24 C
Dhaka
Friday, February 6, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতি৪৪তম বিসিএসের মাধ্যমে ১,৪৯০ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ জানানো হল

৪৪তম বিসিএসের মাধ্যমে ১,৪৯০ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ জানানো হল

বাংলাদেশ সরকার ৪৪তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ১,৪৯০ প্রার্থীর জন্য বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের আদেশ জারি করেছে। এই আদেশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নবনিয়োগ অধিশাখা থেকে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হয় এবং পরের দিন, শুক্রবার, সরকারী গেজেটে প্রকাশ পায়। প্রার্থীরা পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) কর্তৃক সুপারিশের প্রায় সাত মাস পর এই পদে নিয়োগ পায়, যা পূর্বে ঘোষিত শূন্যপদগুলোর পূরণকে চিহ্নিত করে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রশাসন ক্যাডারে ২৪৪ জন, পুলিশ ক্যাডারে ৪৮ জন, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ৯ জন, নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডারে ২৯ জন এবং অন্যান্য ক্যাডারে বাকি সংখ্যক প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই সংখ্যা পূর্বে পিএসসি কর্তৃক সুপারিশকৃত ১,৬৯০ প্রার্থীর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যদিও মোট শূন্যপদ ১,৭১০টি ছিল।

নিয়োগপ্রাপ্তদেরকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ের পদায়ন করা কার্যালয়ে যোগদান করতে বলা হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে অন্য কোনো নির্দেশনা না এলে, নির্ধারিত তারিখে প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে উপস্থিত হতে হবে। এই সময়সীমা পূরণ না করলে প্রার্থীদেরকে চাকরিতে যোগদানে অনিচ্ছুক বলে গণ্য করা হবে এবং তাদের নিয়োগপত্র বাতিল করা হবে, এ শর্ত প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অতিরিক্তভাবে, নিয়োগের পর যদি কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিরূপ বা ভিন্নরূপ তথ্য প্রকাশ পায়, তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিয়োগ আদেশ সংশোধন বা বাতিল করার অধিকার সংরক্ষিত থাকবে। এই বিধানটি নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এই নিয়োগের পূর্বে, গত বছরের ৩০ জুন বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন ৪৪তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করে এবং বিভিন্ন ক্যাডারে ১,৭১০টি শূন্যপদের বিপরীতে ১,৬৯০ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করেছিল। সেই সময়ে শূন্যপদ ও সুপারিশকৃত প্রার্থীর মধ্যে সামান্য পার্থক্য দেখা গিয়েছিল, যা এখন এই নতুন নিয়োগ আদেশের মাধ্যমে পূরণ হয়েছে।

সরকারের এই পদক্ষেপকে প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দেশের সেবা খাতে যোগ্য মানবসম্পদ নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থায় কাজ শুরু করলে, জনসেবা প্রদান, নীতি বাস্তবায়ন এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব প্রত্যাশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে, নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়সূচি ও শর্তাবলীর কঠোরতা ভবিষ্যতে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সুপারিশের বাস্তবায়নে একটি মানদণ্ড স্থাপন করবে বলে বিশ্লেষকরা মন্তব্য করছেন।

সামগ্রিকভাবে, ৪৪তম বিসিএসের মাধ্যমে ১,৪৯০ জনের নিয়োগ বাংলাদেশ সরকারের মানবসম্পদ নীতি ও জনসেবা উন্নয়নের লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং দেশের প্রশাসনিক কাঠামোকে শক্তিশালী করার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments