প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস রক্ষা’র চতুর্থ কৃশ ছবিতে নারী প্রধান চরিত্রে চূড়ান্তভাবে যুক্ত হয়েছে। এই ঘোষণায় তিনি বলিউডে ফিরে আসার নিশ্চিত সংকেত দিয়েছেন। কৃশ সিরিজের এই নতুন অধ্যায়ে তার উপস্থিতি দর্শকদের প্রত্যাশা বাড়িয়ে তুলেছে।
প্রিয়াঙ্কা পূর্বে কৃশের শেষ দুই ভাগে প্রধান ভূমিকা পালন করেন। কৃশ ৩-এ তার পারফরম্যান্স ব্যাপক প্রশংসা পায় এবং তিনি সিরিজের মুখোমুখি হয়ে দর্শকের হৃদয় জয় করেন। তার পরের বছরগুলোতে তিনি হলিউডে কাজ করেন এবং ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহের পথে অগ্রসর হন।
বহিরাগত ক্যারিয়ার শেষে তিনি ভারতীয় সিনেমায় ফিরে আসেন। প্রথমে তিনি এস. এস. রাজমৌলীর ‘ভারাণসি’ ছবিতে উপস্থিত হন, যা তার পুনরায় বলিউডের মঞ্চে প্রবেশের সূচনা করে। ২০১৯ সালে তিনি শোনালি বোসের ‘দ্য স্কাই ইজ পিংক’ ছবিতে কাজ করেন এবং পরবর্তীতে সঞ্জয় লীলা ভান্সালীর ‘গ্যাংগুবাই কাথিয়াওয়াদি’ প্রকল্পে নাম লেখান, তবে শেষ মুহূর্তে ভূমিকা অ্যালিয়া ভাটের কাছে চলে যায়।
রাজমৌলি এবং মহেশ বাবু প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে কাজ করতে কোনো বাধা দেখেননি। তারা তাকে পশ্চিমা বাজারে যে পারিশ্রমিক প্রদান করা হয় তার সমতুল্য বা তার চেয়েও বেশি বেতন প্রদান করেন এবং তার চরিত্রের পরিধি বাড়িয়ে দেন। এই পদক্ষেপগুলো প্রিয়াঙ্কার জন্য বলিউডে পুনরায় প্রতিষ্ঠা গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রিয়াঙ্কা মহেশ বাবু, তার স্ত্রী নাম্রতা এবং কন্যা সিতারার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। পরিবারিক বন্ধন এবং পেশাগত সমন্বয় তার নতুন প্রকল্পে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই সম্পর্কটি তার টেলিগু চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশের সেতু হিসেবে কাজ করছে।
বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেন, প্রিয়াঙ্কার এই পদক্ষেপটি টেলিগু সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে প্রবেশের গেটওয়ে হিসেবে কাজ করবে। তিনি রাজমৌলীর সিনেমাটিক ইউনিভার্সের মাধ্যমে ভারতীয় চলচ্চিত্রকে বিশ্ব মঞ্চে উপস্থাপন করতে চান। তার আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা এবং উচ্চমানের পারিশ্রমিকের প্রস্তাব তাকে এই পথে আরও দৃঢ় করে তুলেছে।
একজন গরম গরম বলিউড চলচ্চিত্র নির্মাতা জানান, তিনি প্রিয়াঙ্কাকে একটি নারী অ্যাকশন-হিরো ছবিতে কাজের জন্য সাইন করতে চেয়েছিলেন, তবে তাকে ‘সাইন না করার’ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এই তথ্যটি শিল্পের মধ্যে প্রিয়াঙ্কার ক্যারিয়ার পরিকল্পনা নিয়ে চলমান আলোচনার ইঙ্গিত দেয়।
কৃশ ৪-এ প্রিয়াঙ্কার চরিত্রের বিস্তারিত এখনো প্রকাশিত হয়নি, তবে তার উপস্থিতি ছবির বাণিজ্যিক সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভক্তরা নতুন কৃশের গল্প এবং প্রিয়াঙ্কার অভিনয় নিয়ে উন্মুখ। চলচ্চিত্রটি রক্ষা’র সঙ্গে যুক্ত হয়ে ভারতীয় সুপারহিরো জগতের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।



