টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডে প্রতিটি দল কমপক্ষে চারটি ম্যাচের মুখোমুখি হবে। শাকিবের বর্তমান রেকর্ড ১৩ উইকেটের ওপর ভিত্তি করে, এই চারটি ম্যাচে একই সংখ্যা অর্জন করা সহজ কাজ নয়। তাই শাকিবের রেকর্ডের সিংহাসন এখনো নিরাপদ নয়, বিশেষ করে যখন অন্যান্য দ্রুতগতি স্পিনারদের পারফরম্যান্স উন্নত হচ্ছে।
হাসারাঙ্গা ও রশিদ দুজনই শাকিবের সমান লক্ষ্য রাখছেন, তবে চারটি ম্যাচে ১৩ উইকেট সংগ্রহ করা তাদের জন্য চ্যালেঞ্জপূর্ণ। যদি দুজনই টুর্নামেন্টের পরবর্তী পর্যায়ে, অর্থাৎ সুপার ইট‑এ অগ্রসর হন, তবে অতিরিক্ত তিনটি ম্যাচের সুযোগ পাবে। অতিরিক্ত ম্যাচের মাধ্যমে উইকেটের সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে, তবে তবুও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের প্রয়োজন থাকবে।
হাসারাঙ্গা ২০২১ সালের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে আটটি ম্যাচে ১৬টি উইকেট নিয়ে স্পিনারদের সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়ে তুলেছিলেন। এই রেকর্ডের মানে হল, টুর্নামেন্টে আটটি ম্যাচ খেলতে হলে দলকে অন্তত সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছাতে হবে। সেমিফাইনাল পর্যন্ত অগ্রসর হলে টিমের মোট ম্যাচ সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, যা উইকেট সংগ্রহের সুযোগকে ব্যাপকভাবে প্রসারিত করে।
শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান এই টুর্নামেন্টে সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছাতে পারবে কিনা এখনো অনিশ্চিত। উভয় দলের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করে তারা আটটি ম্যাচের শর্ত পূরণ করতে পারবে কি না। যদি শ্রীলঙ্কা বা আফগানিস্তান সেমিফাইনালে প্রবেশ করে, তবে হাসারাঙ্গা ও রশিদের জন্য শাকিবের রেকর্ড ভাঙার সম্ভাবনা স্বাভাবিকভাবেই বৃদ্ধি পাবে।
শাকিবের রেকর্ডের সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতা না করলেও, অস্ট্রেলিয়ার লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা তার ৩৬টি ক্যারিয়ার উইকেটের মাধ্যমে শীর্ষ পাঁচের মধ্যে না থাকলেও রেকর্ড ভাঙার সম্ভাবনা রাখেন। অস্ট্রেলিয়া টিমের পরবর্তী রাউন্ডে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের তুলনায় বেশি, যা জাম্পারকে টুর্নামেন্টের শেষ পর্যন্ত গাণিতিকভাবে বিবেচনা করা বাধ্যতামূলক করে তুলেছে।
দক্ষিণ আফ্রিকা এ দলের পেসার আনরিখ নর্টজের ক্যারিয়ার উইকেট সংখ্যা ৩৫। তবে নর্টজি প্রতিটি ম্যাচে খেলবেন কি না, তা এখনও অনিশ্চিত। তার উপস্থিতি টিমের উইকেট সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, তবে টুর্নামেন্টের সমাপ্তি পর্যন্ত এই প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রিকেটে আজ দু’ঘণ্টা আগে একটি দুঃখজনক ফলাফল দেখা দিয়েছে, যা দেশের ভক্তদের মনকে শোকময় করে তুলেছে। টিমের বর্তমান পারফরম্যান্স এবং রেকর্ডের দিক থেকে এই ফলাফল একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সারসংক্ষেপে, শাকিবের ১৩ উইকেটের রেকর্ড এখনো সুরক্ষিত নয়; হাসারাঙ্গা, রশিদ, জাম্পা এবং নর্টজি সহ বিভিন্ন খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স টুর্নামেন্টের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে রেকর্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। টুর্নামেন্টের শেষ পর্যন্ত ফলাফলই শেষ সিদ্ধান্ত দেবে, তবে বর্তমান পর্যায়ে প্রতিযোগিতা তীব্র এবং প্রত্যেক দলের জন্য সুযোগ-সুবিধা সমানভাবে উন্মুক্ত।



