শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের সকল বিদ্যালয় ও কলেজে ক্লাস বন্ধ থাকবে। এই ছুটির সময়কালে শিক্ষার্থীরা কোনো পাঠক্রমিক কার্যক্রমে অংশ নেবে না এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। বন্ধের কারণগুলোতে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ছুটি, সপ্তাহান্তের দিন এবং শিবরাত্রি ব্রত অন্তর্ভুক্ত।
ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন থেকেই ধারাবাহিক ছুটির ধারায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশ্রাম চলছে। পূর্বে জানুয়ারি মাসে ঘোষিত ছুটির পর, ফেব্রুয়ারি মাসে আবারও দীর্ঘমেয়াদী বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য একাধিক দিন বিশ্রামের সুযোগ দিচ্ছে।
১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দুই দিনকে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ছুটি হিসেবে নির্ধারিত করা হয়েছে। নির্বাচনের দিনগুলোতে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয় এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে। এই সময়ে ভোটদান প্রক্রিয়া চলবে, ফলে শিক্ষার্থীরা ভোটার হিসেবে অংশ নিতে পারবে।
১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার, যা স্বাভাবিক সপ্তাহান্তের দিন। এই দুই দিনই সাধারণ ছুটি হিসেবে গণ্য হবে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো কোনো কার্যক্রম চালাবে না।
১৫ ফেব্রুয়ারি শিবরাত্রি ব্রত উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে। শিবরাত্রি একটি ধর্মীয় উৎসব, যার সময় অনেক পরিবার বাড়িতে একত্রিত হয়ে পূজা-আচার করে; তাই শিক্ষার্থীদের জন্যও এই দিনটি ছুটি নির্ধারিত হয়েছে।
শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই ছুটি শ্রমিকদের বিশ্রাম ও পরিবারিক সময় কাটানোর জন্য প্রদান করা হয়েছে, এবং একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কোনো ক্লাস হবে না।
সারসংক্ষেপে, ১লা ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ধারাবাহিক ছুটির পর, ১১ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট পাঁচ দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এই সময়ে শিক্ষার্থীরা বাড়িতে সময় কাটাবে, তবে পিতামাতা ও শিক্ষকদের উচিত পরিকল্পনা করে শিক্ষার্থীদের জন্য হালকা পুনরাবৃত্তি বা স্বশিক্ষা কার্যক্রমের ব্যবস্থা করা।
প্রায়োগিক পরামর্শ: ছুটির দিনগুলোতে শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবইয়ের মূল বিষয়গুলো সংক্ষিপ্ত নোটে রূপান্তর করে রাখতে পারে, অথবা অনলাইন শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্মে উপলব্ধ ভিডিও লেকচার ব্যবহার করে জ্ঞান সংহত করতে পারে। এছাড়া, পরিবারিক সময়কে কাজে লাগিয়ে বই পড়া, সৃজনশীল কাজ বা শারীরিক ব্যায়াম করা শিক্ষার্থীর সামগ্রিক বিকাশে সহায়ক হবে।



