প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী হাই কোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের জন্য ৯ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে ফুলকোর্ট সভা আহ্বান করেছেন। এই সভা হাই কোর্ট বিভাগের বিচারিক কার্যক্রমের সমন্বয় ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলি আলোচনা করার উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত হবে।
সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই সভা, আদালতের অভ্যন্তরীণ নীতি ও প্রক্রিয়ার পর্যালোচনা, চলমান মামলাসমূহের অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণে কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখবে। প্রধান বিচারপতি এই সভার মাধ্যমে বিচারিক স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হাই কোর্ট বিভাগের বিচার শাখার ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি রেজিস্ট্রার (প্রশাসন ও বিচার) মো. মেসবাহ্ উদ্দিন খান ৩ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত নোটিশে সভার সময়সূচি ও স্থান উল্লেখ করেছেন। নোটিশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, হাই কোর্ট বিভাগের বিচারপতি মহোদয়গণকে এই সভায় অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
আজ রবিবার প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে পুনরায় নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ৯ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) বিকাল ৪টায় বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে ফুলকোর্ট সভা অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞপ্তিতে সভার উদ্দেশ্য, অংশগ্রহণকারীর তালিকা এবং সময়সূচি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সকল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার জন্য বাধ্যতামূলক নির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে।
ফুলকোর্ট সভা সাধারণত আদালতের উচ্চপদস্থ বিচারিক কর্মকর্তাদের মধ্যে সমন্বয় ও নীতি নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। এই ধরনের সভা আদালতের অভ্যন্তরীণ কাঠামোকে সুসংহত করতে এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার গতি বাড়াতে সহায়তা করে। হাই কোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিভাগীয় বিষয়গুলোকে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা সম্ভব হবে।
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর এই আহ্বান, হাই কোর্ট বিভাগের বিচারিক দায়িত্বের পরিপ্রেক্ষিতে সময়মতো সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। আদালতের কার্যক্রমে কোনো বিলম্ব না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য এই সভা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সুপ্রিম কোর্টের অভ্যন্তরে এই ধরনের সভা সাধারণত অগ্রগতি পর্যালোচনা, নতুন নীতি প্রণয়ন এবং বিচারিক দায়িত্বের পুনর্বিন্যাসের জন্য ব্যবহৃত হয়। হাই কোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের উপস্থিতি, বিভাগীয় মামলাসমূহের দ্রুত সমাধান ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সভার সময়সূচি নির্ধারিত হয়েছে এবং সকল অংশগ্রহণকারীকে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকতে হবে। এই নির্দেশনা আদালতের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সভার কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
হাই কোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের মধ্যে এই সভা, বিভাগের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় ও নীতি নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে কাজ করবে। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই সভা, আদালতের সামগ্রিক কার্যক্রমের গতি বাড়াতে সহায়তা করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জ, যেখানে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে, আদালতের প্রধান সভা কক্ষগুলোর একটি এবং এখানে উচ্চপদস্থ বিচারিক কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলি আলোচনা করেন। লাউঞ্জের পরিবেশ ও সুবিধা, সভার কার্যকরী পরিচালনা নিশ্চিত করবে।
এই সভার মাধ্যমে হাই কোর্ট বিভাগের বিচারিক দায়িত্বের পর্যালোচনা, নতুন নীতি প্রণয়ন এবং চলমান মামলাসমূহের অগ্রগতি নির্ধারণ করা হবে। প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা অনুযায়ী, ভবিষ্যতে আদালতের কার্যক্রমে কোনো ধীরগতি না থাকে তা নিশ্চিত করা হবে।
সামগ্রিকভাবে, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর এই আহ্বান, হাই কোর্ট বিভাগের বিচারিক কার্যক্রমকে সুসংহত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সভা শেষে গৃহীত সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা, আদালতের ন্যায়বিচার প্রদান ও কার্যকারিতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



