18.1 C
Dhaka
Saturday, February 7, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিজামায়াত-এ-ইসলামি আমীর শফিকুর রহমানের ‘প্রতিশোধ নেব না’ ঘোষণা সিলেট র্যালিতে

জামায়াত-এ-ইসলামি আমীর শফিকুর রহমানের ‘প্রতিশোধ নেব না’ ঘোষণা সিলেট র্যালিতে

সিলেটের সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে বিকেল ৩:৩০ টায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনী র্যালিতে জামায়াত-এ-ইসলামি আমীর শফিকুর রহমান তার দলের নীতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি জানিয়ে দেন, পার্টির ইতিহাসে কখনো প্রতিশোধমূলক রাজনীতি করা হয়নি এবং ভবিষ্যতেও তা করা হবে না।

র্যালিতে তিনি বলেন, “The foundation of our political philosophy is not revenge, but justice and fairness,” এবং যুক্তি দেন যে দলটি ন্যায় ও সমতার নীতিতে কাজ করবে। শফিকুর রহমানের মতে, জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল ও নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ৫ই আগস্ট জাতিকে স্বস্তি দেওয়া মুহূর্তে তারা আনন্দে উচ্ছ্বসিত হননি, বরং আল্লাহর কাছে নত হয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “We said that as an organisation, despite all the oppression carried out against জামায়াত-এ-ইসলামি, in exchange for this freedom, we would thank Almighty Allah and say that জামায়াত would not take revenge on any oppressor. We kept our word. As a party, we did not take revenge on anyone,” এবং জোর দিয়ে বলেন যে কোনো দমনমূলক নীতি তাদের ন্যায়বিচারকে ক্ষুণ্ন করতে পারবে না।

শফিকুর রহমানের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে, যদি জামায়াত-এ-ইসলামি শাসনে আসে, তবে দেশের যে কোনো প্রান্তে অন্যায় সহ্য করা হবে না। তিনি বলেন, “If we can stop corruption and extortion at the root, it is possible to change the face of the country within five years,” এবং দাবি করেন যে সঠিক নীতি অনুসরণে দেশের উন্নয়ন দ্রুত ঘটবে।

অধিকন্তু, তিনি আল্লাহর ওপর বিশ্বাস রেখে বলেন, “If Almighty Allah entrusts us with the responsibility of serving this country, no one will dare to extend a hand of extortion on a single inch of land,” যা দেশের সম্পদ রক্ষার প্রতিশ্রুতি নির্দেশ করে। শফিকুর রহমান সরকারী কর্মকর্তাদের বেতন ও সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন, বলেন, “You cannot deny someone their basic needs and then punish them if they commit a crime to fulfil those needs. First, you must create the opportunity for them to live with dignity,” এবং জীবনের মৌলিক চাহিদা পূরণে ন্যায়সঙ্গত ব্যবস্থা দাবি করেন।

পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, “Bangladesh’s rivers have been destroyed through encroachment and pollution,” এবং বিশেষ করে সিলেটের নদীগুলোকে উদাহরণ দিয়ে বলেন, “Sylhet’s rivers are also dying… They have been encroached upon and destroyed with garbage,”। শফিকুর রহমানের মতে, সুরমা ও কুশিয়ারা নদী কেবল বইয়ের পৃষ্ঠে নয়, বাস্তবে বেঁচে থাকা দরকার।

খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনায় তিনি সুনামগঞ্জের হাওর এলাকার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “A large portion of the country’s food comes from Sunamganj’s haor areas. Yet these areas are neglected. Embankments collapse, crops are des” এবং হাওর অঞ্চলের অবহেলা ও অবকাঠামো ধ্বংসের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

শফিকুর রহমানের র্যালি বক্তব্যে তিনি সামাজিক ন্যায়বিচার, দুর্নীতি মোকাবিলা এবং পরিবেশ রক্ষার বিষয়গুলোকে একত্রে যুক্ত করে একটি সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জামায়াত-এ-ইসলামি শাসনে এ ধরনের নীতি বাস্তবায়ন হলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব হবে।

র্যালির শেষে উপস্থিত ভক্ত ও সমর্থকরা তার বক্তব্যে উল্লাস করে, এবং পার্টির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যায়। শফিকুর রহমানের এই ঘোষণার ফলে জামায়াত-এ-ইসলামি ভোটারদের মধ্যে ন্যায়বিচার ও পরিবেশ সংরক্ষণের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেন।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments