26 C
Dhaka
Sunday, February 8, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিজাতীয় নাগরিক দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বিদেশি নাগরিকের মনোনয়নের অভিযোগ...

জাতীয় নাগরিক দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বিদেশি নাগরিকের মনোনয়নের অভিযোগ উত্থাপন

রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ঢাকার বাড্ডার ডিআইটি প্রকল্পের খেলার মাঠে জাতীয় নাগরিক দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের এক জনসভায় উপস্থিত হয়ে জাতীয়তাবাদী রীতির পরেও একটি দল বিদেশি নাগরিককে প্রার্থী হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে বলে অভিযোগ করেন।

সকাল প্রায় ৯ টা ৩০ মিনিটে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সভার সূচনা হয়, এরপর বিভিন্ন পাড়া থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে একত্রিত হন। সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে জামায়াত-এ-ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন, পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক দলের আহ্বায়ক ও ঢাকা‑১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলামসহ জোটের অন্যান্য নেতারাও অংশ নেন।

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সভার মাঝখানে উল্লেখ করেন, কিছু দল ১২ তারিখের আগে চাঁদাবাজি করা যাবে না এমন ঘোষণা দিয়েছে, যা প্রকৃতপক্ষে ১২ তারিখের পর চাঁদাবাজি করা যাবে এমন বার্তা ছড়ানোর চেষ্টা হিসেবে দেখা যায়। তিনি বলেন, এই ধরনের ঘোষণার মাধ্যমে ভোটদাতাদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাকে ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে।

তিনি আরও যোগ করেন, জুলাই মাসে ঘটিত অভ্যুত্থানের অনুভূতি জনগণের মধ্যে গড়ে উঠেছে এবং এই অনুভূতি বাস্তবায়নের জন্য ১১ দলীয় ঐক্য জোটকে জয়ী করে তোলা প্রয়োজন। তার মতে, ঐক্য জোটের বিজয়ই দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার একমাত্র উপায়।

সমাবেশে উপস্থিত জোটের নেতারা ভোট সংগ্রহের জন্য দণ্ডিপল্লা ও শাপলা চিহ্ন ব্যবহার করার কথা জানান। এই প্রতীকগুলোকে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হবে, যা ঐতিহ্যবাহী ভোট সংগ্রহের পদ্ধতির অংশ হিসেবে দেখা যায়।

জাতীয় নাগরিক দলের মুখপাত্রের এই মন্তব্যের পর, জামায়াত-এ-ইসলামির প্রতিনিধিরা কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি, তবে সমাবেশে উপস্থিত অন্যান্য দলীয় নেতারা ঐক্য জোটের লক্ষ্য ও কৌশল নিয়ে আলোচনা চালিয়ে গেছেন।

এই জনসভা নির্বাচনের পূর্বে শেষ পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হওয়ায়, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মন্তব্য করছেন যে জাতীয় নাগরিক দল এবং তার জোটের অংশীদারদের মধ্যে মতবিরোধ ভবিষ্যতে নির্বাচনী কৌশলে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো দলীয় নীতি পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।

সংগঠকরা উল্লেখ করেন, সমাবেশের মূল উদ্দেশ্য ছিল জনগণের মধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনা জাগ্রত করা এবং ১১ দলীয় ঐক্য জোটের সমর্থন বাড়ানো। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, ভোটের দিন নাগরিকদের স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গত পছন্দের মাধ্যমে জোটের লক্ষ্য অর্জিত হবে।

এই ঘটনায় জাতীয় নাগরিক দলের মুখপাত্রের বিদেশি নাগরিকের মনোনয়নের অভিযোগ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত আলোচনাকে তীব্র করে তুলেছে। নির্বাচনের দিন পর্যন্ত এই বিষয়টি কীভাবে বিকশিত হবে, তা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টিকোণ হয়ে থাকবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments