মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে টস জিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ব্যাটিংয়ে পাঠানো ভারত এ, ১৬২ রান লক্ষ্য করে ৯ উইকেটে ১৬১ রান করে শেষ করে। ফলে ভারত এ লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়ে ম্যাচ হারায়।
ইনিংসের শুরুর মুহূর্তেই ভারত এ কঠিন অবস্থায় পড়ে। ওপেনার অভিষেক শর্মা দ্রুত গোল্ডেন ডাকে আউট হয়ে দলকে শূন্যে নামিয়ে দেয়।
শষ্ঠ ওভারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শাদলে ফন শকউইক তীব্র গতি দিয়ে তিনটি উইকেট নেয়। ইশান কিশান ২০ রান করে ১৬ বলের পরে আউট হন, তিলক ভার্মা ২৫ রান যোগ করে ১৬ বলের পরই বিচ্ছিন্ন হন। শিভাম দুবেরও গোল্ডেন ডাকে বিদায় নেয়।
এই পাঁচটি বলের মধ্যে তিনটি উইকেট হারিয়ে ভারত এ চরম চাপে পড়ে। রিঙ্কু সিং এবং হার্দিক পান্ডিয়া দ্রুত ফিরে এসে স্কোরকে ৭৭ রানে ৬ উইকেটের অবস্থায় স্থিতিশীল করে।
বিপর্যয়ের মাঝেও অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব দায়িত্ব নেন। একপ্রান্তে আঘাত রেখে তিনি ৪৯ বলের মধ্যে ৮৪ রান সংগ্রহ করেন, যার মধ্যে দশটি চতুর্থ এবং চারটি ছক্কা রয়েছে।
যাদবের আক্রমণাত্মক খেলা দলকে ১২০ রানের কাছাকাছি নিয়ে আসে, তবে শেষের ওভারে অক্ষর প্যাটেল ১১ বলের মধ্যে ১৪ রান যোগ করে দলকে মোট ১৬১ রান সম্পন্ন করতে সাহায্য করেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শাদলে ফন শকউইক সর্বোচ্চ সফলতা অর্জন করেন, ২৫ রান খরচে চারটি উইকেট নেয়। তার বোলিং দলকে লক্ষ্য পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাটিং লাইন-আপ ১৬২ রান লক্ষ্য করে, তবে শেষের ওভারে চাপের মুখে ১ রান কমে শেষ করে। ফলে ভারত এ এক রান কমে পরাজিত হয়।
ম্যাচের পর দলীয় বিশ্লেষণে দেখা যায় যে শুরুর শটের দুর্বলতা এবং দ্রুত উইকেট হারানোই মূল কারণ। তবে যাদবের মধ্যম-ওভার পারফরম্যান্স দলকে পুনরুজ্জীবিত করেছে।
ক্যাপ্টেন সূর্যকুমার যাদব ম্যাচের পর দলের কৌশলগত পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করেন, বিশেষ করে শুরুর ব্যাটিং শর্তে সতর্কতা এবং মাঝের ওভারগুলোতে রেট রেট বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা।
পরবর্তী ম্যাচে ভারত এ গ্রুপের অন্য প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে, যা টুর্নামেন্টের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
টুর্নামেন্টের সময়সূচি অনুযায়ী দলটি আগামী দুই দিনের মধ্যে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে, এবং ফলাফল নির্ভর করবে ব্যাটিং ও বোলিং উভয় দিকের সামঞ্জস্যের ওপর।



