রকল্পের বাস্তবায়ন সময় বাড়াতে পারে। অন্যদিকে, যদি আদালত বর্তমান চুক্তি বজায় রাখে, তবে DP World‑এর সঙ্গে অংশীদারিত্ব দ্রুত শুরু হতে পারে, যা বন্দর অবকাঠামো উন্নয়নে ত্বরান্বিত করবে।

সর্বোচ্চ আদালতের চূড়ান্ত রায় দেশের বাণিজ্যিক পরিবেশ, বিদেশি বিনিয়োগের প্রবাহ এবং চট্টগ্রাম বন্দর‑এর দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত পরিকল্পনার উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। উভয় পক্ষের জন্য এখন সময়সীমা মেনে চলা এবং আইনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে বাণিজ্যিক কার্যক্রমে কোনো বাধা না সৃষ্টি হয়।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments