16 C
Dhaka
Sunday, February 8, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিমনপুরা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় নির্বাচনী সংঘর্ষে আহত, অস্ত্র উদ্ধার

মনপুরা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় নির্বাচনী সংঘর্ষে আহত, অস্ত্র উদ্ধার

ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলায় শুক্রবারের নির্বাচনী প্রচারকালে বিএনপি ও জামায়াত-এ-ইসলামি নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত আটজন আহত হন। একই সপ্তাহে বোরহানউদ্দিন উপজেলায় পূর্বে ঘটিত সমান ধরনের ঝগড়ায় ১৫ জন আহত ছিলেন। উভয় ঘটনার পরপরই নির্বাচনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে।

মনপুরা উপজেলায় বাসিন্দা আব্দুর রহিম ফরাজি, যিনি একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী, জানান, কিছু দল পরিস্থিতি জটিল করার চেষ্টা করলেও ভোটাররা ভোট দিতে অগ্রসর হবে। তিনি উল্লেখ করেন, “সুযোগসন্ধানী” দল পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করলেও জনগণ ভোটের অধিকার ব্যবহার করবে।

ফ্রাইডে বিকেলে মনপুরার দূরবর্তী দ্বীপে বিএনপি ও জামায়াত-এ-ইসলামি নেতাদের মধ্যে তীব্র ঝগড়া হয়, যার ফলে আটজন আহত হন। এক সপ্তাহ আগে, ৩১ জানুয়ারি একই জেলার বোরহানউদ্দিনে একই দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হন। উভয় দলই একে অপরের ওপর দোষারোপ করে, এবং ঘটনাগুলো নির্বাচনের উত্তেজনা বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।

শুক্রবারের পরের দিন, মুন্সীগঞ্জ শহরে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে দুইজন গুলিবিদ্ধ হন। একই দিনে ময়মনসিংহে জামায়াত-এ-ইসলামি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক অভিযোগের পরিণতি ঘটেছে। এই ঘটনাগুলো দেশের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী হিংসা ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা নির্দেশ করে।

রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় পুলিশ শুক্রবার একাধিক বাসা থেকে ১১টি বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করে। আটক ব্যক্তিকে শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের সহযোগী বলে জানানো হয়। পরের দিন, ফরিদপুরের পুকুর সেচ এলাকায় যৌথ বাহিনী সাতটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিশাল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে।

বিশ্লেষক ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা এই ধারাবাহিক সংঘর্ষ ও অস্ত্র উদ্ধারকে নির্বাচনী হিংসার বৃদ্ধি হিসেবে সতর্কতা প্রকাশ করেছেন। তবে ভোলা জেলার পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট মোহাম্মদ শরীফুল হক ঘটনাগুলোকে “নির্বাচনী টুকটাক” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, নির্বাচনী প্রচার চলাকালে ছোটখাটো ঘটনা স্বাভাবিক এবং বর্তমানে কোনো বড় হুমকি নেই। তিনি যোগ করেন, প্রতিটি মুহূর্ত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং তার এলাকার ভোটের পরিবেশ ভাল, কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই।

সেই অনুযায়ী, রোববার থেকে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নির্বাচনী মাঠে উপস্থিত হবে। উচ্চ পর্যায়ের একটি বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে, এবং প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ (নাম সম্পূর্ণ উল্লেখ নেই) নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

এই ধারাবাহিক ঘটনা ও নিরাপত্তা পদক্ষেপের পরিপ্রেক্ষিতে, নির্বাচনী কমিশনের তত্ত্বাবধানে ভোটের দিন নিরাপদে সম্পন্ন হবে কিনা তা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশের স্থিতিশীলতা নির্ধারণের মূল চাবিকাঠি হবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments