24 C
Dhaka
Monday, February 9, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিনির্বাচন কমিশন সামাজিক মিডিয়া পর্যবেক্ষণ শুরু করতে পারছে না, তালিকা না পাওয়ায়

নির্বাচন কমিশন সামাজিক মিডিয়া পর্যবেক্ষণ শুরু করতে পারছে না, তালিকা না পাওয়ায়

দ্যুতি-দ্যুতি ত্রিশ দিন বাকি থাকা ১৩তম জাতীয় সংসদীয় নির্বাচন ও রেফারেন্ডামের পূর্বে, নির্বাচন কমিশন সামাজিক মিডিয়ায় রাজনৈতিক পার্টি ও প্রার্থীদের প্রচার তদারকি শুরু করতে পারেনি। কারণ, প্রয়োজনীয় অ্যাকাউন্টের তালিকা এখনো পার্টি ও প্রার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া যায়নি।

কমিশন পূর্বে জানিয়েছিল যে, নির্বাচন ও রেফারেন্ডাম চলাকালীন সময়ে তারা সব প্রার্থীর ডিজিটাল প্রচার পর্যবেক্ষণ করবে। তবে তালিকা না থাকায়, এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট মনিটরিং শুরু করা সম্ভব হয়নি।

কমিশন জোর দিয়ে বলেছে যে, পর্যবেক্ষণের সময়সীমা এখনও শেষ হয়নি এবং তারা সামাজিক মিডিয়ায় চলমান প্রচারগুলোকে নজরে রাখছে, পোস্টের সত্যতা যাচাই করছে।

বর্তমানে ৫২টি রাজনৈতিক দল ও ২,০১৭ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে। তাদের সামাজিক মিডিয়া অ্যাকাউন্টের তালিকা ৬৭টি রিটার্নিং অফিসারকে, যাঁরা ৩০০টি সংসদীয় এলাকায় কাজ করেন, তাদের কাছে জমা দিতে হবে।

গত বছর ১০ই নভেম্বর, নির্বাচন কমিশন ‘কোড অফ কন্ডাক্ট ২০২৫’ গেজেট করে প্রকাশ করে। এই কোডের ধারা ১৬-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, কোনো প্রার্থী, তার নির্বাচনী এজেন্ট বা সংশ্লিষ্ট দলকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করার আগে রিটার্নিং অফিসারকে প্ল্যাটফর্মের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ইমেইল আইডি ও অন্যান্য শনাক্তকারী তথ্য জমা দিতে হবে।

দেশব্যাপী নির্বাচনী প্রচার ২২ই জানুয়ারি শুরু হওয়া সত্ত্বেও, এখনো পর্যন্ত কোনো দল বা প্রার্থী থেকে তালিকা পাওয়া যায়নি।

২ই ফেব্রুয়ারি, কমিশন সকল রিটার্নিং অফিসারকে কেন্দ্রীয়ভাবে সামাজিক মিডিয়া প্রচারের লিঙ্ক জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। তবে রিটার্নিং অফিসাররা এখনো এই নির্দেশ মেনে লিঙ্ক পাঠায়নি।

নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, সামাজিক মিডিয়া প্রচারের সব ধরনের ব্যয়—বিষয়বস্তু তৈরি, বিজ্ঞাপন, বুস্টিং ও স্পনসরশিপসহ—নির্বাচনী ব্যয়ের অংশ হিসেবে কমিশনে জানাতে হবে।

ইলেকশন কমিশনার অন্বারুল ইসলাম সরকার জানান, “পর্যবেক্ষণের সময় এখনো শেষ হয়নি; আজকের দিনেও তালিকা জমা হলে কাজ শুরু করা সম্ভব।” এ কথা দিয়ে তিনি সময়সীমা এখনও শেষ হয়নি বলে জোর দেন।

প্রার্থীদের তালিকা না পাওয়ার পেছনে পার্টিগুলোর কী কারণ, তা স্পষ্ট না হলেও, কমিশনের মতে এটি প্রক্রিয়াগত বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তালিকা না থাকলে, কমিশন পোস্টের সত্যতা যাচাই, ভুয়া খবর ও মিথ্যা প্রচার শনাক্ত করতে অক্ষম থাকবে, যা নির্বাচনী স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতায় প্রভাব ফেলতে পারে।

কোড অফ কন্ডাক্টের কার্যকরী প্রয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের সময়সীমা দ্রুত শেষের দিকে, তাই কমিশন এখনো রিটার্নিং অফিসারদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়িয়ে তুলতে পারে।

পরবর্তী সময়ে, কমিশন রিটার্নিং অফিসারদের কাছ থেকে তালিকা সংগ্রহের জন্য অতিরিক্ত নির্দেশনা জারি করতে পারে এবং তথ্য পাওয়া মাত্রই সামাজিক মিডিয়া পর্যবেক্ষণ শুরু করবে, যা শেষের দিনগুলোতে প্রচারমূলক কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments