17 C
Dhaka
Saturday, February 7, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাগুয়ার্ডিওলা মানবিক মত প্রকাশে অস্বীকার, জিউইশ সমিতি ‘ফুটবলে মনোযোগ’ দাবি

গুয়ার্ডিওলা মানবিক মত প্রকাশে অস্বীকার, জিউইশ সমিতি ‘ফুটবলে মনোযোগ’ দাবি

গুয়ার্ডিওলা মানবিক বিষয় নিয়ে মন্তব্য করতে বাধা দেওয়ার পরেও তিনি তার মত প্রকাশে দৃঢ়তা বজায় রেখেছেন। ম্যানচেস্টার সিটি দলের প্রধান কোচ শুক্রবারের প্রি-ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সে জিউইশ গোষ্ঠীর ‘ফুটবলে মনোযোগ দিন’ আহ্বানের প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, কোচ হওয়া মানে তার অনুভূতি গোপন করতে হবে না।

কোচের বক্তব্যে তিনি জোর দেন, “আমি কোনো বিশেষ কিছু বলি না, তবে আমার মতামত প্রকাশের অধিকার আছে। কেন আমি আমার অনুভূতি শেয়ার না করতে পারি?” তিনি সকল সংঘাতকে সমালোচনা করার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে বলেন, “যদি নিরপরাধ মানুষ মারা যায়, তা আমি নিন্দা করি, দেশ নির্বিশেষে।”

গুয়ার্ডিওলা পূর্বে সুদান, ফিলিস্তিন এবং ইউক্রেনের সংঘাতের কথা উল্লেখ করে মানবিক হিংসা নিন্দা করেছেন। তিনি যুক্তি দেন, “প্যালেস্টাইনে গণহত্যা, ইউক্রেনে যুদ্ধ, সুদানে সংঘর্ষ—এগুলো সবই মানবতার সমস্যা।” তার এই মন্তব্যগুলো আন্তর্জাতিক বিষয়ের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে।

বার্সেলোনায় একটি দাতব্য অনুষ্ঠানে তিনি ফিলিস্তিনি শিশুদের জন্য সমর্থন জানিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিয়েছেন। সেখানে তিনি মানবিক সহানুভূতি প্রকাশের পাশাপাশি ক্রীড়া জগতে তার প্রভাব ব্যবহার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

ইউইশ রিপ্রেজেন্টেটিভ কাউন্সিল অফ গ্রেটার ম্যানচেস্টার ও রিজিয়ন এই মন্তব্যগুলোকে সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ প্রকাশ করে। তারা জোর দিয়ে বলেছে, “গুয়ার্ডিওলা একজন ফুটবল কোচ, তার মানবিক মন্তব্যগুলো ফুটবলের বাইরে থাকা উচিত।”

কাউন্সিলের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে এথিয়াদ স্টেডিয়ামের কাছাকাছি একটি সন্ত্রাসী হামলা ঘটার পরেও কোচের কোনো প্রকাশ্য সমর্থন দেখা যায়নি। তারা এটিকে “বিশেষভাবে অগ্রহণযোগ্য” বলে সমালোচনা করেন এবং ম্যানচেস্টার সিটি দলকে এই ধরনের মন্তব্যে পুনরায় ভাবতে আহ্বান জানায়।

এই সপ্তাহে দু’বারের বেশি না হলেও গুয়ার্ডিওলা আন্তর্জাতিক সংঘাত নিয়ে তার মতামত প্রকাশ করেছেন, যা জিউইশ গোষ্ঠীর কাছ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। সমালোচকরা বলেন, তার এই প্রকাশনা দলীয় মনোযোগকে বিচ্যুত করে এবং ভক্তদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে।

গুয়ার্ডিওলার এই মন্তব্যের পরই আর্সেনাল, নিউক্যাসল এবং বোর্নমাউথের কোচরা তাদের নিজস্ব প্রি-ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত হন। প্রতিটি দল তাদের আসন্ন ম্যাচের প্রস্তুতি ও কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন, তবে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিষয়গুলোতে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

আর্সেনাল দলের প্রধান কোচ তার দলের আক্রমণাত্মক পরিকল্পনা ও শটের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, “আমরা প্রতিপক্ষের রক্ষণকে চ্যালেঞ্জ করতে চাই এবং গোলের সুযোগ বাড়াতে প্রস্তুত।”

নিউক্যাসল কোচও দলের রক্ষণাত্মক কাঠামো শক্তিশালী করার কথা বলেন। তিনি বলেন, “সামনের ম্যাচে আমরা গেমের গতি নিয়ন্ত্রণে মনোযোগ দেব এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণকে সীমাবদ্ধ রাখব।”

বোর্নমাউথের কোচ তার দলের তরুণ খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, “যদিও আমরা আয়োজক দলের তুলনায় ছোট, তবে আমাদের খেলোয়াড়দের উদ্যম ও দৃঢ়তা আমাদের শক্তি।”

প্রতিটি ক্লাবের পরবর্তী ম্যাচের সূচি ইতিমধ্যে নির্ধারিত। আর্সেনাল আগামী সপ্তাহে নিউক্যাসলের মুখোমুখি হবে, নিউক্যাসল আবারও আর্সেনালের সঙ্গে লড়াই করবে, আর বোর্নমাউথের পরের প্রতিপক্ষ হবে লিভারপুল। সকল দলই এই ম্যাচগুলোকে শিরোপা লড়াইয়ের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছে।

৮৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: The Guardian – Football
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments