26 C
Dhaka
Sunday, February 8, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিশেখ বশিরউদ্দীন বিমান পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে সমালোচনার জবাব দিলেন

শেখ বশিরউদ্দীন বিমান পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে সমালোচনার জবাব দিলেন

বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, গত বছর ২৬ আগস্ট বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার পর সরকারী নীতি ও আইনের সীমার মধ্যে কাজ করছেন বলে সমালোচনার জবাব দিলেন। তিনি রোববার দুপুরে সচিবালয়ের সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন, পূর্বে ২২ জন মন্ত্রী ও উপদেষ্টা একই পদে ছিলেন এবং তিনি ২৩তম, যার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীও অন্তর্ভুক্ত।

শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, “আইনের কোনো লঙ্ঘন হয়নি, তাই আমি কোনো অবৈধ কাজ করিনি”। তিনি অতিরিক্তভাবে উল্লেখ করেন, তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়েরও উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং উভয় দায়িত্ব একসাথে পালন করা কোনো বিধি-বিপর্যয় সৃষ্টি করে না।

চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত হয়ে তিনি বিমানকে লাভজনক সংস্থায় রূপান্তর করার লক্ষ্য প্রকাশ করেন। তার মতে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কিছু রুটে টিকিটের দাম ২০,০০০ টাকায় নির্ধারিত হয়েছে এবং এই দামের ভিত্তিতে অতিরিক্ত ১২০ কোটি টাকার মুনাফা অর্জিত হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই অর্জনকে সেলিব্রেশন পয়েন্ট হিসেবে গণ্য করা উচিত।

বিমান পরিচালনা বোর্ডের কাজের ওপর বিভিন্ন আলোচনার পর, কিছু বিশ্লেষক ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক এই পদবিন্যাসকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন। তবে শেখ বশিরউদ্দীন তার অবস্থান দৃঢ়ভাবে রক্ষা করে বলেন, “যদি কেউ এই বিষয়টি নিয়ে ফ্যাসাদ তৈরি করতে চান, তবে আমরা যথাযথ আলোচনা করব”।

সম্প্রতি ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য ডেইলি স্টার’ এ প্রকাশিত ‘দ্য লর্ড অব উইংস’ শিরোনামের প্রতিবেদনে তাকে এই উপাধি দেওয়া হয়েছে। তিনি হাস্যকরভাবে উল্লেখ করেন, হেলিকপ্টারের কোনো উইংস না থাকলেও তাকে ‘লর্ড অব উইংস’ বলা হয়েছে। তিনি বলেন, তার হেলিকপ্টার ১৪ বছর আগে কেনা হয়েছে এবং তিনি সেই হেলিকপ্টারটি নিয়মিত উড়িয়ে আসছেন।

শেখ বশিরউদ্দীন তার হেলিকপ্টার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্সও পেয়েছেন বলে জানান। তিনি অতিরিক্তভাবে উল্লেখ করেন, তার প্রতিষ্ঠানের নাম আকিজ বশির এভিয়েশন, এবং মার্চ মাসে তিনি যখন হাসান আরিফ স্যার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ছিলেন, তখনই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি স্বীকার করেন, তিনি কখনোই জানতেন না যে সরকার তাকে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেবে।

এই ঘোষণার পর, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ভবিষ্যতে সরকারী বিমান নীতি ও বাণিজ্যিক দিকের ওপর প্রভাবের সম্ভাবনা নিয়ে মন্তব্য করছেন। বিশেষ করে, বিমানকে লাভজনক সংস্থায় রূপান্তর করার পরিকল্পনা যদি সফল হয়, তবে তা সরকারী এয়ারলাইনসের আর্থিক স্বনির্ভরতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। অন্যদিকে, সমালোচকরা এই পদবিন্যাসকে রাজনৈতিক পুরস্কার হিসেবে দেখার সম্ভাবনা তুলে ধরছেন।

শেখ বশিরউদ্দীন শেষ পর্যন্ত বলেন, “আইনের কোনো বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘিত হয়নি, এবং আমরা বিমানকে আন্তর্জাতিক মানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলতে কাজ চালিয়ে যাব”। তার এই বক্তব্য সরকারী ও বেসরকারি উভয় ক্ষেত্রের দৃষ্টিতে বিমান শিল্পের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments