আজ ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে টি২০ বিশ্বকাপের দশম সংস্করণ, যেখানে শীর্ষ দলগুলো নতুন রেকর্ডের সন্ধানে মাঠে নামবে। এই টুর্নামেন্টের সূচনার সঙ্গে সঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে।
বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ২০০৭ সাল থেকে টি২০ বিশ্বকাপের তালিকায় উপস্থিত হবে না, যা দেশের ক্রমবর্ধমান পারফরম্যান্সের একটি বিরল ব্যতিক্রম।
কোনো দল এখনো শিরোপা জয় করার পর পরবর্তী টুর্নামেন্টে শিরোপা রক্ষা করতে সক্ষম হয়নি; প্রতিটি চ্যাম্পিয়ন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।
হোস্ট দেশ কখনোই শিরোপা জিততে পারেনি; শ্রীলঙ্কা ২০১২ সালে চূড়ান্ত ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছেছে।
শ্রীলঙ্কা ও ভারত দুজনেই তিনবার করে ফাইনালে পৌঁছেছে, যা সর্বোচ্চ সংখ্যা। শ্রীলঙ্কা ২০০৯, ২০১২ এবং ২০১৪ সালে ফাইনালে খেলেছে এবং ২০১৪ সালে জয়লাভ করেছে; ভারত ২০০৭, ২০১৪ এবং ২০২৪ সালে ফাইনালে অংশ নিয়েছে, ২০০৭ ও ২০২৪ সালে শিরোপা জিতেছে।
ইতালির দল এই সংস্করণে প্রথমবারের মতো টি২০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করবে, যা টুর্নামেন্টের একমাত্র নতুন দল হিসেবে উল্লেখযোগ্য।
ভারতের ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মা ৩৭ বছর ও ৬০ দিন বয়সে টি২০ বিশ্বকাপ জয় করে সর্ববয়স্ক ক্যাপ্টেনের রেকর্ড স্থাপন করেছেন।
শ্রীলঙ্কা ২০০৭ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে ২৬০/৬ স্কোর করে সর্বোচ্চ টিম টোটাল রেকর্ড করেছে; একই ম্যাচে ১৭২ রানের পার্থক্যে জয়লাভ করে সর্ববৃহৎ রানের পার্থক্যের গৌরব অর্জন করেছে।
সর্বনিম্ন টিম টোটাল রেকর্ড দুটোই ৩৯ রানে ভাগাভাগি করেছে: নেদারল্যান্ডস ২০১৪ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এবং উগান্ডা ২০২৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।
সর্বোচ্চ ম্যাচ সমষ্টি ২০১৬ সালে মুম্বাইতে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ডের মধ্যে ৪৫৯ রানের সমন্বয়ে গঠিত হয়, যা এখনো ভাঙা যায়নি।
সর্বনিম্ন ম্যাচ সমষ্টি ২০১৪ সালে চিটাগাংয়ে নেদারল্যান্ডস ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে মাত্র ৭৯ রানে সীমাবদ্ধ ছিল।
ইংল্যান্ড ২০১৬ সালে মুম্বাইয়ের ওয়ানখেডে স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার ২২৯/৪ স্কোরকে ২৩০/৮ দিয়ে অতিক্রম করে সর্বোচ্চ সফল চেজের রেকর্ড তৈরি করেছে।
ভারতের বিরাট ক্রীড়া তারকা বিরাট কোহলি ২০১২ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ৩৫ ম্যাচে ১,২৯২ রানের শীর্ষ স্কোরার, যার মধ্যে ১৫টি অর্ধশতক এবং ২০১৪ সালে একক সংস্করণে ৩১৯ রানের রেকর্ড রয়েছে।
নিউজিল্যান্ডের ব্রেনডন ম্যাককালাম ২০১২ সালে বাংলাদেশকে বিপক্ষে ১২৩ রানের সর্বোচ্চ একক স্কোর তৈরি করে ব্যক্তিগত রেকর্ডে শীর্ষে রয়েছে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ক্রিস গেইল দুইটি শতক দিয়ে সর্বাধিক শতকধারী এবং ২০০৭ থেকে ২০২১ পর্যন্ত ৩৩ ম্যাচে ৬৩টি ছয় দিয়ে সর্বাধিক ছয়ধারী রেকর্ড ধারণ করে; তিনি এক ইনিংসে সর্বাধিক ছয়ও করেছেন।
পরবর্তী ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ও ভারতীয় দলগুলো তাদের গ্রুপের শীর্ষস্থানীয় প্রতিপক্ষের সঙ্গে মুখোমুখি হবে, যা শিরোপা জয়ের পথে নতুন মোড় আনতে পারে।



