21 C
Dhaka
Friday, February 6, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিইনকিলাব মঞ্চের প্রতিবাদে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি না ব্যবহার করে সাউন্ড গ্রেনেড ও...

ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিবাদে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি না ব্যবহার করে সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার

শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ঢাকা শহরের যমুনা ও সংলগ্ন এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি ব্যবহার না করে সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ার গ্যাস শেল এবং জলকামান দিয়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান উপদেষ্টার যাচাইকৃত ফেসবুক পোস্টে স্পষ্ট করে জানায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য গুলি ছোড়া হয়নি এবং শুধুমাত্র অ-প্রাণঘাতী উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রতিবাদকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে যমুনা দিকের দিকে অগ্রসর হতে চাওয়ায় পুলিশকে বাধা দিতে হয়। এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীরা জলকামানের ওপর উঠে পড়ে, ফলে নিরাপত্তা বাহিনী টিয়ার গ্যাস শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে সমাবেশকে নিয়ন্ত্রণে আনে। এই সময়ে কোনো প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি, তা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হওয়ার দাবি করা হয়। এছাড়া, জাবের গুলিবিদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি ৪০ জনেরও বেশি আহত হওয়ার তথ্যও প্রকাশিত হয়। তবে সরকার ও পুলিশ এই গুলিবিদ্ধের দাবি প্রত্যাখ্যান করে, উল্লেখ করে যে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি ব্যবহার করেনি এবং আহতদের মধ্যে কিছুই গুরুতর নয়।

পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস বিভাগ) তালেবুর রহমানের স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন গোষ্ঠী শুক্রবারের সন্ধ্যায় যমুনা দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার যমুনা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সকল ধরনের সমাবেশ, মিছিল, গণজমায়েত ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেছে। এই প্রেক্ষাপটে পুলিশ সম্পূর্ণ আইনানুগভাবে অ-প্রাণঘাতী উপকরণ ব্যবহার করে প্রতিবাদকে ছত্রভঙ্গ করেছে।

বিক্ষোভের সময় কয়েকজন নিরাপত্তা কর্মী সামান্য আঘাত পায়, এবং কিছু আন্দোলনকারীও হালকা আঘাতে আহত হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত কিছু ব্যক্তি সামাজিক মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছিলেন, যা সরকার ও পুলিশ উভয়ই নিন্দা করেছে। তারা জানিয়েছে, ভবিষ্যতে একই ধরনের সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা বজায় থাকবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা শারিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবির সঙ্গে সম্পর্কিত এই সংঘর্ষে আহতদের সংখ্যা বাড়ার কথা উল্লেখ করে, এবং চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করে পুনরায় রাস্তায় আসার আহ্বান জানায়। তবে সরকার স্পষ্ট করে বলেছে, কোনো গুলিবিদ্ধের ঘটনা ঘটেনি এবং নিরাপত্তা বাহিনীর কাজ সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক ও আইনসঙ্গত ছিল।

এই ঘটনার পর, সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনী উভয়ই জনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য কঠোর পদক্ষেপের পুনরাবৃত্তি করেছে এবং ভবিষ্যতে অননুমোদিত সমাবেশে কঠোর শাস্তি আরোপের সম্ভাবনা উল্লেখ করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, এই ধরনের পদক্ষেপের ফলে বিরোধী গোষ্ঠীর কার্যক্রমে সীমাবদ্ধতা আসতে পারে এবং সরকারী নীতি প্রয়োগে আরও দৃঢ়তা দেখা যাবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments